জেনারেল রাইটিং ||| বাচ্চাদের পরীক্ষায় হয়রানি |||original writing by @saymaakter.

in আমার বাংলা ব্লগ8 days ago

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আশা করছি সবাই পরিবারকে নিয়ে সুস্থ সুন্দরভাবে দিনগুলো অতিবাহিত করছেন।আমি আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

liliya_arslanova-child-7217095.jpg
source



বরাবরের মতো আবারো আপনাদের মাঝে হাজির হলাম নতুন আরেকটি ব্লগ নিয়ে। আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি জেনারেল রাইটিং বাচ্চাদের পরীক্ষায় হয়রানি।

বেশ কিছুদিন হলো সব জায়গায় একই অবস্থা সবাই এই হয়রানিতে শিকার হচ্ছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত গরমে মানুষ অস্থির হয়ে পড়ছিল। তার কয়েকদিন পর থেকে শুরু হলো বৃষ্টি। এই বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকে মানুষ একটু হলেও স্বস্তি পেয়েছিল এবং গরমের হাত থেকে রক্ষা ও পেল। কিন্তু এই বৃষ্টি যে মানুষের জীবন যাপনে এতটা কষ্টদায়ক হবে কেউ কল্পনা করতে পারেনি।অতিবৃষ্টি বন্যা সবকিছু মানুষের জান জীবন কেড়ে নিচ্ছে। কেউ শান্তিতে কিছু করতে পারছে না। যারা বন্যা কবলিত অবস্থায় আছে তাদের না জানি কি অবস্থা। প্রতিদিন বৃষ্টি, সেই বৃষ্টি যদি অল্প পরিমাণে হতো তবুও স্বস্তি পাওয়া যেত।

এতটা বৃষ্টি যা দিন রাত ২৪ ঘন্টা হয়ে রাস্তাঘাট একদম পানিতে ডুবে যাচ্ছে।কিন্তু জরুরী কাজকর্ম এগুলো আমাদের করতেই হচ্ছে সেই পানিতেই বের হতে হচ্ছে আমাদের জীবিকার জন্য বা কাজের গন্তব্য স্থানে।আবার এইদিকে বাচ্চাদেরও শুরু হয়েছে পরীক্ষা।পরীক্ষা মানেই টেনশন।একদিকে পরীক্ষার টেনশন অন্যদিকে রাস্তাঘাটের যে অবস্থা বাচ্চারা পরীক্ষা দিতে গিয়ে ভিজে যাচ্ছে। ভেজা ইউনিফর্ম নিয়েই তাদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।এতে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের পরীক্ষার সমস্যা হবে। তারাও ঠিকভাবে লেখাপড়া করতে পারবে না। কারণ শরীর ভালো না থাকলে কোন কিছুতেই মনোযোগ আসে না।


আসলে হঠাৎ করে এতটা বৃষ্টি হয়ে সব রাস্তাঘাট পানিতে ভরে আছে। তাই পরীক্ষা দেওয়ার সময় ঠিকমত যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না তারা স্কুলেও পৌঁছাতে পারছে না। তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে কারণ পরীক্ষায় সময়ের কারণে ফুল অ্যানসার না করতে পারলে প্রত্যেকটি বাচ্চার মন-মানসিকতা এমনি খারাপ হয়ে যায়। পরীক্ষায় বাচ্চাদের তো প্রাইভেট কোচিং করতে হয়। এই পানি ভর্তি রাস্তায় তারা বেরও হতে চায় না। যার কারনে ঠিকমত কোচিং ও প্রাইভেটেও তারা যেতে পারছে না। এতে করে তাদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটছে।প্রত্যেকটি স্কুলে পৌঁছানোর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে এবং সেই সময় অনুপাতে স্কুলে পৌঁছাতে হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাচ্চাদের আবহাওয়া যখন একটু ভালো থাকে সময়ের আগেই তাদের বের হতে হয়।


কারণ একটি কথা মাথায় থাকে তাদের সময়ের ভেতরেই স্কুলে না ঢুকতে পারলে স্কুলের গেট বন্ধ হয়ে যাবে। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে অথবা সময় বেশি নিয়ে আগেই তাদের স্কুলে ঢুকতে হচ্ছে। আর এই সময়টি একটা সময় বাচ্চারা বাসায় পড়তো। হাতে সময় নিয়ে তারপর তারা যানবাহনে উঠে স্কুলে উদ্দেশ্যে রওনা দিত।কিন্তু বর্তমানে বৃষ্টির কারণে সবকিছুই চেঞ্জ হয়ে গেছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সবদিক থেকে তারা হয়রানি হচ্ছে।পরীক্ষা তো দিতেই হবে তাই পরীক্ষার টেনশন ও বৃষ্টির টেনশন দুটো মাথায় নিয়ে তাদের বের হতে হচ্ছে। নিরাপদ সড়ক রাস্তায় জ্যাম এগুলো চিন্তা করতে হয় প্রতিদিন বাচ্চাকে নিয়ে রাস্তায় বের হলো। জীবনে যুদ্ধ থাকবেই আর সেই যুদ্ধ মোকাবেলা করেই আমাদের চলতে হয়।


আজ যাচ্ছি অন্য কোনদিন আবারো নতুন কোন ব্লগ নিয়ে হাজির হব সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

আমার পরিচয়


আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।

🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩


52k6mffrchQiPN8u5z9et95fDcRPf8mY1N8P6cRJ6N83qXFEpgdUaNKVv7fK3MALYbGqfEEJ5iejbWV2KBtcipixseYSR4N6pwfBz5JdEh...RwjXZs2AhfZP1wEZcoDrzpDaQnoZuwD3yhDhwrgiA38oSzynVm46d52QPh9qv9KgubKJ56bBVSVWCaFNrYPRRwxG7aqtYTgRMM59BCabmTRfnqir1rJ198hdH.webp

Messenger_creation_C0CFA08A-1A71-4C46-A406-1B2E6C0518BD.png

Messenger_creation_D04E6D07-EB13-429B-90AA-415E8FBB298A.png

Messenger_creation_EBBFAD6C-E031-4A75-98E8-ACEAD8EFF41F.png