Better Life With Steem || The Diary game || 26 February 2025 ||
![]() |
|---|
মন খারাপের কারণ গুলো এখন আর কারো সাথে শেয়ার করি না। কারন আমার কাছে মনে হয় আমার মন খারাপের কারণ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে শেয়ার করাটা ঠিক না। কেউ আমার মন খারাপের কারণ জানার চেষ্টা করে না। তাই আমিও কারো সাথে শেয়ার করি না। আজকে অনেকটা খারাপ লাগা অনেকটা হতাশা নিয়ে লেখা লিখতে বসেছিলাম। তার কারণটা হচ্ছে বেশ কিছুদিন আগে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। আমি কিছু মুরগি কিনেছি পালন করার জন্য। হঠাৎ করে গত কয়েকদিন ধরে মুরগিগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। অনেক ঔষধ খাওয়ানো হয়েছে এখনো খাওয়াচ্ছি, কিন্তু একটা একটা করে মুরগি প্রায় আটটা মারা গেল।
অনেকটা হতাশ হয়ে গেছি অনেক আশা ভরসা নিয়ে মুরগিগুলো কিনেছিলাম। আসলে আমাদের শখের জিনিসের মূল্য যদি এক টাকাও হয় সেটা আমাদের কাছে অনেক বেশি মূল্যবান, কিন্তু আমরা যেটা পছন্দ করি না সেই জিনিসটার দাম যদি লাখ টাকাও হয় আমাদের কিছু যায় আসে না। আমি বড় শখ করে নিজের পরিশ্রমের টাকা দিয়ে মুরগিগুলো কিনেছিলাম, কিন্তু মুরগিগুলো এক এক করে মারা যাচ্ছে, এত পরিমাণে ওষুধ খাওয়ানোর পরেও কিছুই হচ্ছে না। জানি না কেন এমন হচ্ছে। তবে ধৈর্য ধারণ করছি নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
নিজের শরীরের অবস্থা মোটেও ভালো নেই, তারপরেও সংসার সন্তান হাঁস মুরগি সবকিছু নিয়ে আমাকে চলতে হয়। আজকে সকালেও ঘুম থেকে উঠে আগে নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ নামাজের বিছানায় সময় ব্যয় করেছিলাম। তারপর বাহিরে গিয়ে হাঁটাহাঁটি করে হঠাৎ করেই আমার মনে হল আগে মুরগি গুলোকে দেখা দরকার। দরজা খুলে দেখি একটা মুরগি মরে আছে। কি করব বুঝতে পারছি না মনটা আবারও খারাপ হয়ে গেল। তারপর মুরগিটা কে কবর দিয়েছিলাম, এরপর বাকি গুলোকে খাবার খাইয়ে ঔষধ খাইয়ে দিয়ে বাহিরে ছেড়ে দিয়েছিলাম। তাদের অবস্থাও মোটেও ভালো না তারপরেও দেখি যদি বেঁচে থাকে দু-একটা এই আশা নিয়ে।
মুখের অবস্থা এত পরিমানে বাজে হয়েছে কি আর বলবো। কিছুই খেতে ইচ্ছে করছে না সকালবেলা সবার জন্য খাবার তৈরি করেছিলাম। কিন্তু আমার জন্য শুধুমাত্র এক মুঠো মুড়ি নিয়েছিলাম। তারপর খেয়ে ওষুধ খেয়ে নিলাম। এরপর আবার কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলাম শরীর কাপা বন্ধ হচ্ছে না, এর একটাই কারণ সেটা হচ্ছে ঠিকমতো খাবার খেতে পারছি না, তারপরে এন্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হচ্ছে।। এরপরে উঠে গিয়ে আবারো নিজের সংসারের কাজগুলো গুছিয়ে নিয়েছিলাম। রান্নাবান্নার জন্য সবকিছু রেডি করে রেখেছিলাম। রান্না করার মত শক্তি আমার শরীরে ছিল না। তারপরে দেখলাম শাশুড়ি মা নিজেই বসেছেন রান্না করার জন্য, আমি উনার সাথে বসে ছিলাম।
