কবিতার প্রাপ্তি - ১ম পর্ব

in Incredible India2 days ago

নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। আজকে আমি আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করতে চলেছি আমার একটি অত্যন্ত আনন্দের মুহূর্ত। গত বছরের মতন এই বছরেও কৃষ্ণনগরে নদিয়া জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ।সেটা হয়েছিল আমার ভাইয়ের স্কুলের মাঠে অর্থাৎ কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের মাঠে।

1000387099.jpg

বেশ কিছুদিন আগেই অর্থাৎ মেলাটা হওয়ার আগেই আমাকে বইমেলার গ্রুপে এড করা হয়েছিল কিন্তু আমি সেভাবে লক্ষ্য করতে পারিনি আমার নিজস্ব ব্যস্ততার কারণে ।খেয়াল না করাতে কবে থেকে বইমেলা শুরু আর কবে থেকে শেষ,তাও আমার দেখা হয়নি।। বইমেলা যেদিন শুরু হয়েছে অর্থাৎ ১২ ই জানুয়ারি, তারপরের দিন অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি সকাল বেলায় আমার হঠাৎ করে খেয়াল আসে বইমেলার কথা। এবং ফোন ঘাটতে ঘাটতে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপে ঢুকি।

1000387159.jpg

আমি টের পাই কবি সম্মেলনে এবারেও আমাকে ডাকা হচ্ছে।। সেদিনকে ১৩ তারিখ ছিল ,১৩ তারিখেই আমার কবিতা পাঠের কথা। আমি তো একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না ।সকালবেলা তখন মোটামুটি বাজে সাড়ে দশটা এরকম, খবর পেয়ে আমার সত্যিই খুব ভালো লাগলো।

বেশ কিছু সময় পরে এক ঘন্টা পর হবে ,হঠাৎ করে অজানা নম্বর থেকে ফোন আসলো, বুঝতে পারলাম বইমেলা কমিটি থেকে ফোন করা হয়েছে এবং আমাকে আরেকবার জানানো হলো আমি যেন দুপুর তিনটে নাগাদ অবশ্যই মেলা প্রাঙ্গণে এসে হাজির হই।

গত বছরে এরকমই একসময় আমাকে ফোন করে বইমেলাতে কবিতা পাঠ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং মেলার মধ্যেই মেলা প্রাঙ্গণে আমাকে স্টেজে স্মারক সহকারে সম্মান দেয়া হয়েছিল। এইগুলো সত্যিই একটা বিশাল বড় পাওনা। নিজের এই আনন্দগুলো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমি কখনোই কবিতাটা কোন কিছু পাওয়ার জন্য লিখি নি। এখনো লিখি না।। এমনকি নিজের কবিতা কাউকে শোনাতে অথবা পড়াতে খুব একটা বেশি পছন্দ করি না।

1000387160.jpg

আমি খুব কম মানুষকে নিজের কবিতা পড়তে দিই। আর নিজে থেকেই কবিতা পড়ে শোনাই তাদেরকেই,যাদেরকে দেখে এবং যাদের সাথে কথাবার্তা বলে মনে হয় তারা আমার এই কবিতাগুলো বুঝবে এবং তাকে মান্যতা সম্মান জানাবে ঠিকঠাক ।তাদের সাথে আমি কবিতার বিষয়ে আলোচনা করি। এরকমই একবার আমাদের কৃষ্ণনগরের একজন বিশিষ্ট লেখকের সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল ।এবং সেই সুবাদে আমি ওনাকে আমার লেখা কবিতা পড়ে শুনিয়েছিলাম ।

সেই বছর থেকেই উনি রীতিমতো আমার ফ্যান। উনি বয়সে আমার থেকে অনেক বড় ।আমার দাদুর বয়সী। আর সত্যি বলতে ওনার মাধ্যমে কৃষ্ণনগরে এই কবিতার গ্রুপে কবিদের মধ্যে আমারও একটা নাম নথিভুক্ত হয়ে গেছে। উনি সবাইকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চান সবসময়। উনি সবসময় বলেন আমি একটু ভিন্ন লিখি। তাই ওনার ভালো লাগে।
বাকি কথা পরের পোস্ট এ শেয়ার করব। আজ এখানেই শেষ করছি। সকলে ভালো থাকবেন।

Sort:  
Loading...