দার্জিলিং থেকে ফেরার মূহুর্ত
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে। আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
গত দুদিন ধরে বেশ জাঁকিয়ে ঠান্ডা পরা শুরু করেছে। এই ঠান্ডা দেখে মনে হচ্ছে আমি হয়তো দার্জিলিঙে বসে রয়েছি। কারণ হঠাৎ করেই ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে। এতদিন ঠান্ডা পড়লেও তেমন ঠান্ডা ছিল না। তাই আমারও সেই কিছুদিন আগে দাঙিলিং এর অনুভূতি যেন কাজ করছে। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠেই মনে হচ্ছে আমি যেন আবার সেই দার্জিলিং এ ফিরে গিয়েছি। আজকে আপনাদের মাঝে দার্জিলিং থেকে ফেরার সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করে নেব। কোন জায়গায় যাওয়ার সময় যতটা আনন্দ হয়। কিন্তু ফেরার সময় তার দ্বিগুণ পরিমাণে মন খারাপ হয়। কারণ সব সময় মনে হয় আর কিছুদিন হয়তো থাকলে ভালো হতো। সেটা বেড়ানোর জায়গায় হোক কিংবা কোনো আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি হোক।
ঘুরতে বেড়াতে আমি খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু কোথাও যাওয়ার কথা হলে অনেক সময় যেতে ইচ্ছে করে না। আবার অনেক সময় খুব ভালো লাগে। সেদিন বেড়ানোর কথা শুনে মনে মনে ইতস্তত বোধ হলেও কিন্তু আনন্দ হয়েছিল। কারণ আমার বর ঘুরতে একেবারেই অপছন্দ করে। তাই কোন বেড়ানোর সঙ্গী পেলে আমি তার সাথে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ি। তবে দার্জিলিংয়ে কাটানো মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হয়নি। সবকিছুই আস্তে আস্তে শেয়ার করে নেব। আপনাদের দার্জিলিং এ পোস্ট শেয়ার করার সময় বলেছিলাম আমি পাশের বাড়ির কাকু ,কাকিমা আর একটা ভাইয়ের সাথে গিয়েছিলাম বেড়াতে। তবে ওখানে তিনদিন ছিলাম খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি, ফেরার সময় ভাবছিলাম আরো যদি দুদিন থেকে ঘোরা যেত তাহলে ভালোই হতো।
যাইহোক দার্জিলিং এ যাবার পর কাকু কাকিমা ভাইয়ের একটা খুব দরকারী কাজ পড়ে গিয়েছিল। তাই আমরা যাদের সাথে গিয়েছিলাম তাদের কাছে আমাকে রেখে ওরা আমার ফেরার আগে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিল। ভোর বেলায় উঠে ওরা তিনজনে বাড়ি ফিরবার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কারণ আমাদের তখনও আরো কিছু জায়গা ঘোরাঘুরি বাকি ছিল। চেনা মানুষ যখন অচেনা মানুষের কাছে রেখে চলে আসে তখন খুবই খারাপ লাগে। কিন্তু আর যেতে পারবো কি পারবো না তাই বাদবাকি গুলো জায়গাগুলো আমি একটু বেড়াতে গিয়েছিলাম। যাইহোক আমাকে যাদের দায়িত্বে রেখে এসেছিল তারাও ভীষণ ভালো, তাদের সাথে সারাদিন সমস্ত জায়গায় ঘুরে বেরিয়েছিলাম।
এরপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম কারণ ফিরবার সময় আমরা বাসে করে ফিরেছিলাম ।তাই যখন ফিরছিলাম তখনই শুরু হয় হঠাৎ করে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। অর্ধেক রাস্তা, বৃষ্টি হবার পর বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল। যখন বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছেছিলাম তখন প্রচন্ড পরিমাণে মেঘ ডাকছিল সাথে বাজ পড়ছিল। যাইহোক বেশ খানিকক্ষণ পর বাসের সিটে বসে পড়েছিলাম। তবুও নিজের চেনা কোন লোক না থাকলে ভীষণ অসুবিধা হয় ।বাস দু জায়গায় থেমেছিল সকলের কিছু খাবারের জন্য। সকলের পছন্দমত খাবার খেয়ে আবারও বাসে উঠেছিল। যাই হোক খুব ভালোভাবেই বাড়ি পৌঁছে গিয়েছিলাম। সকাল সাতটা নাগাদ বাড়ি পৌঁছেছিলাম। ছোট মামাকে ফোন করার সাথে সাথে নিতে চলে এসেছিল। যাই হোক ভালোভাবে পৌঁছানোর মুহূর্তটা আপনাদের সাথে শেয়ার করে নিলাম। তবে পাহাড়ে ওঠার অনুভূতি একরকম।আর পাহাড় থেকে নামার অনুভূতি আরেক রকম। যাইহোক অন্যান্য মুহূর্ত অন্য পোস্টে শেয়ার করে নেব।
আজ এইখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।



Thank you 🙏