Better Life with Steem||The Diary Game|| 21 June 2026||

in Incredible India15 hours ago

প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠেই টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিজেকে ফ্রেশ করি। ফ্রেশ হয়ে এসে কিছুক্ষণ পর সকালের খাবার চাই। তখন আমাকে সকালের খাবার দেওয়া হয় এবং আমি নাস্তা করে নিই।

IMG_20260624_181018.jpg

সকালের খাবার খাওয়ার পর মা-বাবার রুমে গিয়ে দেখি আমাদের পোষা বিড়ালটি খুব সুন্দর করে বিছানার উপর শুয়ে আছে। দৃশ্যটি আমার খুব ভালো লাগে, তাই তার একটি ছবি তুলে রাখি। আমাদের বিড়ালটি খুবই দুষ্ট প্রকৃতির। মাঝে মাঝে তার দুষ্টুমিতে আমরা বিরক্ত হলেও তাকে অনেক ভালোবাসি।

আমরা বিড়ালটিকে মাছ, মাংস, শুঁটকি ও বিস্কুট খেতে দিই। এই বিড়ালটিকে বাবা আমাদের বাড়ির পাশের হাসিনাদের বাড়ি থেকে খুব ছোট অবস্থায় নিয়ে এসেছিলেন। ছোট থাকায় সে ভাত খেতে চাইত না, তাই তাকে রুটি, মাছ, মাংস ও বিস্কুট খাওয়ানো হতো। এখনো আমরা তাকে অনেক আদর করি। মাঝে মাঝে আমার বিছানায় এসে সুন্দর করে শুয়ে থাকে। এসব দেখলে তার প্রতি আরও মায়া জন্মায়।

যাইহোক, বিড়ালের এসব কাণ্ডকারখানা দেখে সময় কাটানোর পর সকাল ১০টার দিকে স্কুলে চলে যাই। স্কুলে গিয়ে অফিসে বসে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সবার সঙ্গে গল্প-আড্ডা দিয়ে সময় কাটাই। এরপর দপ্তর ফরিদ ভাই ক্লাসের ঘণ্টা বাজালে আমরা সবাই নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে গিয়ে ক্লাস নেওয়া শুরু করি।

IMG_20260624_180851.jpg

এভাবেই দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস নিই। এরপর টিফিনের সময় হলে আমরা সবাই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। বাড়ি ফেরার পথে স্কুলের পাশের একটি দোকান থেকে দুটি আলুর সিঙ্গারা ও দুটি সমুচা কিনে বাড়িতে নিয়ে যাই। বাড়িতে গিয়ে মাকে দিলে তিনি খুব খুশি হন।

এরপর আমি ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খাই। খাওয়া শেষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দুপুর ২টার আগেই আবার স্কুলে চলে যাই। স্কুলে গিয়ে ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ক্লাস নিই। ক্লাস শেষে স্কুল ছুটি হলে আমি ও ওহাব স্যার একসঙ্গে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

পথে আসার সময় জানতে পারি যে ওহাব স্যারের ভাগ্নে অসুস্থ। তখন আমরা তাকে দেখতে যাই। সেখানে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা সময় কাটাই। তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম তার কিডনিতে সমস্যা হয়েছে এবং একটি কিডনি পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

আমি তাকে সাহস দিয়ে বললাম, সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় হয়। আল্লাহ চাইলে সবকিছু সহজ হয়ে যেতে পারে। সে জানাল, একজন কিডনি দিতে রাজি হয়েছে, এখন শুধু রক্তের মিল পরীক্ষা করতে হবে। আমি তাদের বললাম, ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী চললে ইনশাআল্লাহ ভালো ফল পাওয়া যাবে। রোগ দেওয়ার মালিক যেমন আল্লাহ, তেমনি সুস্থ করার মালিকও আল্লাহ।

IMG_20260624_180951.jpg

কথাবার্তার এক পর্যায়ে মামুন ভাইয়ের স্ত্রী একটি বাটিতে করে কাটা আম এনে আমাদের সামনে পরিবেশন করেন। আমি ও ওহাব স্যার সেই আম খাই। খাওয়ার আগে একটি ছবিও তুলেছিলাম, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি।

এরপর মামুন ভাইকে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ ও সাহস দিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পরে সেখান থেকে বিদায় নিই। ফেরার পথে মাস্টার বাজারে ছোট ভাই ফরিদের সঙ্গে দেখা হয়। সে আমাকে তার দোকানে যেতে বলে। আমি সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ আলাপ-আলোচনা করি।

আলাপের ফাঁকে আজও আমার প্রেসার মাপি। প্রেসার মেপে দেখি সব স্বাভাবিক রয়েছে,

IMG_20260624_181155.jpg

আলহামদুলিল্লাহ। এরপর ফরিদকে ৪০ টাকা দিয়ে একটি স্পিড ও দুটি লেকচার বিস্কুট আনতে বলি। সে দোকান থেকে নিয়ে এলে আমরা দুজনে মিলে সেগুলো খাই।

IMG_20260624_180909.jpg

খাওয়া-দাওয়ার পর আসরের সময় পর্যন্ত দোকানেই বসে থাকি। আসরের কিছুক্ষণ পর বাড়ি থেকে ফোন আসে। ফোন পেয়ে বাড়িতে ফিরে যাই এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতেই সময় কাটাই।

সন্ধ্যার পর আবার ভাতিজার দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে শুনতে পেলাম রাত চারটায় ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের ফুটবল খেলা রয়েছে। এ নিয়ে সবাই মিলে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করলাম। গল্প-আড্ডা দিতে দিতে রাত প্রায় বারোটা বেজে যায়।

রাত বারোটার দিকে বাড়ি ফিরে আসি। যেহেতু রাত চারটায় ফুটবল খেলা দেখার পরিকল্পনা ছিল, তাই আগে থেকেই অ্যালার্ম দিয়ে রাখি। এরপর ঘুমিয়ে পড়ি।

যাইহোক,এটাই ছিল আমার সেদিনের সারাদিনের কার্যক্রম। আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে আপনার মতামত জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।

Sort:  
Loading...
image.png
Curated By: lirvic
 11 hours ago 

Thank you so much for your support❤️❤️❤️