জন্মাষ্টমীতে কাটানো দুপুরের মুহূর্ত

in Incredible India • 13 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG_20260925_193548.jpg

গতকালকের পোস্টে আপনাদের মাঝে জন্মাষ্টমী কেনাকাটার সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করে নিয়েছিলাম। আজকে শেয়ার করব জন্মাষ্টমীতে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত ।আসলে বাঙ্গালীদের যে কোন পুজো মানেই সুন্দরভাবে নিষ্ঠা ভাবে সেটা পালন করা হয়। জন্মাষ্টমী পালন করা হয় রাত বারোটার পরে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই উপোস করে থাকতে না পারার কারণে বেলা বারোটার পরেও অনেকে পুজো করে থাকে। জন্মাষ্টমীর দিন সকালবেলায় বাড়ি থেকে স্নান সেরে চলে গিয়েছিলাম ঈশাদের বাড়িতে। সেখানে বিভিন্ন রকমের পদ রান্নাবান্না করা হবে ।তাই তার হাতে হাতে হেল্প করার জন্য চলে গিয়েছিলাম। আসলে গোপালের জন্য অনেক রকমের পদ রান্না করা হয়েছিল। গোপাল যা যা খেতে ভালোবাসে সবকিছুই দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সমস্ত খাবারের জোগাড় হয়ে যাওয়ার পর ছিল নিজেদের সাজার পালা।

IMG_20260925_193609.jpg

প্রত্যেক বছর ঈশা নিজের হাতে পুজো করে। বাইরে থেকে কোন ঠাকুর মশাই নেয় না। তাই দুপুর বারোটার পর ইচ্ছামত যে কোন সময় পুজো করলেই হল ।এছাড়াও গোপালকে দিনে তিনবার ভোগ দিতেই হয়। সমস্ত কাজকর্ম শেষ করার পর আমরা দুজনেই সাজুগুজু শুরু করেছিলাম। দুজনেরই ইচ্ছে ছিল রাধার সাজবার ।আসলে ওই দিনটাই অনেকেই বিভিন্ন রকম ভাবে রাধা সাজার চেষ্টা করে। তাই দুজনে মিলেই দুজনকে সাজিয়ে দিয়েছিলাম। মেয়েরা সাজতে ঢুকলে অনেকটা সময় লেগে যায়। এদিকে ঈশার মা আমাদের তাড়া দিচ্ছিল। কারণ কাকিমা না খেয়ে ছিল। অতক্ষণ না খেয়ে থাকা অসম্ভব ব্যাপার। কাকিমা এমনিতেই অসুস্থ। তাই আমাদের দুজনেই সাজুগুজু করতে করতে প্রায় দুপুর আড়াইটা বেজে গিয়েছিল।

IMG20260904142033.jpg

এরপর আমরা নিজেরাই শুরু করে দিয়েছিলাম পুজো, প্রথমে ঈশা গোপালটাকে দুধ গঙ্গা জল দিয়ে স্নান করিয়েছিল ।সাথে আমিও একটু স্নান করিয়েছিলাম ।আমারও পূজা করতে ভালোই লাগে। এরপর গোপালের অষ্টতর শতনাম পড়া হয়েছিল ।সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে পুজো করে পূজো সম্পন্ন করা হয়েছিল। পুজো শেষে গোপালকে সারা বাড়ি ঘোরানো হয়েছিল ।এরপর আমাদের ছিল ছবি তোলার পালা। সাজুগুজু করলেই ছবি না তুললে হয়। ঈশা গোপালের জন্য যে ডেকোরেশনটা করেছিল সত্যিই খুবই সুন্দর। সমস্ত কিছু কমপ্লিট হবার পর দুজন মিলে গোপালকে নিয়ে ছাদে চলে গিয়েছিলাম ঘোরানোর জন্য।ছাদে গিয়ে দুজনে প্রচুর ছবি তুলে নিয়েছিলাম। এদিকে কাকিমা নিচে থেকে তাড়া দিচ্ছিল। কারণ অনেকটা বেলা হয়ে গিয়েছে সেই সকাল থেকে না খেয়ে থাকা অসম্ভব ব্যাপার।

নিচে এসে গোপালকে গোপালের জায়গায় রেখে আবারো চেঞ্জ করে প্রসাদ খেয়ে নিয়েছিলাম। কারণ বিকেল বেলায় ছিল আরো এক জায়গায় যাওয়ার প্ল্যান ।জন্মাষ্টমীর দিন অনেক জায়গায় পূজা হয়। সেদিন বিভিন্ন জায়গায় যেতে ভীষণ ভালো লাগে। জন্মাষ্টমীর দিন কাটানো সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিলাম ।সন্ধ্যাবেলার মুহূর্ত পরের পোস্টের শেয়ার করে নেব।


আজ এখানেই শেষ করলাম ।আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...