জেনারেল রাইটিং - উত্তপ্ত আবহাওয়া, দূষিত পরিবেশ, বিপর্যস্ত জীবন।
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসি, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করব। যার ভুল বিষয়বস্তু হচ্ছে, তীব্র গরমের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে গেছে।

চলছে আর রমজান মাস। আমাদের মুসলমানদের জন্য অন্যতম পবিত্র এবং ধর্মীয় কাজে মনোযোগ দেয়ার একটি মাস হচ্ছে রমজান। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও অন্যতম একটি প্রধান ফরজ কাজ হিসেবে এই মাসে আমরা একমাস রোজা রাখি। মাত্রই শীত শেষ হয়ে বসন্তের শুরু হয়েছে। যার কারনে প্রকৃতিতে এখনো শীতের একটি আমেজ বলবৎ আছে। এজন্য সারাদিন পানি না খেয়ে থাকলেও খুব একটা বেগ পোহাতে হয় না।
কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে অন্য জায়গায়। বসন্ত শুরু হলেও শীতের সেই আদ্রতাহীন ভাবটিও এখন পর্যন্ত প্রকৃতি থেকে বিদায় নেয়নি। আবহাওয়া দেখে মনে হয় না বৃষ্টি হওয়ার আগ পর্যন্ত বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বাড়বে। যার ফলে আদ্রতাহীন পরিবেশ স্বাভাবিকভাবেই দিনের বেলা কিছুটা উত্তপ্ত বোধ করায়। বড় বিষয় হচ্ছে, রোদের তাপ, অর্থাৎ গরম খুব তীব্র না হলেও অনুভূতিটা খুবই ভিন্ন। যেহেতু বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ খুবই কম।
এরকম পরিবেশে সবচেয়ে বেশি যে ক্ষতিটা হয়, সেটি হচ্ছে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। আদ্রতা বজায় থাকলে যে ধূলিকণাগুলো আদ্রতা চুষে নিয়ে মাটিতে জমে থাকতো, সেগুলো এখন আরো শুষ্ক হয়ে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসব ধূলিকণা বাতাসে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাচ্ছে, চলাচলের সময় মানুষের নাকে, মুখে, প্রবেশ করছে। অথবা স্থির অবস্থায়ও প্রবেশ করছে যা আমরা দেখতে পাই না। এতে করে আমাদের শ্বাসনালী এবং শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত রোগের পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছি।
খেয়াল করে দেখবেন, আশেপাশে এই মুহূর্তে প্রচুর পরিমাণে সর্দি, কাশি এবং হাঁচির পরিমান বেড়ে গেছে। এর কারণ যতটুকু না পরিবেশের প্রভাব, অর্থাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন, তার চেয়ে বেশি হচ্ছে বাতাসে এইসব শুষ্ক ধূলি কণার। এগুলো ওড়াউড়ি করে এবং তা শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে আমাদের শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে। তাই এই সময় বৃষ্টি হওয়ার আগ পর্যন্ত মাস্কের কোন বিকল্প নাই। আমাদের সর্ব অবস্থায় মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে। আশা করি সবাই সচেতন এবং সাবধান হবেন।