🌼নাটক রিভিউ || ফোর টুয়েন্টি || ০১ তম পর্ব🌼
আজ - মঙ্গলবার
হাই! বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হলাম ফোর টুয়েন্টি নাটকের ৩৪ তম পর্বের মধ্য থেকে ০১ তম পর্ব রিভিউ করে শেয়ার করার জন্য। আশা করি আমার এই রিভিউ পোস্ট আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
নাম | ফোর টুয়েন্টি |
---|---|
রচনা ও পরিচালনা | মুস্তাফা সরয়ার ফারুকী |
অভিনয়ে | লুৎফর রহমান জর্জ,মোশাররফ করিম,নুসরাত ইমরোজ তিশা,সোহেল খান,মারজুক রাসেল |
দেশ | বাংলাদেশ |
ভাষা | আঞ্চলিক বাংলা |
ধরণ | কমেডি,ড্রামা |
পর্বের সংখ্যা | ৩৪ |
রিভিউ | ০১ তম পর্ব |
দৈর্ঘ্য | ২০ মিনিট |
প্ল্যাটফর্ম | ইউটিউব @ChanneliClassictv চ্যানেল |
চরিত্রেঃ
- মোশাররফ করিম
- লুৎফর রহমান জর্জ,
- সোহেল খান
- নুসরাত ইমরোজ তিশা
- মারজুক রাসেল
এখানে গ্রামের মাতব্বররা মন্টু এবং কেসলুর নামে শালিশ করছে। মোশারফ করিমের যে অভিনয় করছে তার নাম হচ্ছে মন্টু। আর তার বন্ধু আছে তার নাম হচ্ছে কেসলু। তারা সব সময় অন্যের জিনিস চুরি করে বেড়ায়। মানুষের গাছের কাঁঠাল,আম,জাম এমনকি গরু ও চুরি করে বেড়ায়। তাদের নামে অনেকবার সালিশ করেছে গ্রামের লোকজন। কিন্তু এবার শেষবারের মতো তাদের নামে সালিশ করছে। আর তারা দুজন বলে এবারের মত মাফ করে দেন।
তারপর শালিশ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তারা আবার চুরি করতে যায়। মন্টু এবং কেসলু কাঁঠাল চুরি করতে যাই। তারপর একজন লোক আসছে। লোকটি সবাইকে প্রাইভেট পড়িয়ে বেড়ায়। সে মন্টু ও কেসলুকে জিজ্ঞেস করে তোমরা আবার চুরি করা শুরু করেছো। তারপর কেসলো মন্টুকে একটি হিসাব করতে বলেন। বলে যে তুমি ৩০ দিনের কয় দিন প্রাইভেট পড়াও এবং কত টাকা ইনকাম করো। আর আমরা একদিনে তার থেকেও বেশি ইনকাম করি।
তারপর তারা দুজন বসেছিল। আর মসজিদের হুজুর এসে জিজ্ঞেস করে তোমরা এখানে বসে আবার কি ফন্দি তৈরি করছ। ওরা বলে আমরা কিছু করি নাই। তারপর হুজুর বলে আযান দিয়েছে আস নামাজ পড়তে হবে। তারপর মন্টু এবং কেসলু হুজুরের সাথে নদীতে অজু করতে যায়। মন্টু এবং কেসলু অজু করতে পারছিল না অন্যদের দেখে কোনমতে ওযু করে মসজিদে গেল। তারা নামাজ শেষ করে রাতে মসজিদে ছিল।
তারপর মন্টু এবং কেসল ভোরবেলা মসজিদের দানবক্স চুরি করে। তারা দুজন দানবক্স চুরি করে। আর তারা দুজন ট্রেনে করে ঢাকা চলে যাই।
ঢাকা যাবার পর দেখে কিছু লোক আলোচনা করছে। আর কি নিয়ে আলোচনা করছে সেটা দেখতে মন্টু এবং কেসলু গেল। তারপর তারা শুনে মিছিল বের হবে। তারাও মিছিলে যোগ দেয়।
তারপর মিছিল শেষে ৩০ টাকা দেয়। আর মন্টু বলেন ওদের ৫০ টাকা দিয়েছেন কিন্তু আমাদের ৩০ টাকা কেন দিলেন। অন্য দিকে লোকটি বলেন তোরা কি জানোস না যারা মিছিলের সামনে থাকে তাদের বেশি টাকা দিতে হয়।তোরা পেছনে ছিলি তাই তোদের ৩০ টাকা দিয়েছি। এরপর থেকে তোরা সামনে থাকবি তাহলে বেশি টাকা দিব। এটা শোনার পর মন্টু এবং কেসলু চলে যায়
তারপর রাত হয়ে গেল। রাতের বেলা তারা কোথায় থাকবে থাকার তো কোন জায়গা নেই। এজন্য তারা দুজন রাস্তার পাশে বসে ছিল। কোনমতে তারা রাতটা রাস্তার পাশে পার করে দিল।