![]() |
|---|
কিছুদিন আগেও রোদ আমার গায়ে লাগলে আমার কাছে বিরক্ত লাগতো। কিন্তু এই তিন চার দিন রোদের মধ্যে বসে কাটিয়ে দিচ্ছি, এত পরিমানে ভালো লাগছে কি আর বলব। উনি রান্না করছিল আমি রোদে বসে ছিলাম। তারপর রান্নাবান্না হলে সব কিছু ঘরে নিয়ে গেলাম। এরপরে গোসল করে নিয়েছিলাম মাথার প্রচুর পরিমাণে পানি দিয়েছি মাথা প্রচন্ড ঘুরাচ্ছে। এরপর এসে নামাজ পড়ে দুই মুঠো ভাত নিয়েছিলাম খাওয়ার জন্য, কিন্তু সেটাও খেতে পারছি না অল্প একটু ভাত খেয়ে তারপর ওষুধ খেয়ে শুয়ে পড়েছিলাম। ঘুম আসছে না চোখ জ্বালাতন করছে।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
কোন কাজ করতে পারছি না, এই দুই তিনদিনে কোন কমেন্ট করতে পারিনি যার কারণে আরো বেশি খারাপ লাগে। অসুস্থতা আছে কিন্তু কাজ করতে পারছি না এটা আরো অনেক বেশি সমস্যা। যাইহোক এপাশ ওপাশ করতে করতে কখন আসরের আযান দিল বুঝতে পারিনি। এরপরে উঠে গিয়ে নামাজ পড়ে হাঁস মুরগি গুলোকে আবারো খাবার দিয়েছিলাম। তারপর বাহিরে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলাম এরপরে সোজা চলে গেলাম বাজারে। জ্বর কেন কমছে না ওষুধ পরিবর্তন করব ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নেব। বাজারে গিয়ে ডাক্তার আবারো জ্বর মেপে দেখলেন এখনো ১০১ ডিগ্রী জ্বর। এরপর উনি আবার ঔষধ পরিবর্তন করে দিয়েছেন সাপোজিটর দিয়েছেন।
![]() |
|---|
বাসায় আসার সময় গরম গরম পেঁয়াজু এবং আলুর চপ নিয়েছিলাম, সাথে একটা আইসক্রিম নিয়েছিলাম। আসলে কোন কিছুই খেতে ভালো লাগছে না এর পরে বাসায় এসে প্রথমত আলুর চপ এবং পেঁয়াজু খেয়ে ঔষধ খেয়ে নিয়েছিলাম। এরপরে মুরগি গুলোকে ঘরে রেখে আমি এসে নামাজ পড়ে নিয়েছিলাম। মাগরিবের নামাজ পড়ে সামান্য পরিমাণে মুড়ি মাখা তৈরি করেছিলাম। এরপর সবাই মুড়ি মাখা খেয়ে নিয়েছে। আমি ছেলেদেরকে নিয়ে পড়তে বসেছিলাম। ওদের পড়া শেষ হলে এশার নামাজ পড়ে আমি আবার একটু মুড়ি খেয়ে তারপরে ওষুধ খেয়ে নিয়েছিলাম। বর্তমান সময় মোটামুটি আলহামদুলিল্লাহ আগের চেয়ে ভালো আছি। এরপর শুয়ে পড়েছিলাম ঘুম আসছে না চোখ জ্বালাতন করছে, কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম নিজেও জানিনা। এভাবেই আমার জীবন থেকে আরো একটা দিন অতিবাহিত করলাম। সবার সুস্থতা কামনা করে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ।







এটা জানতে পেরে অনেক খারাপ লাগলো যে আপনি অনেক শখ করে কিছু মুরগি লালন পালন করা জন্য কিনেছিলেন কিন্তু সব গুলো মারা যাচ্ছে। এটা সত্যিই একটি দুঃখ জনক ঘটনা ধৈর্য ধারণ করুন এইটা ছাড়া বলার মত ভাষা আমার জানা নেই।
এবং ভালো একটি ডাক্তার দেখিয়ে তার কাছ থেকে ঔষধ নিয়ে এসে খাওয়াতে থাকুন দেখুন ঠিক হয়ে যাবে। আসলে আমিও আপনার সাথে সহমত এ কথাটি একদম সত্য শখের জিনিস এক টাকা হলেও সেটা আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান।
