জেনারেল রাইটিং : নিত্য পণ্যের দাম নাগালের বাইরে।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, আশাকরি ভালো আছেন সবাই। ১২ ফেব্রুয়ারি ছিল আমাদের দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের নির্বাচন। যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের অভিনন্দন। নির্বাচন শেষ হলেও তার রেশ এখনো আছে। বিভিন্ন আড্ডায় পছন্দের প্রার্থীর জয় পরাজয় নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আগামীকাল শপথ। এবং বিজয়ী দল আগামীকাল সরকার গঠন করবেন। নতুন সরকারের জন্য শুভ কামনা। যে ভূমিধস বিজয় তারা পেয়েছে, আশাকরি নির্বাচক মন্ডলীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি নির্বাচিতরা রাখবেন।

20251207_120322.jpg

বন্ধুরা, আর দুদিন পরেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র শিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। রমজান মাস শুরু না হতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। এটি আমাদের দেশের একটি বড় সমস্যা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের যে থাবা তা থেকে কোন ভাবেই বের হয়ে আসা যাচ্ছেনা। রমজানে যে জিনিস গুলো সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় মানুষের, সে সব জিনিসপত্রের দাম বাড়তির দিকে। বাজারে বাড়তি দামে জিনিসপত্র কিনতে সবচেয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষেরা। অথচ হওয়ার কথা সিয়াম সাধনার মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণের লাগালে থাকা। কিন্তু হচ্ছে উল্টো।

রোজায় ইফতারে শরবত শরীরের জন্য খুব দরকারি। শরবতের উপকরণের মধ্যে অন্যতম লেবু। সেই লেবুর দাম সাধারণের লাগালের বাইরে চলে গেছে। মাঝারি মানের চারটি লেবু ১০০ শত টাকার নীচে পাওয়া যাচ্ছেনা। সেই সাথে শশা,জলমূল,খেজুর, বেগুন সহ প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। কাচামরিচ ও করলার কেজি ২০০ টাকার উপরে। ভাবা যায়! কি কারণে দাম বেড়েছে উত্তর জানা নেই কারো। জোগানের অভাব সেটাও নেই। তাহলে? আগামীকাল নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। আশাকরি নতুন সরকার এসে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সর্বসাধারণের নাগালের মধ্যে রাখার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা, আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগ নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন -আনন্দে থাকুন।

ঢাকা-বাংলাদেশ।

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.