Better Life with Steem||The Diary Game|| 20 July 2025||
একটি সুন্দরময় দিন অতিবাহিত করলাম। ২০ জুলাই ২০২৫।
সকালের শুরুটা:
প্রতিদিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে উঠে টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসি। এরপর কিছু সময় রুমে ছিলাম। হঠাৎ আমার মামাতো ভাই এসে ডাক দিল—"চলেন ভাইয়া, আমাদের বাড়িতে যেতে হবে।" আমি তার কথা শুনে সকাল বেলা রাস্তায় বের হয়ে মামাদের বাড়ির পথে রওনা দিলাম।
সকাল বেলার প্রকৃতির দৃশ্যগুলো দেখে মনটা ভালো হয়ে গেল। তাই কিছু সুন্দর ছবি তুলে রাখলাম, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে।প্রকৃতির রূপে আমি নিজেই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
মামাদের বাড়ি যাওয়া ও কাজ:
ছবি তুলে মামাদের বাড়িতে পৌঁছালাম। সেখানে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় কাটালাম। একটা ছোট্ট কাজ ছিল, সেটা শেষ করে আবার বাড়ির পথে রওনা দিলাম।
বাড়ি ফিরে দেখি ঘড়িতে ৮টা বাজতে ২০ মিনিট বাকি। তখন সকালের খাবার খেয়ে নিই। সকালের খাবার হিসেবে ছিল দেশি মুরগির মাংস ও গরম গরম ভাত।
প্রাইভেট ও স্কুলের ক্লাস:
সকালের খাবার শেষ করে চলে যাই স্কুলে। সকাল ৮টা ১০ মিনিট থেকে প্রাইভেট পড়ানো শুরু করি। দুই ব্যাচ প্রাইভেট পড়িয়ে ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় কাটে। এরপর অফিস রুমে যাই এবং ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বসে থাকি।
১০টা ৩০ মিনিটে ক্লাস শুরু হলে ক্লাসে গিয়ে ক্লাস নিই। ৪৫ মিনিট পরে আবার অফিসে ফিরে আসি। দ্বিতীয় ঘণ্টায় ক্লাস ছিল না, তাই অফিসে বসে অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে গল্প করে সময় কাটাই। পরে দ্বিতীয় ঘণ্টার পরে ক্লাসের ঘন্টার বেল দিলে আবার ক্লাসে গিয়ে ক্লাস নিই।এভাবে
দুপুরের খাবার ও বিশেষ অভিজ্ঞতা:
দুপুর ১টা পর্যন্ত চারটা ক্লাস নিই। ১টার সময় টিফিনের সময় হয়। সাধারণত সবাই বাড়ি চলে যায়, কিন্তু আজ হেড স্যার জানালো, টিফিন খেতে বাড়ি যেতে হবে না।
কারণ, স্কুলের কাঁঠাল পেকে গেছে। সেই কাঁঠালটি ভেঙে আমাদের আয়া খালা মুড়ি দিয়ে পরিবেশন করে। তখন আমরা সবাই মিলে কাঁঠালের কোয়ার সঙ্গে মুড়ি খেয়েছি।
খাওয়ার সময় একটা ছবি তুলে রেখেছিলাম, সেটাও আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম। প্রায় ১২ মিনিট কাঁঠাল ও মুড়ি খেয়ে সময় কাটিয়েছি। এরপর দুপুর ২টা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম।
বিকালের ক্লাস ও মজার ঘটনা:
দুপুর ২টার পর আবার ক্লাস শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত ক্লাস নিই। এরপর স্কুল ছুটি হলে সবাই যার যার বাড়িতে চলে যায়। আমিও বাড়ি ফিরছিলাম,
এমন সময় আমার এক ছাত্র কয়েকটি পেয়ারা ও কাঠবাদাম উপহার দেয়। এগুলো আমি শপিং ব্যাগে করে নিয়ে আসি এবং ক্লাসরুমে থাকা অবস্থায় একটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।
বাড়ি ফেরা ও সন্ধ্যার অভিজ্ঞতা:
বাড়ি ফেরার পথে ভাতিজার দোকান থেকে দুই প্যাকেট চানাচুর কিনে নিয়ে আসি। সেগুলো আমার স্ত্রীকে দিই। তিনি সেগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দেন। পরে আমি টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে রুমে ফিরে এসে দেখি, আমার স্ত্রী সেই চানাচুর খাচ্ছেন। আমিও তার সঙ্গে খেতে শুরু করি।
আজ যেহেতু দুপুরে ভালোভাবে খাওয়া হয়েছিল, তাই বিকাল ৫টা পর্যন্ত আর কিছু খাইনি। পরে ৫ টার একটু ক্ষুধা লাগলে ভাত খেতে চাই তখন খাবার দিলে আমি সেই খাবার খেয়ে নিই।
রাতের সময় ও বিশ্রাম:
আজ বিকাল বেলা কোথাও না গিয়ে ঘরে বসে ছাত্রদের পরীক্ষার খাতা দেখেছি। রাত ৮টা পর্যন্ত খাতা দেখা হয়। তারপর পরিবারের সবাই মিলে রাতের খাবার খাই।আজকে ক্লান্তি অনুভব করছিলাম, তাই মোবাইল ব্যবহার না করে দ্রুত বিছানায় চলে যাই এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি।
শেষ কথা:
এই ছিল আমার একটি দিনের কার্যক্রম। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে, অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। ভালো থাকবেন সবাই।আল্লাহ হাফেজ।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | Realme C15 |
| Camera | 8MP camera |
| Location | Bangladesh 🇧🇩 |
| Short by | @hafizur46n |







