লক্ষ্মী পূজা - শেষ পর্ব
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। আজকে আমি আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করতে চলেছি লক্ষ্মী পূজার শেষ পর্ব। গতদিন পোস্টে যেখানে শেষ করেছিলাম তার পর থেকেই শুরু করছি।
পুজোর দিন রাতের দিকে আমাকে আবার রেডি হয়ে বেরোতে হয় সাড়ে আটটা নাগাদ। আমি প্রসাদ দিতে বসেছিলাম সন্ধ্যেবেলা থেকে, তারপর আমি উঠে যাওয়ার পর মা দিদি পিসিরা প্রসাদের জায়গাটা সামলায়। আসলে প্রত্যেক বছর লক্ষ্মীপূজোর দিন রাতের বেলায় আমার বাবার বন্ধুর বাড়িতে নিমন্ত্রণ থাকে। শুধু আমার বলা ভুল আমাদের বাড়ির সকলে নিমন্ত্রণ থাকে।
প্রতিবছর যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না বাড়িতে লোকজন থাকে বলে ।তবে এবছর আমাকে যেতেই হতো ।কারণ বাবার বন্ধুর দুই মেয়ে বারে বারে আমাকে ফোন করছিল সকাল থেকে। ওরা আমার থেকে দুজনায় ২-৩ বছরের ছোট বড়। আমরা প্রায় বন্ধুর মতন। ওদের বাড়িতে বেশ বড়সড়ো করে লক্ষ্মীপূজো হয়।
সারা বাড়ি খুব সুন্দরভাবে সাজানো থাকে। এমনকি বাড়ির গেট থেকে শুরু করে রাস্তার চারিদিক আলো দিয়ে ভর্তি করে দেয়।৩০০ /৪০০ জন লোক নিমন্ত্রিত থাকে। ঠাকুরটা আমার বাবার হাতেই তৈরি। আমরা না যেতে পারলেও বাবা প্রত্যেক বছর ওদের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করে।
ওদের বাড়ির নাম লক্ষ্মী বাড়ি, কৃষ্ণনগরে থেকে বেরিয়ে কলকাতা যাওয়ার দিকে যখন মেন রোডে ওঠা হয়, সেই রোড ধরেই যেতে যেতে কালিরহাট দুর্গাপুর বলে একটা জায়গা।। একদম রাস্তার বাদিকে ।মেন রোডের উপরই ওদের বাড়ি।
ওদের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজাটা অনেক পুরনো ।ওরা আসলে স্বর্ণকার। বাড়িতে লক্ষ্মী পূজাটা প্রথম থেকেই হয়ে আসছে অনেক প্রাচীন সময় থেকে। পরবর্তীতে বাবার বন্ধু উত্তম জেঠু বাবার হাতে ঠাকুরটি তৈরি করার গুরু দায়িত্ব দেন। যাতে সারা জীবন প্রতিষ্ঠিত থাকে ।এ কারণে ঠাকুরটি বাবা ফাইবার গ্লাসে বানিয়ে দেয়।। এই ঠাকুরটির মুখ আমার অসাধারণ লাগে। মায়ের মুখের মধ্যে এত স্নিগ্ধতা এবং শান্তি আছে দেখলেই মন জুড়িয়ে যায়।।
তো সেদিনকে রেডি হয়ে সকলের সাথে চলে গিয়েছিলাম নেহা আর পূজাদের বাড়ি।। আমার আগেই বাবা বেরিয়ে গিয়েছিল অন্য গাড়িতে। আমি আবার আমাদের গাড়ি নিয়ে রওনা হয়েছিলাম। যাওয়ার পথে চারিদিকেই লক্ষ্মী পুজো দেখতে পাচ্ছিলাম।
পৌঁছে গিয়ে দেখি ভীষণ সুন্দর করে বাড়িটাকে সাজিয়েছে ওরা। রাস্তার ধারে পুজোর প্যান্ডেলের মতন লাইটও লাগিয়েছে। আর ওরা দুই বোন খুব সুন্দরভাবে শাড়ি পড়ে একদম লক্ষ্মী ঠাকুরের মতন রেডি হয়ে আছে।।
প্রত্যেক বছরের মতো বাড়ি ভর্তি প্রচুর লোক। সকলে ঠাকুর দেখতে এসেছে এবং প্রসাদ খেতে ব্যস্ত। এত লোকজন ছিল যে খাওয়ার জন্য টেবিল ফাঁকা ছিল না।প্রায় ১০ মিনিট জায়গা ফাঁকা হলে খেতে বসলাম।প্রাসাদে ছিল - খিচুড়ি,ছ্যাচড়া,ফ্রায়েডরাইস,আলুরদম,চাটনি,পাপড়,
মিষ্টি।
খাওয়া দাওয়া শেষ হলে কিছুক্ষণ আরও সময় ওখানে সকলের সাথে থেকে তারপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। যেহেতু সকাল থেকে প্রচুর পরিশ্রম গিয়েছে, তাই বেশিক্ষণ ওখানে আর থাকলাম না। আশা করছি আমার আজকের পোস্ট আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে ।।সকলে ভাল থাকবেন ।আজ এখানেই শেষ করছি।









Hello there, you have posted a great quality post and we are happy to support you, stay up with good quality publications
Curated by wirngo
Hi,
I am writing to you because I would like to request support for our witnesses @seven.wit with @vfund, we are currently developers of multiple projects such as:
And currently developing a video platform on Steem called Speak on Steem which brings IPFS uploads, vertical videos with infinite scrolling system like TikTok. And where +1000 video post are created per month.
Your support will help us to continue contributing to Steem!