নাটক রিভিউ :- ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। ( পর্ব ৩৬ )
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করব। কিছুদিন ধরে আমি " ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ " এই নাটকটি দেখছিলাম । এই নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সামনে এই নাটকের ৩৬ পর্ব শেয়ার করবো। আশা করি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। |
|---|---|
| পরিচালনা | ঈগল টিম |
| প্রযোজনা | কচি আহমেদ |
| অভিনয়ে | আফজাল সুজন , নুসরাত জাহান অন্তরা , আনোয়ারুল আলম সজল, ইফতেখার ইফতি,স্পর্শিয়া মিম, শেলী আহসান, জাহাঙ্গীর কবির,মোসাদ্দেক শাহীন, লিপু মামা, তুহিন চৌধুরি, সবুজ আহমেদ, রাবিনা, জারা নুর, সুবহা, সাগরিকা ইসলাম মিনহা, সুমন পাটোয়ারী, রেজবিনা মৌসুমী, আকলিমা লিজা, আরো অনেকে। |
| রচনা ও চিত্রনাট্য | সোলায়মান |
| চিত্রগ্রহণ | জহির রায়হান |
| সম্পাদনা | এসে এ সুমন |
| আবহ সংগীত | অংকুর মাহমুদ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই পর্বের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই লিমন রাইসাকে বিয়ে করে তার বাসায় নিয়ে এসেছে। আর রাইসা জেনির ননদ এটা শোনার পর তার মা অনেক বেশি রেগে যায় । তিনি রাইসাকে একেবারেই মেনে নেন না। তবে লিমন আর রাইসা দুজনেই তাদের রুমে চলে যায়। এদিকে আবার মিনা এসব কিছু দেখে অনেক বেশি কান্না করতে থাকে। কারণ সে লিমনকে অনেক ভালোবাসতো। মনি এসে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে কিছুই বলে না। আর লিমন তো রাইসাকে নিজের করে পেয়ে অনেক বেশি খুশি। এরপর রেজার বউ আর তার মাকে দেখা যায়।
রেজার মা মনিকে যেরকম অত্যাচার করেছে, রেজার বউকেও ঐরকম অত্যাচার করতে চায়। কিন্তু তার বউ মনির মত ততটা সহজ সরল নয়। এজন্য সে তার শাশুড়ি যা বলে সবকিছুই ফিরিয়ে দেয়। আর নিজের মতো করে থাকে। এরপর দেখা যায় রাইসার জন্য তার মা অনেক বেশি কান্না করছিল। রাশেদ তার মাকে বোঝাচ্ছিল। আর জেনি গিয়েছিল তাকে খুঁজতে। জেনি বাসায় আসার পর রাইসা তাকে কল দিয়ে বলে সে লিমনকে বিয়ে করে ফেলেছে। এসব কিছু শুনে তার মা আরও বেশি কষ্ট পায়। কারণ নীলাঞ্জনা চৌধুরী খুব খারাপ মানুষ।
তাকে ভালোভাবে বাঁচতে দেবে না ওখানে। কিন্তু রাইসা বিয়ে করেছে শুধুমাত্র প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। সকাল বেলায় যখন লিমন আর রাইসা কথা বলছিল, তখন মিনা এসে তাদেরকে নাস্তা দিয়ে যায়। কিন্তু আগের মতো সে হাসি খুশি থাকে না। লিমন ভেবেছে তার মা হয়তো বকা দিয়েছে এজন্য সে এভাবে রয়েছে। তারপরে রেজার বউকে দেখা যায় যখন খাবার খেতে বসেছে, তখন রেজার বড় বোন এসে তার খাবার বেড়ে দিচ্ছিল। আর তার মা আসলে সে ধমক দিয়ে তার মাকে ওখান থেকে চলে যেতে বলে। নীলাঞ্জনা চৌধুরী যখন ছাদে ছিল তখন ওখানে রাইসা যায়।
আর নীলাঞ্জনা চৌধুরী তাকে ওখান থেকে যেতে বললে সে পাল্টা উত্তর দেয়। তারপর ওখান থেকে নীলাঞ্জনা চৌধুরী নিজেই চলে যায়। অন্যদিকে আবার ডাক্তার যখন রেজার বোনকে ডাকতে আসে, তখন সে দেখতে পায় ওখানে তার মা রয়েছে। আর সে গিয়েছে রেজার ঘর গোছাতে। তখনই ওখানে সে রেজার বউয়ের মোবাইল দেখে ভিডিওটা কাটতে যায়। এদিকে লিমন যখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে কফি খাচ্ছিল, তখন মিনা এসে তার মোবাইল দিয়ে দেয়। কিন্তু লিমনের সাথে সে কোনো কিছুই শেয়ার করে না । তারপর জেনিকে দেখা যায় তার বাবার বাড়িতে গিয়েছে রাইজাকে নিয়ে আসার জন্য।
আর এটা জেনে রাশেদ নিজেও বের হয়ে যায় জেনিকে নিয়ে আসার জন্য। তার পিছে পিছে দারোয়ানও যায় যে তাদেরকে থাকার জায়গা দিয়েছে। এদিকে জেনি যাওয়ার পর রাইসা তাকে পাঠিয়ে দেয়। আর তার মা তাকে অনেক ধরনের কথা শোনায়। তারপর আমরা দেখতে পাই, রাশেদ আবারও এক্সিডেন্ট হয়েছে। তখন ওখানে দারোয়ান ছেলেটাও আসে। তারপর জেনি আসে। জেনি তো অনেক বেশি কান্না করতে থাকে এরকম পরিস্থিতি দেখে। তখন এই পর্ব টা শেষ হয়ে যায়। এখন দেখা যাক পরবর্তীতে কি হতে চলেছে।
ব্যক্তিগত মতামত
নাটকের এই পর্বটাও অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে প্রতিটা পর্বের মতো। আমার কাছে তো অনেক বেশি ভালো লাগে এই নাটকটা দেখতে। আজকের এই পর্বে আমরা দেখতে পাই, লিমন আর রাইসা বিয়ে করে ফেলেছে। কিন্তু লিমনের মা তাদেরকে মেনে নেয় নি। আর তাদের বিয়ের কথা শুনে রাইসার পরিবার অনেক বেশি চিন্তায় রয়েছে। কেননা নীলাঞ্জনা চৌধুরী অনেক খারাপ একজন মানুষ। তিনি রাইসাকে কখনোই শান্তি দেবে না। এদিকে আবার রেজার বউ তার ননদ এবং শাশুড়ির সাথে বেশ ভালই গেম খেলছে। তাদেরকে নিজের আঙ্গুলে নাচানোর চেষ্টা করছে। এই নাটকের একেবারে শেষ পর্যায়ে দেখা যায় রাশেদ আবার এক্সিডেন্ট করেছে। এখন দেখা যাক রাশেদ মারা যায় নাকি বেঁচে থাকে। আমি খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্বের রিভিউ সবার মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করবো। আশা করি আপনাদের সবার কাছে দেখতে ভালো লাগবে।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।









https://x.com/TASonya5/status/1993912702704681274?t=Rlxw-ZUWpFwKwDqkK70BTg&s=19
https://x.com/TASonya5/status/1993913221250736303?t=qu_bYR80BC6IxhvNbMIN4w&s=19
🎉 Congratulations!
Your post has been upvoted by the SteemX Team! 🚀
SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem community.
🔗 Visit us: www.steemx.org
✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5