নিমন্ত্রণ বাড়িতে পৌঁছে সকলের সাথে দেখা সাক্ষাৎ

in Incredible Indialast month

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG_20260719_192815.jpg

আগের পোস্টগুলোতে আপনাদের মাঝে বোনের বাড়িতে যাওয়ার ভোগান্তি শেয়ার করে নিয়েছিলাম আজকে বোনের বাড়িতে পৌঁছে কাটানোর সময় গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। সেদিন অনেক ভোগান্তির পর অবশেষে পৌঁছে গিয়েছিলাম গন্তব্যস্থলে। আসলে বোনের বাড়ি ঠিক নয় ।বোনের ভাসুর যেখানে থাকে সেখানেই বোনের ঠাকুরমা শাশুড়ি থাকতেন। ওখানেই উনি মারা গিয়েছিলেন। তাই ওনার কাজ সৎকার সমস্ত কিছু ওখানে করা হয়েছিল। মানুষ মারা গিয়েও শান্তি নেই ।তার নাকি অনেক নিয়ম-কানুন থাকে। উনি যখন মারা গিয়েছেন তিথি নক্ষত্র পঞ্জিকা দেখে জানা গিয়েছে উনি দোষ পেয়েছিলেন। এটা আবার দিনক্ষণ দেখে কাটাতে হয়। দোষ পেলে নাকি অনেক নিয়ম কানুন থাকে।

IMG_20260719_192849.jpg

সেই রীতি অনুযায়ী ওখানে দোষ পেলে নাকি আমিষ কোন কিছু খাওয়াতে নেই। তাই কাছে পিঠেই একটা মঠ রয়েছে সেখানে সমস্ত নিরামিষ খাবারের অ্যারেঞ্জ করেছিল। যতজন লোক নিমন্তিত ছিল সমস্ত লোক ওই মন্দিরেই খেতে গিয়েছিল। তাই আমরা সোজা গিয়ে আগে মন্দিরে উঠেছিলাম। আমাদের দেখে প্রথমেই বোন তো ভীষণ খুশি। কারণ প্রায় ১৫ দিন পর সবাইকে আবার সামনে থেকে দেখে ভীষণ খুশি হয়েছিল। যখন আমরা বলেছিলাম যাবো না ।সেই কথা শুনে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিল ।আমরা প্রথমেই গিয়ে সকলের সাথে পরিচয় সেরে নিয়েছিলাম ।কারণ সকলকে সেভাবে আমরা চিনতাম না। প্রথম দেখায় সে তো প্রচুর গল্প আলাপ পরিচয় করতে শুরু করে দিয়েছিলাম। সেদিন ছিল একেবারে কাঠফাটা রোদ রোদের মধ্যে মন্দিরের সামনে একেবারেই ফাঁকা, খুবই কষ্ট হয়েছিল।

এরপর আমাদের খেতে বলা হচ্ছিল। কারণ মন্দিরে একটা নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। সেই সময়ের পর আর কাউকে খেতে দেওয়া হয় না। তাই আমরা আর অপেক্ষা না করে মন্দিরে বসে মন্দিরের সমস্ত খাবার খেয়ে নিয়েছিলাম। নিরামিষ খেতে ভালোই লাগে। তবে এইভাবে আয়োজন করেছিল নিজেদের কোন ঝামেলা পোহাতে হয়নি। সমস্ত টাকা-পয়সা মন্দিরে দিয়ে দিয়েছিল মন্দিরের লোকজনই সমস্ত আয়োজন করেছিল। খেতে দেওয়া থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুই ওরাই করেছিল। আমরা যে কয়েকজন গিয়েছিলাম সকলেই বসে খেয়ে নিয়েছিলাম । নিরামিষ বিভিন্ন রকমের পদ রান্না করা হয়েছিল।এদিকে আমার বাপের বাড়ি থেকে মেজ বোন, ছোট বোন তখনো তারা গিয়ে পৌঁছাতে পারেনি। কারণ মেজ বোনের বর ছোট বোনের বর সকলে কাজ সেরে তবে ওখানে পৌছানোর কথা ছিল।

আমাদের তো খাওয়া- দাওয়া করে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কারণ সেদিন ছোট মামার জরুরি কাজ ছিল। মামা যেতে চায়নি দিদা জোর করে মামাকে নিয়ে গিয়ে ছিল।তাই আমরা আর অপেক্ষা করতে চাইনি। এদিকে বোন আবার মন খারাপ করতে শুরু করে দিয়েছিল। এদিকে মা বলছিল আর যারা আসছে তাদের সাথে দেখা না করে চলে যাবি। এদিকে আমাদের দেরি হচ্ছে দেখে ছোট মামা বাধ্য হয়েই আবার বাস ধরে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছিল। আমরা ওখানে খাওয়া-দাওয়া সেরেই চলে গিয়েছিলাম বোনের ভাসুরের বাড়িতে । ওরা খুব জোর করছিল।সেখানে খানিকক্ষণ সময় কাটাবার জন্য। ওখানে বেশ খানিকক্ষণ অপেক্ষা করছিলাম মেজ বোন ছোট বোন আসবে তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে বাড়ির পথে রওনা দেব বলে। যাইহোক ওরা অনেকটাই দেরি করে ওখানে পৌঁছেছিল। সেই সবই মুহূর্ত আপনাদের মাঝে পরের পোস্টে শেয়ার করে নেব।


আজ এইখানেই শেষ করলাম। আবার নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।

Sort:  
1000057660.png
Curated By : memamun
 last month 

Thank you 🙏

Loading...