শীতের সন্ধ্যায় এক কাপ কফি সাথে সকলের সাথে সময় কাটানো
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
শীতকালে শীত পড়বে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার ।কিন্তু এ বছরে যেন শীতের পরিমাণটা একটু বেশিই ছিল। তবে আমার শীতকাল ভীষণ প্রিয়। গত পৌষ মাস ধরে প্রচন্ড হারে শীত পড়েছিল ।এ বছরে শীতকাল কেমন শীত আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছিল ।যে সত্যিই এ বছরে শীত পড়েছে। কারণ অন্যান্য বছরে শীতের পরিমাণ তেমন একটা থাকে না ।গরমের সময় গরম শীতের সময় শীত আর বর্ষার সময় বৃষ্টি হবে।এই তিনটেই এ বছরে ঠিকঠাক ভাবে বুঝতে পেরেছিলাম। যাই হোক ঠান্ডার মধ্যে কিছুদিন আগেই আমরা গিয়েছিলাম হাসাডাঙ্গা দুর্গাশ্রমে বেড়াতে সেই মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিয়েছিলাম। তবে সেখান থেকে ঠাকুরের প্রসাদ খেয়ে ফিরছিলাম বাড়ি। বাড়ি ফিরতে প্রায়ই অনেকটা রাস্তা আসতে হতো। আমাদের যে টোটোওয়ালা নিয়ে গিয়েছিল তাকেও কিছু খাওয়ানো হয়নি। তাই বর বলল চলো সামনে একটা ক্যাফেতে বসে সকলকে একটু কফি খাওয়ায়।
বর প্রত্যেকদিন ওইদিকেই কাজে যাই ।তাই ওই দিকের সমস্ত রেস্টুরেন্ট ক্যাফে ওর চেনাজানা হয়ে গেছে। তাই সেদিন অনেকটা দূর থেকেই আমাদের দেখাচ্ছিল চলো একটা ক্যাফেতে তোমাদের নিয়ে যাব। শীতকাল উপলক্ষে ক্যাফেটি সুন্দর করে সাজানো হয়েছিল দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগছিল। কিন্তু যখন কাছে এসে পৌঁছলাম তখন দেখলাম একদম ছোটখাটো ক্যাফে। শীতের মধ্যে ক্যাফেটি পুরো ভর্তি হয়ে গিয়েছিল ।কারণ শীতকালে সকলেই চা-কফি খেতে ভীষণ পছন্দ করে। আর তার সাথে বন্ধুদের সাথে আড্ডা। আমরাও একপাশে বসে পড়েছিলাম। কারণ আমরাও বেশি কিছু খাব না সেদিন ছিল শনিবার। শীতের মধ্যে আমরাও এক কাপ করে কফি নিয়েছিলাম।
শীতকালে গরম গরম কফি খেতে বেশ ভালো লাগে। তবে ওই ক্যাফেটিতে কাঁচের কাপ করেই পুরো ভর্তি করে এক কাপ কফি দিয়েছিল। অন্যান্য জায়গায় কাগজের গ্লাস কিংবা মাটির পাত্র করে কফি দেওয়া হয়। সেদিন গরম গরম অনেকটা কফি খেয়ে বেশ ভালো লেগেছিল। এরপর আবারও টোটো করে বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছিলাম ।কারণ ওখান থেকে আমাদের বাড়ি আরো অনেকটা পথ আসতে হবে। এদিকে মামাশ্বশুরের মেয়ে আমাদের বাড়িতে তখন এসেছিল ।তাই তাকেও কোন একটা জিনিস কিনে দেওয়ার জন্য আবারো খানিকটা এসে আমাদের কৃষ্ণনগরের মধ্যেই একটা জামা কাপড়ের দোকানে নেমে পড়েছিলাম। সেখান থেকে পছন্দ করে তাকে একটা সোয়েটার কিনে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে সেদিন ছিল পৌষ মাসের শনিবার ।তাই অনেক জায়গাতেই পৌষ কালী পূজা হচ্ছিল। চারিদিকেই খিচুড়ি খাওয়ানো হচ্ছিল। আমাদের যেহেতু অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল তাই আমরা আর খিচুড়ি খাইনি। সোজা আবারও বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। সেদিন দুর্গা আশ্রম এছাড়াও ক্যাফেতে ঘুরে বেশ মজায় হয়েছিল। মাঝেমধ্যে এরকম মজা হলে বেশ ভালোই লাগে। ক্যাফেতে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিলাম। আসলে সেদিন আমাদের সাথে কাকিমা আর মামাশ্বশুরের মেয়ে ছিল দুজনেই সচরাচর এইরকম ক্যাফেতে কখনোই বসে চা কিংবা কফি খাওয়ার সুযোগ পায় না। তাই সেদিনে দুজনের খুবই আনন্দ হয়েছিল ।ওরা দুজন ভীষণ খুশি হয়েছিল।। আসলে কাকিমা সংসারের চাপে কোথাও ঘুরতে যেতেই পারে না। তাকে আনন্দ দিতে পেরে আমাদেরও বেশ ভালো লেগেছিল। ছবি গুলো মামা শ্বশুরের মেয়ের ফোনে তোলা।
আজ এইখানেই শেষ করলাম ।আবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।




