বাংলাদেশ বনাম ভারত ফুটবল
আমি @riyadx2 বাংলাদেশ থেকে
বুধবার, ১৯ ই নভেম্বর ২০২৫ ইং
বাংলাদেশ ও ভারতের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময়ই বিশেষ আকর্ষণ হয়ে থাকে বাংলাদেশের প্রতিটি ফুটবল প্রেমী মানুষের জন্য। ইতিহাস, প্রতিবেশী সম্পর্ক, গ্যালারির উত্তেজনা সব মিলিয়ে এই লড়াইয়ের আলাদা একটি মাত্রা আছে। কিন্তু এবারের ম্যাচটি শুধু একটি খেলা নয়, ২২ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশের গর্বের এক অবিস্মরণীয় জয়। আমরা এই দিনটির জন্য দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু অবশেষে গতকাল রাতে আমাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়েছিল ।আর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই ফুটবল প্রেমী। আমাদের দেশের যখন খেলা হয়, তখন প্রতিটি মানুষ খেলা দেখার জন্য সকল ধরনের কাজ কে বন্ধ রেখে খেলা দেখার চেষ্টা করেন।
স্টেডিয়ামে সেদিনের পরিবেশ ছিল বিদ্যুতের মতো তীব্র। লাল সবুজ পতাকা হাতে হাজারো সমর্থক একটাই স্বপ্ন দেখছিল আজ কি সেই দিন, যেদিন ইতিহাস ঘুরবে? শুরু থেকেই বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের চোখে ছিল অন্যরকম বিশ্বাস ছিল। আমাদের বাংলাদেশের পুরো একাদশ ছিল অত্যন্ত সাহসী।তারা নিজেদের মনের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। বিশেষ করে আমাদের বাংলাদেশের একজন হামজা চৌধুরী আছেন। তিনি মুলত বাংলাদেশের মৃত ফুটবল একাদশ কে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশের সকল ফুটবল প্রেমী লোক হামজা চৌধুরীর কাছে ঋণী।
ভারত শুরুতে আক্রমণাত্মক ছিল, তবুও তাদের এই আক্রমন বাংলাদেশ রুখে দিয়েছে। খেলার মাঠে বাংলাদেশ দলের পাসিংয়ের ধার ও ছন্দ দেখে দর্শকরাও বিস্মিত বাংলাদেশ যেন নতুন করে জন্ম নেওয়া এক নতুন ফুটবল দল। আর ঠিক সেই ছন্দেই আসে ম্যাচের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত জয়ের গোল। যে মুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম একসাথে চিৎকার করে উঠল, পুরো স্টোডিয়াম জুড়ে শুধু মোরসালিন এবং হামজা চৌধুরীর নাম, কেননা তাদের কারণেই মুলত এই গোলটি হয়েছিল। গোল হওয়ার পর আমাদের দেশের খেলোয়াড় রা বেশ কিছু সময় ধরে সেলিব্রেশন করছিল।
গোলের পর বাংলাদেশ আরও আত্মবিশ্বাসী। ভারতের বেশ কয়েকটি আক্রমণ গেল বেকার, গোলরক্ষক বারবার অসাধারণ সেভ করলেন। খেলার শেষ বাঁশি বাজতেই স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছিল বাংলাদেশ ইতিহাস গড়েছে। খেলোয়াড়দের চোখে পানি, দর্শকদের মুখে হাসি, আর দেশের মানুষের মনে গর্বের ঢেউ সব মিলিয়ে এটি এক আবেগ-ভরা সন্ধ্যা। বিশেষ করে আমাদের বাংলাদেশ জিতে যাওয়ার মুল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে আমাদের দেশের জনপ্রিয় ফুটবলার হামজা চৌধুরী। তিনি মুলত দ্বিতীয় গোল রক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।তার খেলা আমাদের দেশের প্রতিটি ফুটবল প্রেমী একদম মুগ্ধ।
এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয় নয় এটি বাংলাদেশের ফুটবলের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার গল্প। বহু বছর ধরে সমালোচনা, হতাশা, পিছিয়ে পড়ার পর যে দলটি আবার দেখালো তারা পারবে এটি তাদের পুনর্জন্মের মুহূর্ত। এই জয় ভবিষ্যতের পথ আরও উজ্জ্বল করে। অনুপ্রেরণা দেবে নতুন প্রজন্মকে, বিশ্বাস জোগাবে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের। তবে, আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত খুবই সুন্দর খেলছেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। আশা করছি তারা ভবিষ্যতে আরো ভালো খেলবেন।সব সময় বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা রইল। এগিয়ে যাক বাংলাদেশ ফুটবল টিম।
| Device | iPhone 11 |
|---|---|
| Camera | 11+11 MP |
| County | Bangladesh |
| Location | Rangpur, Bangladesh |
Vote@bangla.witness as witness