তারপর সকাল হতে না হতেই তারা দুজন বাড়ি ভাড়া নেওয়ার খোজে বের হয়। তারপর একটি বাসায় গিয়ে একটি বাসা ঠিক করেন লোকটিও দিতে চায় না। কিন্তু সে একজনকে ভাড়া দিবে দুজনকে থাকতে দিবে না। মন্টু এবং কেসলু অনেকবার জোর করল তারপরেও দিল না। পরে তারা চলে আসার সময় একটি লোক বলে আমি আপনাদের বাসায় থাকতে দিব। তিনি ছিলেন ভাড়াটিয়া। বলেন যে তোমাদের দুজনকেই আমি থাকতে দিব কিন্তু কিছু শর্ত আছে। মন্টু বলে কি শর্ত বলেন তিনি বলল ৮০০ টাকা ভাড়া দিতে হবে এবং রাতে এগারো টার পর বাসায় আসতে হবে এবং সকাল ভোরবেলা বাসা থেকে বের হয়ে যেতে হবে। এ সমস্ত শর্তগুলা রাখতে পারলে ভাড়া দিতে রাজি আছি। তারপর মন্টু ও কেসলু ভেবে চিন্তে বলল আমরা রাজি আছি।
এই নাটকের প্রথম পর্বে লক্ষ্য করা যায়। মন্টু এবং কেসলু সবসময়ই অন্যের জিনিস চুরি করে বেড়ায়। অনেকদিন যাবত শলিশ করার পর। আবারো শেষবারের মতো শালিশ করে।পরে তারা সবার কাছে মাফ চাই এবং বলেন আর কখনো এগুলা করবনা। মাফ পাওয়ার পরও তারা সব সময় চুরি করে বেড়ায়। তারপর তারা দুজন একদিন মসজিদে রাতে থাকতে দিয়েছিল হুজুর। কিন্তু তারা সকালবেলা মসজিদের দান বক্স চুরি করে ঢাকা চলে যায়। অন্যান্য নাটকের তুলনায় আমার কাছে এই নাটকটা অনেক বেশি ভালো লেগেছে। এমনিতেই আমি মোশারফ করিমের নাটক অনেক পছন্দ করি। অন্য নাট্যকার যারা আছেন তাদের নাটক ভাল করতে হলে অবশ্যই এই নাটকটা দেখা উচিত। তাদের প্রত্যেকের অভিনয় অনেক সুন্দর হয়েছে।
ফারুকি সাহেবের এই পলিটিকাল থ্রিলার ৪২০ নাটক টা এখন নতুন করে সারা ফেলেছে৷ খুবই চমৎকার একটি নাটক। পুরো নাটকে দেখানো হয়েছে একজন দুরনিতিবাজ পলিটিশিয়ানের শেষ পরিনতি কি হতে পারে ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাইয়া মোশারফ করিমের প্রত্যেকটি নাটক অনেক ভালো লাগে আমার কাছে।
আমার প্রিয় একটি ধারাবাহিক নাটক এটি। আজকে আপনার রিভিউ পোস্ট দেখে অনেক ভালো লাগলো। এই নাটকটি আমি একটানা কয়েকদিনের মধ্যেই দেখে শেষ করেছিলাম।নাটকটি অনেক সুন্দর।কাহিনীটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।এছাড়াও অনেক শিক্ষনীয় একটি নাটক।আজকে নাটকের প্রথম পর্রের রিভিউ শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দ্বিতীয় পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
সুন্দর কমেন্ট জন্য করার অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
এই নাটকের সুন্দর একটি ডায়লগ রয়েছে। অল্প পুজিতে বেশি রুজি। আর এই ডায়লগ সোনার মধ্য দিয়ে আমি কিন্তু এ নাটকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিলাম একটা সময়। দীর্ঘদিন পর সে নাটকের প্রথম অংশ দেখার সুযোগ মিল। আশা করব ফোর টুয়েন্টি নাটকের সমস্ত পর্বগুলো আমাদের মাঝে রিভিউ করে দেখাবেন। চমৎকার একটি নাটক এটা।
জি ভাইয়া সমস্ত পর্বগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব।
মোশাররফ করিমের নাটক তেমন এখন আর দেখা হয়না।তবে তার প্রতিটা নাটকের মধ্যে অনেক মজা পাওয়া যায়। এই নাটকের রিভিউ পড়ে খুবই ভালো লাগলো। তবে তারা মসজিদের দান বাক্স চুরি করে এটা শুনে তো খুবই হাসি পেলো।যাইহোক নাটক টি সময় করে দেখে নেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
মোশারফ করিমের নাটক মানেই হাসির। এজন্য আমি সবসময় মোশারফ করিমের নাটক দেখে থাকি।
মোশাররফ করিমের নাটক দেখতে সবসময়ই ভালো লাগে। এই ধরনের পর্ব নাটক গুলো দেখতে আরও বেশি ভালো লাগে। মোশাররফ করিমের অভিনয় দুর্দান্ত হয়। আপনি খুব সুন্দর একটি নাটক রিভিউ দিয়েছেন। এই নাটক এখনও দেখা হয়নি তবে সময় পেলে অবশ্যই দেখবো। ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি নাটক রিভিউ দেওয়ার জন্য।
জি আপু সময় পেলে নাটকটি দেখিয়ে নিয়েন।অনেক মজার একটি নাটক।