Celebrating the Power Of Togetherness || EEE Reunion, 2026
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো ও সুস্থ্য আছেন। তো সুস্থ্য থাকাটাই গুুরুত্বপূর্ণ। দেখতে দেখতে ক্যালেন্ডারের পাতায় পরিবর্তন। আরেকটি বছর চলে আসল। আসলে সময় কখন চলে যায় টের পাওয়া যাচ্ছে। আমরা পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নতুনকে নিয়েই সামনে এগিয়ে যায়! প্রতিটা বছরই একেকটা লাইফ লেসন আমাদের দিয়ে যায়। বছরের ৩৬৫ টা দিন কেউ ভালোভাবে কাজে লাগায় কেউ আবার হেলায় হেলায় সময় নষ্ট করে ফেলে। সময় হলো তরবারির মতো। আপনি যদি সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার না করেন তাহলে সময় আপনাকে তরবারি দিয়ে কেটে ফেলবে। আর আপনি যদি সময়টাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন। তাহলে আপনি ভালো কিছু করতে পারবেন। তো এবারের নতুন বছরের উদযাপনটা একদম ভিন্ন আঙ্গিকে ছিল। আতশবাজি ফুটানো আগে থেকেই নিষেধ ছিল। কারণ অনেকের ক্ষতি হয়। বিশেষ করে পাখি, পশুদের! এমনকি ছোট শিশুদের।
গতবছর আমরা দেখেছিলাম ফানুসের আঙুনে বেশকিছু বাড়িঘর পুড়ে যেতে। এসবের কারণেই এবার কিছুটা দূরে থাকা হয়েছে আমাদের। তবে এবারের বছরটা আমাদের জন্য স্পে
শাল ছিল কারণ দীর্ঘ ৪৫ বছর পর আমাদের ইইই ডিপার্টমেন্ট এর রিইউনিয়ন আয়োজন করেছিল গত ৩রা জানুয়ারী। তার বছরের শুরুর দিন থেকেই আমাদের অনেক কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। যেহেতু রিইউনিয়ন টা অনেক বছর পরে হচ্ছে, সিনিয়র ভাইয়েরা আসবে পুরনো ক্যাম্পাসে স্মৃতিচারণ করতে তারই ধারাবাহিকতায় আমরা চেষ্টা করেছিলাম ক্যাম্পাসটাকে সাজাতে। তো গত ৩১ শে ডিসেম্বর থেকেই ডেকোরেশন আর আলপনার কাজ শুরু হয়েছিল। আলপনার কাজে বেশ লোকের প্রয়োজন। এজন্য আমরাই মূলত একাজগুলো করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। আমাদের সিনিয়র ভাইয়েরা এসে যেন ক্যাম্পাসটাকে মনোরম পরিবেশ দেখতে পারে। আমাদের ডুয়েট ক্যাম্পাস অনেক শান্ত বলা যায়। এদিকে তেমন কোলাহলও নেই!
জীবনে প্রথমবার আলপনা করছিলাম। বেশ ইন্টারেস্টিং লাগছিল আসলে কাজটা। বেশ কিছু সহপাঠী চক দিয়ে ডিজাইন করে দিয়েছিল। আর আমরা রঙ দিয়ে সেটার উপর ডিজাইন করলাম। গত কয়েকদিন ধরে রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছিল। যেহেতু আমাদের ডুয়েট ক্যাম্পাসের মেইন গেইট থেকে নতুন একাডেমিক বিল্ডিং পর্যন্ত রাস্তা পুরোটা রঙ করতে হবে এজন্য একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল! প্রথম দুদিন বেশি কাজ করা যায় নি। তবে ২রা জানুয়ারী সবাই মিলে পুরোদমে কাজ শুরু করার প্লেন করা হয়! যেহেতু পরেরদিনই অনুষ্ঠান ছিল। আমাদের আয়োজনকে কেন্দ্র করে সবার মাঝে একটা উৎসবমুখর পরিবেশ কাজ করছিল। যেহেতু আমাদের ডুয়েট ক্যাম্পাসে ইইই ( তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল) বিভাগ অন্যতম। তারজন্য আলাদা একটা আকর্ষণ ছিল আমাদের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে।
অনুষ্ঠানে টোটাল রেজিস্ট্রেশন করেছিল ১৪৭৪ জনের মতো! সবাই ডুয়েট থেকে পাশ করা স্টুডেন্ট। অনেকেই হয়তো পাশ করার পর তাদের প্রিয় ক্যাম্পাসটাকে দেখতে আসতে পারেনি। তাদের জন্য এটা ছিল একটা সুবর্ণ সুযোগ। আমরা বর্তমান শিক্ষার্থীরাও বেশ আনন্দিত ছিল এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। অনেক সিনিয়র ভাইয়েরা আসবে, তাদের সাথে মত বিনিময় হবে। তারা কিভাবে কাজ করছে সেসব অভিজ্ঞতা জানতে পারবো। আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর জন্য একটা এলামনাই দরকার ছিল। যেন ডুয়েটিয়ান রা চাকরি থেকে শুরু করে রিসার্চ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকতে পারে!
| Device | Oppo A12 |
|---|---|
| Location | DUET,Gazipur |
চলবে,,,,
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। বর্তমানে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর বিএসসি করছি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয় (ডুয়েট) থেকে । পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত চার বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,কবিতা লেখা,গল্প লেখা ,রিভিউ,ডাই এবং আর্ট করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।







