ঈদের দিনের মুহূর্ত!
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি আপনারা সবাই অনেক ভালো ও সুস্থ্য আছেন। তো সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা। যদিও ঈদ চলে গেল। কিভাবে কিভাবে যেন সময়টা চলে গেল! মুসলমানদের বছরে দুটি ঈদ উদযাপিত হয়। রমজানের পরে ঈদটা আমার কাছে অন্যরকম একটা ভালো লাগা কাজ করে। কারণ দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পরে আসে ঈদ-উল-ফিতর। আর এই ঈদ ছোটবেলা থেকেই আমরা বলে আসছি ছোট ঈদ হিসেবে। এই ঈদেই সবচেয়ে মজা হয়। শহরের মানুষগুলো পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে চলে আসে! তো যাইহোক, এবারের ঈদে নরমালভাবেই কেটেছে!
ঈদের দিনের সকাল থেকেই আকাশের অবস্থা ভালো ছিল না! মেঘাচ্ছন্ন ছিল। দ্বিধায় ছিলাম মসজিদে গিয়ে ঈদের নামাজ তাহলে আদায় করতে হবে। তো রোজা ঈদের জামাত সাধারণত সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত হয়! ঈদের আগের রাতে ঘুমাতে ঘুমাতে দেরি হয়ে যায়! এজন্য ঈদের দিনে সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায়! ঘুম থেকে উঠে দেখি সকাল আটটা বেজে গেছে। গোসল করে পাঞ্জাবী পরে রেডি হতে হতে নয়টার উপরে বেজে যাবে! এবারের ঈদে আমার ভাগ্নীরা এসেছে বাড়িতে! আমার ভাগ্নী সকাল থেকেই এক্সাইটেড ছিল কখন নতুন জামা পরে আমার সাথে ঈদের মাঠে। সকাল সকাল আকাশের অবস্থাও ভালো ছিল না। চারদিকে বাতাস ছিল অনেক।
ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার মা ঈদের রান্না শুরু করে দিয়েছে। সকাল সকাল সেমাই নুডলস, পিঠা ভাজা শেষ! নামাজের আগে পিঠা আর সেমাই খেয়ে যেতে হবে। আমি গোসল করে রেডি হতে হতে সাড়ে নয়টা বেজে যায়। ঈদের জামাত যেহেতু সকাল দশটায় তাই রেডি হয়ে গেলাম। আমার ভাগ্নীও নতুন জামা পরে রেডি। সেমাই, পিঠা খেয়ে মাঠের দিকে গেলাম। তার আগে অবশ্য আমার বোন ও মা আমাকে সালামি দেয়! যতই বড় হচ্ছি ততই মনে হচ্ছে অন্যকে খুশি করতে পারলেই ভালো। ছোটদেরও কিছু টাকা সালামি দিলাম। আমার ভাগ্নীকেও সালামি দিলাম। তারপর আমাদের প্রধান ঈদগাহ মাঠে চলে গেলাম!
মাঠে গিয়ে দেখি নামাজ প্রায় শুরু হওয়ার মতো। তাড়াতাড়ি জায়নামাজ নিয়ে দাড়িয়ে পরলাম! আর তখনই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। তবে আমি আগেই ধরে নিয়েছিলাম যে বৃষ্টি হতে পারে। আমি নামাজে দাড়ানোর সময় আমার ভাগ্নী আমার মাথার উপর ছাতা ধরে! নামাজ শেষ হতে হতে দেখি বৃষ্টিও শেষ! তারপর বন্ধুদের সাথে ঈদের কুশল বিনিময় করলাম। আসার পথে ভাগ্নীকে কিছু জিনিস কিনে দিয়েছিলাম!
| Device | IQ Z9s Pro |
|---|---|
| Location | Nandail, Mymensingh |
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। বর্তমানে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর বিএসসি করছি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয় (ডুয়েট) থেকে । পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত চার বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,কবিতা লেখা,গল্প লেখা ,রিভিউ,ডাই এবং আর্ট করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।







