বাড়ি ফেরার পথে কিছু পাগলামি
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছে আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
আপনাদের মাঝে শেয়ার করব মামা শ্বশুরের বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে ফেরার কিছু কথা।এর মাঝে অনেক কিছুই বাদ পড়ে গেছে তবে সেগুলো অন্য কোন পোস্টে শেয়ার করে নেব। বেশ কিছুদিন ধরে প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ছে। বাড়িতে বসেই দার্জিলিংয়ের অনেক কিছুই অনুভব করছি। বিগত বেশ কিছু বছর পরে এইরকম হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছে। তবে শীতকাল আমার বেশ ভালোই লাগে। শীতকালে এদিক-ওদিক ঘুরতে, একটু ও অসুবিধা হয় না। শীতকালে যে কোন জায়গায় গিয়ে খুব শান্তি। ঠান্ডার জন্য আজকে ও অনেকটা দেরী হয়ে গিয়েছিল ঘুম থেকে উঠতে। গতকালকে অনেকটা জার্নি করেছিলাম তাই আজকে প্রায় সকাল দশটা নাগাদ ঘুম থেকে উঠেছি। এরপর এরপর সকাল সকাল মামি -শাশুড়ির হাতে গরম গরম চা খেয়ে সকালটা শুরু করেছিলাম। যেহেতু প্রচন্ড ঠান্ডা পড়েছে সেই জন্য খানিকক্ষণ পর আবার মামা-শ্বশুর গরম গরম কফি করে দিয়েছিল । শীতের দিনে গরম গরম খাবার খেতে ভালোই লাগে। দুপুরে সমস্ত রান্নাবান্না করে মামি চলে গিয়েছিল স্কুলে ।মামি স্কুলের দিদিমণি। এইসব দিয়ে দিনটা শুরু করার পর দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে।
মামি, স্কুল থেকে বাড়ি আসবার পর রেডি হয়ে নিয়েছিলাম বাড়ি ফিরব বলে ।আমার সাথে আগে থেকেই মামার মেয়ে আসবার কথা ছিল। আমরা বাড়ি থেকে প্ল্যান করে বেরিয়ে ছিলাম কৃষ্ণনগরে ফেরার নাম করে একটু মাসির বাড়িতে দেখা করতে যাব ।মানে মাসি শাশুড়ির বাড়িতে। মামার বাড়ি থেকে মাসি শাশুড়ির বাড়ি আরো খানিকটা যেতে হয়। তাই আমরা বাড়িতে কাউকে কোন কিছু জানায়নি। বাড়ি থেকে টোটো করে এসে খানিকটা রাস্তা এসে আবার একটা অটো ধরে নিয়েছিলাম কিছুটা পথ যাওয়ার জন্য ।সেখান থেকে একটা দোকান থেকে বাচ্চার জন্য জামা ও চকলেট কিনে নিয়েছিলাম ।আসলে বেশ কিছুদিন আগে ছোট মাসি শাশুড়ির নাতনি হয়েছে । মানে ছেলের মেয়ে।তাকে দেখতে যাওয়া হয়নি। সেই বৌদি বাপের বাড়িতে রয়েছে।
মাসির বাড়ি আর বৌদির বাপের বাড়ি একদম কাছাকাছি জায়গাতে ।প্রথমে প্ল্যান ছিল শুধুমাত্র বৌদির মেয়েকে দেখেই বাড়ি চলে আসবো। তাই সরাসরি চলে গিয়েছিলাম বাস থেকে নেমে টোটো ধরে বৌদির মেয়েকে দেখার জন্য। বৌদি আরেকটি বড় মেয়ে রয়েছে ।তাকে আমাদের সাথে করে নিয়ে আসার উদ্দেশ্য ছিল। যাই হোক আমরা বৌদির বাড়িতে যাওয়া মাত্রই আমাকে দেখে বৌদি আর বৌদির মা অবাক হয়ে গিয়েছিল। আসলে আমরা কাউকে কোন কিছু জানাইনি। সেখানে বাচ্চাটিকে দেখে আমাদের ভীষণ ভালো লেগেছিল। আমরা দুজনেই একটু কোলে নিয়েছিলাম ।এদিকে বৌদির মা আমাদেরকে খেতে দেওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
কিন্তু আমরা বাড়ি থেকে খাওয়া দাওয়া করেই বেরিয়ে ছিলাম। তাই কোন কিছু খেতেই রাজি হয়নি। বেশ খানিকক্ষণ সময় বাচ্চাটার সাথে কাটিয়ে ছিলাম। এদিকে বড় মেয়েটাকে আমাদের সাথে আসবার জন্য জোর করা হলো। কিন্তু কোন কিছুতেই রাজি হলো না। এদিকে বাড়িতে শাশুড়ি মাকে ভিডিও কল করে বাচ্চাটিকে দেখানো হলো ।শাশুড়ি মা ও দেখে ভীষণ অবাক হয়ে গিয়েছিল ।কারণ সকলেই জানে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছি ।আমরা আবার উল্টোপথে দাদার মেয়েকে দেখতে আসবো সেটা কেউ ভাবতে পারেনি। এখানেই শেষ নয় আরো পাগলামির অনেক মুহূর্ত রয়েছে ।সেটা আপনাদের মাঝে অন্য পোস্টে শেয়ার করে নিচ্ছি ।
আজ এখানেই শেষ করছি ।আবার নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।



