জেনারেল রাইটিং : নিপাহ ভাইরাস।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

শীতকাল চলছে। ঢাকায় শীত নেই বললেই চলে। মাঘ মাসে যে কনকনে শীত তার লেশমাত্র নেই।দেশের অন্যান্য অঞ্চল সহ উত্তরের জেলা গুলোতে শীত এখনো বিদ্যমান। শীতে অনেকের প্রিয় খেজুরের রস। শীতের সকালে খেজুরের রসে চুমুক এক অন্য অনুভূতির তৈরি করে। কিন্তু এবার নিপাহ ভাইরাস বাঁধ সেধেছে। খেজুরের রস খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই শীতের বাকি সময় নিরাপদ খেজুরের রস ছাড়া না খাওয়াই ভালো হবে। আমাদের দেশে অনেকেই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। নিপাহ ভাইরাসের হাত থেকে সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে। তাই সবার উচিত নিশ্চিত হয়ে নিরাপদ খেজুরের রস পান করা।

pexels-didsss-6142124.jpg
source

মুলত: বাদুর থেকে নিপাহ ভাইরাস ছড়ায়। নিপাহ ভাইরাস
ছোঁয়াছে। সংক্রমণ শুধু ঝেজুরের রস নয়, ফলমূল থেকে কছড়ায়। বাদুর বা কোন পাখির অর্ধেক খাওয়া ফল না খাওয়া উচিত। আক্রান্ত ব্যক্তি বা পশু পাখির লালা, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। নিপাহ ভাইরাস হলে তীব্র জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ঘুম ঘুম ভাব, আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি, মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও মস্তিষ্কের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন কি আক্রান্ত ব্যক্তি কোমায় চলে যেতে পারে।৳এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক বা টিকা আবিস্কৃত হয়নি।নিপাহ ভাইরাস আক্রান্তের মৃত্যুহার অনেক বেশি, তাই সচেতন ও সাবধান হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

শুরুতেই বলেছি নিপাহ ভাইরাস থেকে বাঁচতে সচেতনতাই একমাত্র সমাধান। খেজুরের রস না খাওয়া, পশুপাখির খাওয়া অর্ধেক ফল না খাওয়া। ফলমূল ভালো ভাবে পরিস্কার করে দ পানিতে ভিজিয়ে রেখে খাওয়া।ব্যক্তিগত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেওয়া। বিশেষ করে হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে খাওয়া দাওয়া করা ও মাস্ক ব্যবহার করা।
মানুষ চিকিৎসা বিদ্যায় অনেক এগিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো অনেক কিছুই অজানা। করোনা কাঁপিয়ে দিয়েছে সারা বিশ্বকে।দীর্ঘদিন ধরে নিপাহ ভাইরাস ভোগাচ্ছে মানুষকে। তবে মানুষেরর অসাধ্য কিছু নয়। অদুর ভবিষ্যতে নিপাহ ভাইরাসকেও জয় করবে মানুষ এই বিশ্বাস আছে। ততদিন পর্যন্ত আমাদের সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে। আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা, আবার দেখা হবে অন্য কোন পোস্টের সাথে।
আনন্দে থাকুন-নিরাপদে থাকুন।

শুভ রাত্রি।
ঢাকা-বাংলাদেশ।

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.