কিন্তু যে জিনিসটা আমরা পছন্দ করি না সেটা কোটি টাকা হলেও আমাদের কাছে মূল্যবান হয় না। যাইহোক অনেক সময় মুরগি এমন অসুস্থ হয়ে পড়ে তাদের ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারলে সব ঠিক হয়ে যায়।
আসলে তারা যখন আমার চোখের সামনে মারা যাচ্ছিল তখন অনেক বেশি খারাপ লাগছিল কিছুই করার ছিল না ওষুধ খাওয়াচ্ছি জানিনা কি হবে তবে অনেকেই বলতেছে বর্তমান সময়ে বসন্তকাল বিভিন্ন ধরনের রোগ মুরগির হয়ে থাকে তাই বলে এভাবে সব শেষ হয়ে যাবে চোখের সামনে এটা তো আর মেনে নেয়া যায় না কালকেও ঔষধ নিয়ে এসেছি খাওয়াচ্ছি দেখা যাক কি হয় দোয়া করবেন যেন ঠিক হয়ে যায় অসংখ্য ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্য করার জন্য ভালো থাকবেন।
আপনার সাহসিকতা এবং ধৈর্য্য দেখে মুগ্ধ হলাম। এই কঠিন সময়ে আপনি কীভাবে সবকিছু সামলাচ্ছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আল্লাহ আপনাকে দ্রুত সুস্থ করুক। । আপনার পোস্টটি পড়ে জানতে পারলাম আপনার শখের মুরগিটা মারা গিয়েছে। এটা জেনে অনেকটাই খারাপ লাগলো, ইনশাআল্লাহ আপনার পরিশ্রম একদিন সফল হবে
বর্তমানে সময় গুলো আপনার খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এমনিতে শরীর খারাপ তার উপর হাঁসমুরগি অসুস্থ।।
শরীর বা মনের অবস্থা যাই থাকুক না কেন সংসারের কাজ ঠিকই করতে হয় এছাড়াও আপনার খাবারেরও সমস্যা হচ্ছে।। দোয়া করি আপনার সকল সমস্যা যেন দূর হয়।।
আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ তারপরেও আমি এতটা ভেঙ্গে পড়িনি যখন আমার মুরগি গুলো অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছিল তখন অনেক বেশি খারাপ লাগছিল চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলাম ঔষধ খাওয়াছিলাম কিন্তু কোন কিছুই হচ্ছিল না। শাশুড়ি বলছিল বর্তমান সময়ে বসন্তকাল চলছে তাই বিভিন্ন ধরনের ঋতু পরিবর্তনের কারণে মানুষের এবং পশু পাখির বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধি দেখা দেয় যার কারণে হয়তোবা এই সমস্যাগুলো হচ্ছে যাইহোক তারপরেও সমাধানের চেষ্টায় প্রতিনিয়ত নিয়ে যেতে অব্যাহত রেখেছি কিন্তু শেষ রক্ষাটা করতে পারিনি এজন্য খুব খারাপ লাগে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্য করার জন্য ভালো থাকবেন।
শুধু বসন্তের দোষ দিলে হবে না চিকিৎসার কিছু সমস্যা ছিল বলে আমি মনে করি।।। কারণ আমাদের বাসায় মুরগি আছে আশেপাশে অনেকের মুরগি মারা গেল আমাদের বাসায় যায়নি তাদের সঠিক সময় ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল।।
আপনার সাথে আমিও সহমত পোষণ করছি হয়তোবা চিকিৎসা ক্ষেত্রে কোন ত্রুটি ছিল তাই এভাবে একেবারে সব সাফ হয়ে গেল ইনশাল্লাহ চেষ্টা করছি আপনি নিয়ে আসবা এবং সঠিকভাবে পরামর্শ নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।