দার্জিলিংয়ের আরেকটি সুন্দর ঘোরার জায়গা মল
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব দার্জিলিং এর Moll rode ঘোরাঘুরি সুন্দর মুহূর্ত। দার্জিলিংয়ের এই জায়গাটি হল একটি অন্যতম জায়গা। সমস্ত পর্যটকরা এখানে ঘুরতে যেতে ভীষণ পছন্দ করে। কারণ দার্জিলিং জায়গাটি হল শান্তি প্রিয় জায়গা। আমরা প্রথম যেদিন গিয়ে পৌঁছেছিলাম দার্জিলিংয়ে সেই দিন হোটেলে খানিকক্ষণ রেস্ট নেওয়ার পর চলে গিয়েছিলাম ঘোরাঘুরি করার জন্য। তখন জায়গাটা সম্পর্কে অতটাও জানতাম না ।আমরা ভেবেছিলাম কিছু কেনাকাটা করব সেই ভেবেই মার্কেটে গিয়েছিলাম। তখন আমাদের বলা হয়নি ওইখানে একটি সুন্দর জায়গা রয়েছে ।তবে আমরা যাবার আগেই আরেকটি কেনাকাটা করার জায়গার নাম শুনেছিলাম আমরা সেই জায়গাটা খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। সেই জায়গাটি খুঁজতে খুঁজতে মল ছাড়িয়ে অনেক ভিতরে চলে গিয়েছিলাম।
আমাদের হোটেল থেকে মল মাত্র দু তিন মিনিটের হাঁটা পথ ।তবে তার আগে মার্কেটে সকলেই কেনাকাটা করতে যাই ।সেই মার্কেট পেরোলেই মল পড়ে। তবে প্রথম দিন আমরা অতটাও বুঝতে পারিনি। সেখানে গিয়ে দেখি hope নামে জায়গায় দাঁড়িয়ে সকলেই তো ছবি তোলার জন্য ব্যস্ত। নতুন জায়গাতে সকলেই ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে, সন্ধ্যার সময় ওখানে প্রচন্ড ভিড় ছিল।পরের দিন ছোট মামা যখন ফোন করে জিজ্ঞেস করল যে ওটা মল নামক জায়গা ওখানে। মামা ও নাকি ঘুরতে এসেছিল। মার্কেট পেরিয়েই মল।ওই জায়গাটি অনেকটা এরিয়া জুড়ে। বেশ অনেক মানুষের ভিড় হয় ওখানে। তবে আমরা যখন গিয়েছিলাম তখন দুর্গাপূজা চলছিল। ওখানে প্যান্ডেলও করেছিল পুজোর ।এছাড়া প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল সন্ধ্যা বেলা থেকে।
ওখানে একটা স্ট্যাচু রয়েছে । ওখানকার কোনো বিশেষ মানুষের হবে।পাশে প্রচুর মানুষের বসার জায়গা রয়েছে। এছাড়া বিরাট বড় একটা টিভি লাগানো রয়েছে । পাশেই দুর্গাপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম চলছিল। আর ওই টিভিতে দেখানো হচ্ছিল ।সমস্ত মানুষজন ওটা দেখতেই ব্যস্ত ছিল। তবে প্রথম দিন ছবি তোলার সুযোগ পায়নি। কিন্তু তৃতীয় দিন সকালবেলায় যখন মহাকাল দর্শন করতে গিয়েছিলাম তখন জায়গাটি একেবারেই ফাঁকা ছিল। তখন বেশ কয়েকটা ছবি তুলে নিয়েছিলাম। এরপর ওখানেই আশেপাশের স্থানীয় মানুষজন সকাল বেলাতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।তবে তৃতীয় দিন সকাল বেলাতে সেদিন মণ্ডপে দুর্গা ঠাকুর নিয়ে চলে আসা হয়েছিল।
কিছু মানুষ ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ঘোড়ায় চড়লে হয়তো টাকা নেওয়া হয়। ছোট ছোট বাচ্চারা ঘোড়ায় চড়ছিল ভীষণ আনন্দ পাচ্ছিল।সেদিন রাতের বেলায় যতটা না ভালোভাবে ঘুরে বেরিয়ে ছিলাম ।কিন্তু সকালবেলাতে বেশ ভালোভাবেই ঘুরে বেড়িয়েছিলাম ।মল পেরিয়ে গিয়েই খানিকটা এগিয়েই মহাকালের মন্দির রয়েছে। ওখানে স্থানীয় মানুষজন এছাড়া পর্যটকদের জন্য বসে গল্প করার জায়গায় রয়েছে ।উঁচু থেকে নিচের দিকে পাহাড় গুলো দেখতে অপূর্ব সুন্দর লাগছিল। এছাড়াও বেশি যেটা ভালো লেগেছে সেটা হল সন্ধ্যা বেলায় চারিদিকে ঘুরে এসে সমস্ত মানুষজন দিয়ে ওই জায়গাতেই ভিড় জমায়। পর্যটকদের ওটাই বেড়াতে যাওয়ার খুব ভালো জায়গা। কারণ সন্ধ্যের পর থেকেই ওখানে বসে গল্প করা যায়। এছাড়াও বসে বসে আড্ডাও দেওয়া যায়।
সব থেকে ভালো হলো সেই সময় দুর্গাপূজার সময় ছিল। তাই যেন আরও বেশি ভিড় জমে ছিল। যেহেতু পুজোর জন্য প্যান্ডেল করা হয়েছিল ।এছাড়া বিভিন্ন নিত্য নতুন অনুষ্ঠানও চলছিল। তাই মানুষ যেন ওখানে সকলেই নির্বিধায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সমস্ত কিছু উপভোগ করছিল। ওখানে তো বেশিরভাগ বাঙালিরা ঘুরতে যায়।ঠান্ডা হলেও বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবকিছু উপভোগ করতে ভালোই লেগেছিল। আমরা যে কয়েকদিন ছিল প্রত্যেকদিনই আমরা ওই মলে জায়গাটিতে ঘুরতে যেতাম ।কারণ ওই জায়গাটি ভীষণ ভালো লেগেছিল। ওখানে কাটানো প্রচুর স্মৃতি রয়েছে।
আজ এইখানেই শেষ করলাম। আবার নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।


Thank you 🙏