অর বরই ভর্তা রেসিপি ১০%লাজুক খ্যাঁকের জন্য//
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলেই ভালো আছেন।

আমি কয়েকদিন যাবৎ অনেক ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটাচ্ছিলাম তাই আপনাদের সাথে সময় দিতে ও নতুন কোন পোস্ট করতে পারিনি। তাই আজ আমি একটি নতুন পোষ্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম আশা করি আপনাদের সকলের কাছেই ভালো লাগবে এই অর বরই ভর্তা রেসিপিটা। এই বরই গুলো অনেক টক এগুলো ভর্তা করে খেলে অনেক মজা লাগে।আমার কাছে এই বরই ভর্তাটা খেতে খুব ভালো লাগে।আশা করছি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে। অল্প সময়ের মধ্যেই কি করে অর বরই ভর্তা রেসিপি তৈরি করতে হয় সেটা আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। এবার তাহলে ভর্তা বানাতে যাওয়া যাক।
উপকরণ গুলোঃ
১/অর বরই।
২/বিট লবণ।
৩/শুকনো লংকা গুড়ো।
ধাপঃ১

প্রথমে আমি একটি বাটিতে বরইগুলোকে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নেব।
ধাপঃ২

এবার আমি শিল নোরায় বড়ই গুলো হাল্কা ছেঁচে নিবো।

এবার সেগুলোতে পরিমাণ মতো বিট লবণ দিয়ে দিলাম। আর শুকনো মরিচ গুঁড়ো দিলাম পরিমাণমতো।

এবার আমি বরইগুলা ভালো করে মিশিয়ে নিবো। এভাবে তৈরি হয়ে গেলে আমার অল্প সময়ের মধ্যে অর বরই ভর্তা। এটা কিন্তু অনেক মজার একটা ভর্তা রেসিপি। আশা করি আপনাদের সকলের কাছে আমার এই রেসিপিটা ভালো লাগবে। আমার কাছ থেকে নতুন কিছু পাওয়ার জন্য অপেক্ষা কামনা করছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
অর বরই ভর্তা রেসিপি খুবই লোভনীয় হয়েছে। বিট লবণ দিয়ে কোন কিছু ভর্তা করলে খেতে আরো বেশি ভালো লাগে। আপনি সুন্দরভাবে আপনার এই রেসিপি উপস্থাপন করেছেন। তবে অর বরই এই জিনিসটা আমি চিনলাম না। আপু আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
অর বরই ভর্তা রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু দেখে তো জিভে জল চলে এলো। এই অড়বড়ই আমি ছোট বেলায় হাতে গোনা কয়েক বার খেয়েছি আমার মামার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে। সেই ছোটবেলায় এই অর বড়ই খেয়েছি তারপরে আজ অব্দি আর খাওয়া হয়নি। কেননা আমাদের এদিকে এই বরইটিকে কেউ চেনে না। নাম বললেও অনেকে বলে এটা আবার কোন বড়ই। তবে বড়ইটি খেতে আমার কাছে অনেক অনেক সুস্বাদু মনে হয়েছে। আজ অনেকদিন পর আপনার পোস্টে দেখতে পেয়ে আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। আপনার সুন্দর উপস্থাপনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাই মন্তব্য করার জন্য।
আপু এই অর বরই আমার কাছে খুবই ভালো লাগে খেতে। তবে খুব একটা পাওয়া যায় না শহরে হঠাৎ হঠাৎ চোখে পড়ে আর যখনই চোখে পড়ে তখনই কিনে নেই। আপনি আজকে খুবই চমৎকার ভাবে অর বরই ভর্তা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার জন্য শুভকামনা অবিরাম।
আপু,এই ফলটি অনেক অনেক বছর পরে দেখেছি আমার মনে হয় 4-5 বছর হবে এই ফলটি দেখিনা। অর বরই দিয়ে এতো সুস্বাদু ভর্তা তৈরি করা যায় সেটি কিন্তু আমি জানতাম না।আপনার এই রেসিপিটি দেখে আমার জিভে জল এসে যাচ্ছে আর এমনিতেও টক জিনিস দেখলে খুব খেতে ইচ্ছে করে।আপু, অরবরই ভর্তা রেসিপি তৈরি করার প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন।ধন্যবাদ আপু,শুভকামনা রইল আপনার জন্য।।
অর বড়াই এর ভতা। আপনার দ্বারাই প্রথম দেখলাম অর বড়াই ভর্তা রেসিপি। আগে কখনও খাইনি।অনেক সুস্বাদু হয়েছে মনে হয়। আপনার এই রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
ছোটবেলায় অডরবড়ই খুব বেশি খেতাম।স্কুলে যাওয়ার সময় বান্ধবীরা মিলে লবণ মরিচ দিয়ে অড়বড়ই খেতাম।আজ আপনার অর বরই ভর্তা রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এলো। আপনি খুব সুন্দর ভাবে দেখিয়েছেন অর বরই ভর্তা রেসিপি।ধন্যবাদ
আপু আপনার তৈরি অর বরই ভর্তা রেসিপি দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারছিনা। বরই ভর্তা রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এলো। এই অর বড়ই এক সময় আমি খেয়েছিলাম। কিন্তু এখন আর গাছটি না থাকায় আর খেতে পারি না। আপনার অর বড়ই দেখে আমার পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ আপনাকে আপু। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
এই রেসিপি দেখে সবারই জিভে জল চলে আসবে 😛
আপু একা একা খাওয়াটা ঠিক হয়নি😔। যাক আসলেই আপু খেতে খুবই ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপু সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য
বিট লবণের স্বাধে অর বরই ভর্তার কালার দেখে মনে হচ্ছে খুবই লোভনীয়। এমন একটা ইউনিক পোষ্ট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এই সময়ে বড়ই কোথায় পেলেন আপু। এবং এই অর বড়ই টা কী। এটা কী অন্য জাতের কোনো বড়ই? এই প্রথম নাম শুনলাম এবং আগে দেখেছি বলেও মনে হচ্ছে না। সিজেনে নরমাল বরই ভর্তা অনেক মজা হয়ে থাকে। আশাকরি আপনার এই বড়ই ভর্তা টাও অনেক মজা হয়েছে। যাইহোক ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে রেসিপি টা শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।