Better Life With Steem || The Diary game || 29 March 2025 ||
![]() |
|---|
![]() |
|---|
একা থাকাটা কোন বাজে অভ্যাস নয়। একা থাকাটা হচ্ছে ভালো। এতে করে আপনি নিজেকে যেমন সময় দিতে পারবেন। আপনার কাজের প্রতি গুরুত্ব দিতে পারবেন। একটা মানুষ কখন থেকে একা থাকার চিন্তা করে জানেন। যবে থেকে সে তার পরিবার থেকে পাওয়া কষ্টগুলো সহ্য করতে করতে পাথরের মত হয়ে যায়। যখন আর কারো কথায় তার কিছু যায় আসে না। যখন কেউ কিছু বললেও ততটা গুরুত্ব দেয়ার মনে হয় না। অন্যের ভালোর জন্য বহুবার নিজের মূল্য কমিয়ে নিয়েছিলাম। হাজারো আঘাত করার পরেও নিজে থেকেই কথা বলেছিলাম, কিন্তু এখন আর কথা বলতে ইচ্ছে করে না।
এখন মনে হয় চুপচাপ থাকি। কারণ কারো সাথে ঝগড়া করা কে কি বলল সেটা নিয়ে প্রতিনিয়ত কথা বলার ইচ্ছে করে না। নিজের মূল্যটা বাড়িয়ে নিতে হবে, কারণ আমি এতটাও সস্তা হয়ে যায়নি যে তারা ইচ্ছেমতো যখন তখন আমাকে আঘাত করতে পারবে। নিজের মূল্য বাড়িয়ে নিতে চাইলে আপনি অবশ্যই এ কাজগুলো করতে পারেন। কথা কম বলার চেষ্টা করবেন, কেউ আপনাকে ডাকার সাথে সাথে তার কাছে ছুটে চলে যাবেন না। যে অভ্যাস আমার আগে ছিল। এখন পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। কেউ কল করেছে সাথে সাথে ধরার চেষ্টা করবেন না।
![]() |
|---|
যতটুকু পারেন সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখার চেষ্টা করেন। আর নিজের কাজের প্রতি ফোকাস করার চেষ্টা করেন। একটা কথা মাথায় রাখবেন আজকাল টাকা থাকলে সবার কাছে সম্মান পাওয়া যায়। টাকা না থাকলে আপনার কোন সম্মান নেই এই পৃথিবীতে এটাই বাস্তব। এটা কেউ মানুক কিংবা না মানুক আমি মানি। আলহামদুলিল্লাহ নতুন একটা সকালের দেখা পেয়ে প্রথমত শুকরিয়া আদায় করে নিয়েছিলাম সৃষ্টিকর্তার কাছে। এরপরে সংসারের কাজগুলো এক এক করে শেষ করতে লাগলাম। হঠাৎ করেই বড় ভাই কল করে বলল আমাদের গেটের সামনে যাওয়ার জন্য। তখন সময় সকাল নয়টা, আমি মনে মনে চিন্তা করলাম এত সকালবেলা ওর আসার তো কথা না। এরপর গিয়ে দেখলাম সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যাওয়ার পর আমার হাতে হাতে একটা শপিং ব্যাগ আমার হাতে ধরিয়ে দিল বলল, আমি এবার যাই তাহলে আমি বললাম তাহলে ঘরে আসবে না বলল না।
![]() |
|---|
ছেলেদের সকালবেলার নাস্তা
ওখান থেকে ভাইকে বিদায় দিয়ে ঘরে চলে আসলাম ঘরে এসে শপিং ব্যাগ খুলে দেখলাম। আমার মা আমার জন্য চকলেট পাঠিয়েছে তার সাথে একটা জামা। ছেলেদের জন্য আগেই কিনে রেখেছিল সেটাও পাঠিয়ে দিল। এটাই হয়তো বা মায়ের ভালোবাসা। যাইহোক এর পর এগুলো রেখে দিয়ে আমি আমার আরো কিছু কাজ ছিল সেগুলো সম্পন্ন করে নিয়েছিলাম। কাজ করতে করতে কখন দুপুর হয়ে গেল বুঝতেও পারলাম না। তারপর গোসল করে এসে নামাজ আদায় করে নিলাম।
এত পরিমানে গরম যেটা বলে বোঝানো সম্ভব না, বাহিরে বের হওয়াটা অনেক কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরেও আমার শ্বশুরমশাই বললেন আজকে একটু ধানের জমিটা দেখে আসার জন্য। তাই আমি ঘরে এসে নামাজ পড়ে তারপর বাহিরে বের হয়েছিলাম জমি দেখার জন্য। ধানের জমি দেখতে গিয়ে আমার অবস্থা আরো নাজেহাল হয়ে গেছে। ওখানে এত পরিমাণে গরম দুই মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে আমি আবার বাড়িতে চলে আসলাম। বাড়িতে এসে কিছু পোস্টে কমেন্ট করলাম। একটু পরেই রান্নাবান্নার জন্য সবকিছু রেডি করে নিয়েছিলাম।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
![]() |
|---|
এর পরে রান্নাবান্না শেষ করে প্রথম অবস্থায় মুরগি গুলোকে খাবার দিয়েছিলাম। তারপর কবুতরের ওখানে গিয়ে পানি দিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। তারা পানি নিয়ে গোসল করল খেলো তারপর নিজেদের ঘরে প্রবেশ করল। আমি দরজা লাগিয়ে দিয়ে নিচে নেমে আসলাম। তারপর ইফতারের জন্য সবকিছু রেডি করে নিলাম। একটু পরে আজান হলে সবাই মিলে ইফতার করে নিলাম। এরপরে আমি এবং আমার ছেলেরা মায়ের দেয়া চকলেট গুলো খেয়ে নিয়েছিলাম। এশার আজান দিলে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। এভাবেই আমার জীবন থেকে আরো একটা দিন অতিবাহিত করলাম। সবার সুস্থতা কামনা করে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ।







