Better Life with Steem||The Diary Game|| 08 May 2026||
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠে প্রকৃতির মাঝে কিছু সময়ের জন্য ঘোরাঘুরি করি। যাইহোক, প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করার সময় আমাদের বাড়ির পাশের বিভিন্ন
সুন্দর দৃশ্য দেখতে পেলাম। দৃশ্যগুলো আমার খুব ভালো লাগে, তাই কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হলো। সকালবেলায়
প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে আমার খুব ভালো লাগে। তাই সুযোগ পেলেই কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটাই। আজও প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করেছি।
এক ঘণ্টা ঘোরাঘুরি শেষে বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে রুমে বসতেই আমার ওয়াইফ বললো তরকারি রান্না করবে, কিন্তু বাসায় লবণ শেষ হয়ে গেছে। তাই আমাকে লবণ আনতে বললো।
তখন আমি ভাতিজার দোকানে গিয়ে ৪০ টাকা দিয়ে একটি লবণের প্যাকেট কিনি। পাশাপাশি কিছু পটেটো চিপসও কিনে নিয়ে আসি। বাড়িতে এসে সেগুলো ওয়াইফের হাতে তুলে দিই।
এরপর সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত স্কুলের প্রশ্নপত্র নিয়ে কিছু কাজ করি। সকাল ৯টার দিকে সকালের খাবার খাই। খাবার খাওয়ার পর অল্প কিছু সময় বিশ্রাম নিই। বিশ্রাম শেষে কিছু সময় মোবাইল ব্যবহার করি। দেখতে দেখতে সকাল ১০টা বেজে যায়, তখন স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হই।
স্কুলে পৌঁছে সকলকে সালাম দিই এবং নিজের আসনে গিয়ে বসি। এরপর সহকর্মীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প-আড্ডা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। এভাবেই সাড়ে দশটা পর্যন্ত সময় কেটে যায়।
সাড়ে দশটার দিকে দপ্তর ক্লাসের ঘণ্টা দিলে আমরা সবাই নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে চলে যাই। আমিও ক্লাস নিতে শুরু করি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। ফলে ক্লাসের পরিবেশ কিছুটা ব্যাহত হয় এবং সাময়িক বিরতি দিতে হয়।
বিরতির সময় স্কুলের বারান্দায় এসে দেখি অনেক ছাত্রছাত্রী বৃষ্টির দৃশ্য উপভোগ করছে। কেউ বারান্দা দিয়ে হাঁটছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-আড্ডায় মেতে আছে। বৃষ্টির সেই সুন্দর মুহূর্তগুলো দেখে আমি কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।
আজকের বৃষ্টি ছিল বেশ জোরালো। আকাশ এতটাই অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল যে দিনের বেলাতেও সন্ধ্যার মতো মনে হচ্ছিল। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বৃষ্টি হওয়ার কারণে টিফিনের আগ পর্যন্ত চারটি ক্লাসের পরিবর্তে তিনটি ক্লাস নেওয়া হয়। একটি ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি।
টিফিনের সময় হলে আমরা বাড়িতে চলে আসি। বাড়িতে এসে দেখি আমার বোন একটি বিড়ালকে আদর করে মুড়ি ও বিস্কুট খাওয়াচ্ছে। দৃশ্যটি আমার খুব ভালো লাগে। তাই একটি ছবিও তুলে রাখি, যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হলো।
আমি ব্যক্তিগতভাবে বিড়াল খুব পছন্দ করি। আমার বোনও বিড়ালকে অনেক ভালোবাসে। বিড়ালটি আমাদের পোষা না হলেও প্রায়ই আমাদের বাড়িতে আসে। তখন আমরা তাকে মুড়ি, বিস্কুট, মাছ কিংবা মাংস যা থাকে তাই খেতে দিই। প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে আমার সত্যিই ভালো লাগে।
এরপর টিউবওয়েলের পাশে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে রুমে ফিরে আসি। দুপুরের খাবার চাইলে আমাকে খাবার দেওয়া হয় এবং আমি দুপুরের খাবার সম্পন্ন করি। খাবার খাওয়ার পর কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে আবার দুপুর ২টার আগেই স্কুলে চলে যাই।
দুইটার পর আবার ক্লাস শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস চলে। এরপর স্কুল ছুটি হয়ে যায়। তবে আজকে ছুটির পর সরাসরি বাড়িতে না গিয়ে মাস্টার বাজারে চলে যাই। সেখানে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কিছু সময় দাবা খেলে কাটাই।
বন্ধুদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটিয়ে সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফিরে আসি। ফেরার পথে রোকনের দোকান থেকে পাঁচ প্যাকেট মুড়ি কিনে নিয়ে আসি। বাড়িতে এসে ওয়াইফ ও আমার বোনকে দিলে তারা খুব খুশি হয় এবং আনন্দের সঙ্গে খেতে থাকে।
এরপর আমি নিজেও ফ্রেশ হয়ে রুমে চলে আসি। আজ আর বাইরে কোথাও যাইনি। রাত ৮টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটিয়েছি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে আমার সবসময়ই ভালো লাগে।
রাত সাড়ে আটটার দিকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে রাতের খাবার খাই। খাবার শেষে রুমে ফিরে আসার কিছুক্ষণ পর আপু আমাকে ডাক দেয়। আমি সেখানে গেলে তিনি আমাকে এক গ্লাস দুধ দেন। দুধ খাওয়ার আগে একটি ছবিও তুলে রাখি, যা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
দুধ খেয়ে আবার নিজের রুমে ফিরে আসি। কিছু সময় মোবাইল ব্যবহার করি। পাশাপাশি কিছুক্ষণ লুডুও খেলি। এভাবেই রাত ১০টা বেজে যায়। তখন দিনের সব কাজ শেষ করে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
এই ছিল আমার দিনের সম্পূর্ণ কার্যক্রম। আশা করি আমার আজকের ডায়েরি আপনাদের ভালো লাগবে। পোস্টটি পড়ে আপনাদের মতামত অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।







Thank you so much for your support.❤️❤️❤️