৬ রানের থ্রিলার জয়!
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটা পোস্ট শেয়ার করে নেবো। গতকাল আইপিএল আরো একটা ম্যাচ ছিল গুজরাট আর রাজস্থানের মধ্যে। এই দুটো টিম ভালো এবং দুটোই নতুন টিম। এদের টিমে ভালো ভালো প্লেয়ার আছে। গত ম্যাচেও ভাল করেছিলো। তবে এই ম্যাচে গুজরাট এর কিছু চেঞ্জ এসেছে অর্থাৎ গিল খেলেনি, সেখানে রশিদ খান ক্যাপ্টেন এর দায়িত্ব পালন করেছে। এটা যদিও সাময়িক সময়ের জন্য। হয়তো বিশেষ কোনো কারণবসত এই ম্যাচে খেলতে পারেনি। তবে রশিদ খান ক্যাপ্টেন এর দায়িত্ব খারাপ করেনা, কারণ আফগান টিমের হয়ে অনেকবার এই দায়িত্ব কিন্তু পালন করেছে। তবে যাইহোক, আইপিএল এর মতো বড়ো ম্যাচে একটা দায়িত্ব পালন করা মানে ভাল অভিজ্ঞতা।
এই ম্যাচটা তাদের উভয় টিমের দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল। আর এই ম্যাচটা হয়েছে আহমেদাবাদের পিচে। এই মাঠ অনেক বড়ো, এতে বাউন্ডারি পাঠাতে গেলে ভালোই চাপ থাকে। এই পিচ আবার অনেকটাই ড্রাই, ফলে এতে রান করার একটা বড়ো সুবিধা রয়েছে। এই পিচে বড়ো রান করা যায় এবং আরো ভালো হয় চেজ করার সময়ে। ২৫০ রান পর্যন্ত চেজ করার রেকর্ড আছে টি২০ ফরম্যাটে। যাইহোক, এই ম্যাচে টস জিতেছিল রাজস্থান আর তারা আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ধরণের পিচে রান তো করা যায়, কিন্তু সমস্যা হলো, আগে ব্যাট করলে সেই রানটা সর্বোচ্চ না করলে জেতার সম্ভাবনা অনেক কম থেকে যায়।
তো এই পর্যায়ে রাজস্থান ব্যাটিং করার জন্য প্রস্তুতি নেয়। রাজস্থানের ওপেন খুবই বিপজ্জনক, কারণ যাইস্বল যেমন ব্যাটিং করে, তার থেকেও বিপজ্জনক ব্যাটিং করে এই বৈভব ছেলেটা। কারণ ওর কোনো স্টেশন নেই, যেকোনো বলে ওভার বাউন্ডারি মারার একটা শখ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাও এটা ভালো যে, নিজের মনের মতো করে ব্যাটিং করে যায় আর ভালোই রান করছে টিমের জন্য। এই ম্যাচে ১৮ বল খেলে ৩১ রানের মোটামুটি একটা ইনিংস খেলে দিয়েছিলো, এটা একদিকে ভালো যে, হয় রান হবে, নাহলে উইকেট যাবে। এদিকে যাইস্বল ভালো একটা রান করে দিয়েছিলো। সবথেকে ভাল শুরু করেছিলো জুড়েল। কারণ বৈভব পড়ে যাওয়ার পরে রান রেট কিছুটা পড়ে গেলেও ১-২ ওভারে সেটা আবার কভার করে দিয়েছিলো।
এছাড়া পরে বাকি যারা এসেছিল, তারা মোটামুটি মেরে আউট হয়েছিলো। তবে প্রথম থেকে মিড ওভার পর্যন্ত যেমন রান রেট ছিল, সেটা শেষের দিকে এসে অনেক ডাউন হয়ে গেছিল। একা জুড়েল একটু ভালো ব্যাটিং করেছিলো বলে ২০০ রান পর্যন্ত উঠেছিলো। তবে গুজরাট এর রশিদ খান বলে মার খেলেও উইকেট নিয়েছিলো ভালোই। শেষে এই কারণে রান ডাউন হয়ে গেছিল। গুজরাট পরে চেজ করতে নামলে একমাত্র সাই সুদর্শন ব্যাটিং করেছে ভালো, আর বাকি সবাই কোনোমতে টুকটাক করতে করতে রান করেছিলো। এই রান চেজ করা কোনো কঠিন ছিল না তাদের জন্য। কিন্তু একা সুদর্শন আর কতটা পারবে। রান প্রায় তাও হয়ে গেছিল, কিন্তু মাত্র ৬ রানের জন্য হারতে হলো।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |





