ঈশার সাথে বারো দোল মেলাতে
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব বার দোল মেলা দেখতে যাওয়ার দ্বিতীয় দিন। আসলে কৃষ্ণনগরের বারোদের মেলা হল কৃষ্ণনগর ঐতিহ্যপূর্ণ মেলা। এই মেলাতে যেতে কোন সময় আমরা না বলতে পারি না। আমার তো যেতে ভীষণ ভালো লাগে।গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিন চলে গিয়েছিলাম মেলা দেখার জন্য। সেদিন অন্য একজনের সাথে মেলা দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন গিয়েছিলাম ঈশার সাথে মেলা দেখতে। প্রত্যেক বছরই একবার করে ঈশার সাথে বারো দোল মেলাতে যাওয়া হয়। কিন্তু এ বছরে যাওয়া হয়ে ওঠেনি ।পাড়ার একটা বোনের সাথে সেদিন ঠিক ঠাক করেছিলাম মেলা দেখতে যাব।ও মেলা দেখতে যাওয়ার কোনো সঙ্গী পায় না। তাই আমি বলেছিলাম ওকে সাথে করে নিয়ে যাব।কিন্তু সেদিন ঈশা হঠাৎ করে আমাকে ফোন করে আর মেলা দেখতে যাওয়ার জন্য জোর করে।
এদিকে আমি ওই বোনটাকে বাধ্য হয়ে বারণ করে দিয়েছিলাম ।ঈশার সাথেই যেতে রাজি হয়েছিলাম। কারণ আমার নিত্যদিনের সঙ্গী যে তাকে তো আর না করতে পারি না। সেদিন সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বেরিয়ে পড়েছিলাম মেলা দেখার জন্য। সেদিনও ছিল প্রচণ্ড গরম। সেদিন আমি ঈশা , ঈশার বন্ধু বাইকে করে মেলা দেখতে গিয়েছিলাম। তবে সেদিন মেলাটা একটু ফাঁকা ফাঁকা ছিল। ফাঁকা ফাঁকা মেলা দেখে ভীষণ আরাম লাগে। কারণ কোন ধাক্কাধাক্কির ব্যাপার থাকে না। আর দোকানগুলো একটু ফাঁকা ফাঁকাই থাকে। তাই জিনিসপত্র দেখেও শান্তিতে কেনা যায়। সেদিন ও আমার বেশ কিছু কেনাকাটা ছিল ।তবে কেনাকাটা গুলো আমি অন্য এক পোস্টে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব। সেদিন প্রথমে গিয়ে আমরা সেদিন ফুচকা খেয়ে নিয়েছিলাম ।
ফুচকা খেতে গিয়ে সে আর এক কান্ড ।ফুচকার জল ঈশার বন্ধুর প্যান্টে পড়ে সারা প্যান্ট ভিজে যায় ।এদিকে ওখান থেকেও রাগারাগি করে বাড়ি ফিরে আসতে চাই। কিন্তু খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে আপনা আপনি শুকিয়ে গিয়েছিল । এখন যা গরম ভিজে জিনিস আপনি শুকিয়ে যায়। এরপর আবারও খানিকক্ষণ মেলায় ঘোরাঘুরি করেছিলাম। ঘোরাঘুরি করে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কেনাকাটা করে নিয়েছিলাম ।নেওয়ার পর এদিকে আবার তখন ঘড়ির কাটায় বাজে রাত আটটা । দেরি হলে আবার ঈশার বাবা বকাবকি করবে।তখন তিনজনে মিলে আইসক্রিম খেতে খেতে মেলার বাইরে বেরিয়ে পড়েছিলাম। আবারো তিনজনে মিলে বাইকে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। তবে একেক জনের সাথে মেলায় যেতে এক এক রকম অনুভূতি কাজ করে।
ছোট থেকে আজ পর্যন্ত মামাদের সাথে যে কোন জায়গায় যেতে এক রকম অনুভূতি কাজ করে। আবার ঈশার সাথে কোথাও গেলে সেখানেও অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করে। ওর সাথে মেলায় ঘুরে সেদিন ভালো লেগেছিল। তবে খুব তাড়াতাড়ি করেই আমরা মেলা থেকে বাড়ি ফিরেছিলাম ।তাই সেদিনকে বিশেষ কিছু কেনা করা করে উঠতে পারেনি। ইচ্ছে ছিল আরো একদিন যাওয়ার।
আজ এখানে শেষ করছি। আবার নতুন কোন পোস্ট নেই হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।




Thank you 🙏