নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। গত দুদিনের পোস্টে শেয়ার করেছিলাম 31 শে ডিসেম্বর রাতের কিছু মুহূর্ত ।আগের পোস্টে শেয়ার করেছিলাম কাবাব তৈরির মুহূর্তগুলো ।আজকে তারপর থেকে শুরু করছি।।
কিছু কিছু স্পেশাল দিনে বাড়ির সকলে মিলে অথবা কাছের মানুষজনদের সাথে দিনটাকে উদযাপন করতে সত্যিই অনেক ভালো লাগে ।তবে জীবনে চলার পথে মানুষ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকাতে সবসময় সম্ভব হয়ে ওঠে না ।তাই কখনো কখনো সেই স্পেশাল দিনগুলোতেও একা পড়ে থাকতে হয়।
এরকম আমার সাথেও প্রচুর বার হয়েছে যে আমার স্পেশাল দিনগুলোতে আমি সকলকে কাছে পাইনি। কিছু কিছু পরিস্থিতিতে এরকম হলে খুবই মন খারাপ করে। তবে সেদিন বছর শেষ আর একটা নতুন বছর শুরু হওয়ার মুহূর্তটা সবার সাথে যেভাবে কাটলো ,সেটা আমার খুবই ভালো লেগেছে এবং আমি মনে করি আমি ওই মুহূর্তটাতে সত্যিই লাকি ছিলাম যে, আমি পরিবারের সাথে এবং কাছের মানুষদের সাথে সময়টা কাটাতে পেরেছি।
চিকেন কাবাব হয়ে যাওয়ার পর সকলে তো খাওয়া-দাওয়া শেষ করলো। আর এদিকে চলছিল মটন কষা রান্না। মটন কষা সেদিনকে আগুনের আঁচে কাঠের জ্বালে এত সুন্দর ভাবে সিদ্ধ হয়েছিল, যে ধারণার বাইরে । অসাধারণ রান্না হয়েছিল।
আমি খাওয়ার প্রসঙ্গ আগে তুলছি না। আসলে কাবাব যখন ওরা রান্না করছিল, তার একটু পরেই আমার শরীরটা খারাপ করতে শুরু করে। আমি ঘরের মধ্যে এসে শুয়ে ছিলাম। আমার জ্বর চলে এসেছিল। প্রচন্ড শীত করছিল আর মাথা ব্যথা করছিল। কিন্তু কিছু করার ছিল না।
কিন্তু একটা সময় পরে আমি আর সকলের সাথে থাকতে পারলাম না। আমাকে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়তে হল। আমার এরকম অসুস্থ শরীর দেখে আমারই সমবয়সী আমার বাবার বন্ধুর মেয়ে সেও আমার সাথে চলে এলো। তাই ঘরের মধ্যেও আমি একা ছিলাম না ।
তারপরে তো খাবার সময় যখন ডাক পরল। তখন গিয়ে খেতে বসে গিয়েছিলাম ।গরম গরম ভাত আর মটন কষা। শীতের মধ্যে কাঁপতে কাঁপতে খাওয়া দাওয়া করে নিলাম। তারপর আবার গিয়ে নিচে শুয়ে পড়েছিলাম।
ততক্ষণে বারোটা বাজতে যাবে। অর্থাৎ ২০২৬ শুরু হতে চলছে। আমি সাথে সাথে আমার ভালোবাসার মানুষকে ফোন করলাম এবং আমরা একসাথে কাউন্টিং করলাম। বারোটা বাজার সাথে সাথে আমার পার্টনার আমাকে নিউ ইয়ার এর উইশ করলো। এর সাথে আমি ওকে উইশ করলাম। তারপর সোজা চলে গেলাম উপরে সকলকে উইশ করতে।
সকলে তখন খাওয়া দাওয়া করছে আর চারিদিকে বাজিপটকা ফাটছে, চারিদিকে আকাশে আলোয় আলো আর আওয়াজ হচ্ছে। তখন সারা পৃথিবী হয়তো নতুন বছরের খুশিতে মাতোয়ারা। সকলে যে যার মতন করে সেলিব্রেট করার চেষ্টা করছে।
সকলের খাওয়া শেষ হতে হতে তখন বারোটা কুড়ি হয়ে গেছে। নতুন বছর শুরু হয়ে গিয়েছে। খাওয়া হয়ে যাওয়ার পর, নিয়ে আসা নিউ ইয়ার স্পেশাল কেক আমরা সকলে মিলে কাটলাম। খুব মজা হল। এইবারে বছরটা ঠিক এই ভাবেই শুরু হয়েছিল।
আপনাদের সাথে নতুন বছরের শুরুটা শেয়ার করতে পেরে আমারও ভালো লাগলো। নতুন বছর আপনাদের সকলের ভালো কাটুক এই কামনা করি। সকলে ভালো থাকবেন।
|
|---|


