বোনের বিয়ের উপহার কিনতে যাওয়া

in Incredible India17 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG20260429193549.jpg

আজকে আমি আপনাদের মাঝে ভোটের পরের দিনের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করে নেব। ভোটের দিনের রাতের সমস্ত কথা আপনাদের মাঝে তুলেছিলাম। সেদিন রাতে আমি বিয়েতে যেতে একেবারেই রাজি হয়নি ।তাই ঘুম থেকে উঠে সকালবেলায় বড় মামা আমাকে বাড়িতে বোঝাতে এসেছিল। যে আমি না গেলে ওরা কেউ যেতে রাজি হচ্ছে না। এদিকে আমার মায়ের মন খারাপ।এদিকে বিয়েটা দিতেই হবে। বড় দিদি হিসেবে আমারও কর্তব্য থাকে। আমি কৃষ্ণনগর থেকেই বোনের বরকে একটা আংটি দেবো বলে বানাতে দিয়েছিলাম ।সকালবেলায় রান্নাবান্না সেরে নিয়েছিলাম। কারণ সেদিন আবার শাশুড়ি মায়ের শরীরটা ভীষণ খারাপ ছিল। তাই রান্নাবান্না আমাকেই করতে হয়েছিল। এদিকে এইভাবে বিয়ে হচ্ছে বলে আমার বর যেতে রাজি হচ্ছিল না।

IMG20260430141519.jpg

যেহেতু বড় মামা বাড়িতে এসেছিল বলতে তাই বর কোন মতে রাজি হয়েছিল। আমি বেলা বারোটা নাগাদ রেডি হয়ে ছোট মামার সাথে চলে গিয়েছিলাম আমাদের কৃষ্ণনগরেই একটা জুয়েলারির দোকানে। যাবার আগেই কাকুটাকে অনেক বার রিকোয়েস্ট করেছিলাম কাকু যে কোন মতেই আজকে তুমি আংটিটা রেডি কর। আমার ভীষণ দরকার।কাকু আমার কথা শুনে আংটিটা রেডি করে রেখেছিল। আমি যাওয়া মাত্রই আমাকে আংটিটা দেখালো সবথেকে মজার বিষয় হল আমি যে দোকান থেকে সোনার জিনিসগুলো কিনি ।সেই দোকানটা আমাদের ভীষণ পরিচিত। ওই কাকুর সাথে আমার ছোট মামা একসাথে পড়াশোনা করেছিল। সেদিন ছোট মামা যখন আমার সাথে গিয়েছিল কাকু আমাকে জিজ্ঞেস করছিল ওটা কে হয়। আমি যে বলেছিলাম ওটা আমার মামা।

কাকু তখন মামাকে বলছে ভিতরে আসতে আমি তো দেখে অবাক। বুঝতেই পারিনি তখন দেখছি দুজন দুজনকে আগে থেকেই চেনে। দুজন খুব ভালো বন্ধু। যাই হোক আমার সাথে কথা না বলে মামার সাথে খানিকক্ষণ গল্প জুড়ে দিল। পুরনো বন্ধু অনেকদিন পর দেখা সাক্ষাৎ। এরপর আমার আংটিটা ওজন করে কাকু একটা বিল করে দিল। যেহেতু খুব চেনা জানা তাই অনেকটা মজুরির পয়সা কমিয়ে ছিল। এমনিতেই কাকুটার ব্যবহার ভীষণ ভালো। এখন যা সোনার দাম অতটুকু আংটির দাম হয়ে ছিল ৭০ হাজার টাকা। যাইহোক এই জিনিসটা আমি আমার বোনের বরের জন্য গিফট করব বলেই বানাতে দিয়েছিলাম। আমরা আংটি রেডিমেড কিনতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সঠিক মাপের আংটি পছন্দ হচ্ছিল না। তাই পছন্দ মতো বানাতে দিয়েছিলাম।আংটিটা দেখে আমার ও ভীষণ পছন্দ হয়েছিল। যাই হোক কাকুর সাথে অনেক গল্প আলাপ হওয়ার পর ভীষণ ভালো লাগলো।

আবার বেরিয়ে পড়লাম বাড়ি আসার জন্য। ওয়েদার ভীষণ গরম ছিল। আমি রোদে বের হতে একেবারেই অপছন্দ করি। রোদে বেরোলেই শরীরটা ভীষণ খারাপ করে। তবুও কিছু করবার নেই ।মায়ের কথা ভেবে আর বোনের কথা ভেবে যাওয়া। এইটুকু তো আমরা করতেই হয়েছে। আংটিটা নিয়ে বাড়িতে গিয়ে সকলকে দেখানো মাত্রই আংটিটা সকলের ভীষণ পছন্দ হয়েছিল। এরপর ছিল গন্তব্য স্থলে পৌঁছান।


আজ এইখানে শেষ করলাম। আবার নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল । সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  


image.png
Curated by: @josepha

 8 hours ago 

Thank you 🙏

 7 hours ago (edited)

আংটিটা ভালোই দেখতে এবং মডেলটাও ভালোই লাগছে।৭০ হাজার টাকা নিয়েছে কত ক্যারেটের সোনা আর কত আনা সোনা দিয়েছে জানালে ভালো হতো?

Loading...