নববর্ষ উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের কেনাকাটা
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি, সকলেই ভালো আছেন ।আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
গতকালকের পোস্টে আপনাদের মাঝে নববর্ষের কেনাকাটার সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করে নিয়েছিলাম। আজকে শেয়ার করব নববর্ষ উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের কেনাকাটার কিছু সুন্দর মুহূর্ত । মেয়েদের কেনাকাটা পেলে আর কিছুই চায় না।আমাদের বাঙ্গালীদের বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগেই থাকে। ঠিক তেমনি কেনাকাটার শেষ থাকে না। যেকোনো পুজো পার্বণ কিংবা অকেশনে নতুন জামা কাপড় লাগবেই। তবে বাংলার বছরের প্রথম দিন আমরা ছোট থেকেই নতুন জামা কাপড় পরি। খুব আনন্দ সহকারে দিনটি পালন করি।কিন্তু ইংরেজি বছরে প্রথম দিনে কিন্তু এইরকম ভাবে পালন করা হয় না। ঠিক যেভাবে বাংলা নববর্ষ আমরা উদযাপন করি। বাংলা নববর্ষের আগে আগে প্রায় এক মাস ধরে প্রত্যেকটি দোকানে বিভিন্ন রকমের অফার চলে। অনেকে এই সুযোগেই অনেক কেনাকাটা করে। প্রত্যেক বছর আমিও ভাবি যে অফারে কিছু কেনাকাটা করব। কিন্তু হয়ে ওঠে না।
এ বছরে বাড়ির প্রত্যেকটি বাচ্চাদের দেওয়ার পর ভাবলাম কোন বছরেই মা ,দিদা কিংবা শাশুড়ি মাকে কিছুই দেওয়া হয়ে ওঠে না। তাই ইচ্ছে হলো এবার প্রত্যেককেই একটা করে শাড়ি কিনে দেবো। যেমনি বলা তেমনি কাজ। বেশ কিছুদিন ধরে কোন সঙ্গী না থাকার কারণে কেনাকাটা করতে বেরোতে পারিনি। কিন্তু ছোট বোনকে কাছে পেয়ে সেদিন আবারো দুপুরবেলায় বেরিয়ে পড়েছিলাম কেনাকাটার উদ্দেশ্যে। কারণ মা বোন সেদিনকে বাড়ি চলে যেত। তাই দুপুর বেলায় বেরিয়ে পড়েছিলাম কেনাকাটা করতে। হয়তো দুপুরবেলায় না গেলে আর যাওয়া হতো না। কারণ সন্ধ্যে থেকে প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল। যাইহোক আমি আর বোন দুপুর দেড়টা নাগাদ টোটো ধরে চলে গিয়েছিলাম একেবারে শাড়ির দোকানের সামনে। দুপুরের কড়া রোদে পুড়ে হেঁটে যেতে ইচ্ছে করে না।
দোকানের সামনে গিয়ে দেখি অনেক রকমের শাড়ির অফার চলছে। কিন্তু শাড়ি গুলি ও খুব সুন্দর ।তাই আর লোভ সামলাতে পারিনি। তিনজনের জন্য তিনটি কেনার পরেও আমার নিজের দুটো পছন্দ হয়ে গিয়েছিল। তাই আমিও দুটো শাড়ি নিয়ে নিয়েছিলাম। শাড়ি খুব একটা পড়া হয়না। কিন্তু কথায় আছে মেয়েদের শাড়ি দেখলে আর লোভ সামলাতে পারে না। আমারও ঠিক তেমনই হয়েছিল। শাড়ি কেনাকাটা হয়ে গেলে চলে গিয়েছিলাম বরের জন্য কয়েকটা জিনিসপত্র কিনতে অন্য শপিং মলে।কারণ বর নিজে কখনো কেনাকাটা করে না। ওকে আমি পছন্দ করে নিয়ে গিয়ে যা দেব সেটাই খুশি মনে পড়ে। যাইহোক সকলের জন্য কেনাকাটা করার পরেও আরো অনেক কিছু কেনাকাটা করবার ছিল ।আরো ঘুরে ঘুরে সমস্ত কিছু কেনাকাটা করে নিয়েছিলাম।
ছোট বোন এভাবে আমার সাথে ঘুরে কেনাকাটা করতে অভ্যস্ত না ।তবুও আমার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল ।না হলে হয়তো এই বছরে আর কেনাকাটা করা সম্ভব হয়ে উঠত না। যাইহোক সকলের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি ফিরে এসেছিলাম ।সকলকে সমস্ত জিনিস দেখাতেই সকলেরই ভীষণ পছন্দ হয়েছিল ।এবছরের নববর্ষটা সকলে পছন্দের জিনিস পড়ে আশা করি সকলেরই ভীষণ ভালো কাটবে। কেনাকাটার শেষ নেই। এখনো অনেক কিছু কেনাকাটা করতে বাকি আছে।সময় পেলে আবারও যেতে হবে।
আজ এইখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।



Curated by: @ahsansharif