Better Life with Steem|| The Diary Game||20- 11-2025
![]() |
|---|
Hello,
Everyone,
মিছে এ মায়ার দুনিয়ায় কেউ কারো নয়। আপনি যাকে বেশি ভালবাসবেন, যার জন্য আপনি সমস্ত কিছু ত্যাগ করে দিতে পারবেন, সেই আপনাকে বেশি কষ্ট দেবে ।কারণ সে বুঝে গেছে ,আপনি তার প্রতি কতটা দুর্বল।
স্বার্থের জন্য মানুষ কাছে আসে স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে ব্যবহার করা টিস্যুর মতো ফেলে দিতেও দ্বিধাবোধ করে না।এই ছোট্ট জীবনে এতটুকু বুঝেছি যে ,এই পৃথিবীতে একাই এসেছি একাই যেতে হবে। কেউ কারো নয় ।
একটু ভেবে দেখবেন, সূর্য যদি অস্ত যায় তবে আপনার ছায়াটা কিন্তু আপনার পাশ থেকে সরে যাবে। ভাই- বোন, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি স্বামীও কাছে আসে তাদের স্বার্থের জন্য ।স্বার্থ ফুরিয়ে গেল তখন তারাও পর হয়ে যায়। শুধুমাত্র বাবা-মা নিঃস্বার্থভাবে সন্তানকে ভালোবাসে।
![]() | ![]() |
|---|
আমার দিনলিপি কি দিয়ে শুরু করব তাই ভেবে পাচ্ছি না ।কারণ আমার মন এবং শরীর দুটোই খুব খারাপ । বাপি -মা বুধবার বাড়িতে চলে গেছেন । ওদের জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে।
বাপি বেশি সময় গাড়িতে ভ্রমণ করতে পারেনা তাই বরিশাল লঞ্চে কেবিন নেওয়া হল। লঞ্চে সময় বেশি লাগে ।নদী পথে ভ্রমণ বাপির জন্য সহজ হবে তাই তারা লঞ্চে করে বাড়িতে গেলেন।
মেয়ের কাছে বেশিদিন বাবা-মা থাকা চায় না। কিন্তু ছেলের বাবা-মা কিন্তু ঠিক ছেলের কাছে অনেক দিন থাকছে । বেশি মন খারাপ হচ্ছে এই ভেবে যে,বাপিকে সুস্থ করার জন্য ঢাকা ডাক্তার দেখাতে নিয়ে এসেছিলাম। কিছুটা সুস্থ হলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারিনি।
![]() | ![]() |
|---|
ঢাকা আসার সময় বাপী মা দুজনে একাই লঞ্চে করে এসেছিল । এখন যাবার সময় মা একটু অসুস্থ হয়ে পড়ে , ওদেরকে একা ছাড়তে সাহস হচ্ছিল না তাই দাদাকে আসতে বলেছিলাম ।দাদা ছুটি নিয়ে আসে এবং ওদেরকে নিয়ে চলে যায়।
নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। কোন কিছুই যেন আমি পারছিনা, আমার কোন গুণ নেই, আমি যেন সাজিয়ে কথা বলতে পারি না, কারো মন রাখতে পারি না । মা যতদিন বাসায় ছিল বারবার বলত, নিচের প্রতি যত্ন নিও, সময়মতো ঘুমাতে, সময় মত খেতে । আমার জন্য দুপুরবেলা ভাত বেড়ে কেউ অপেক্ষা করবে না।
সকালবেলা থেকেই কোন কাজ করতে মনে চাচ্ছিল না স্নান করে ঠাকুরের কাছে এসে আমার মনের কথা বলি ।এখন আর কাঁদতেও পারি না।
!
নিজেকে নিজেই আবার সামলিয়ে নেই ।আমাকে উঠে দাঁড়াতে হবে,। সৃষ্টিকর্তা সকল বাবা মাকে যেন ভালো রাখে, সুস্থ রাখে এই প্রার্থনা করা ছাড়া আমার আর কোন কিছুই করার নেই। মন না চাইলেও সংসারের কাজ করতে হয় কারণ আমি তো মা ,আমার তো দায়িত্ব আছে।
নিজেকে সবসময় কাজের মাঝে ব্যস্ত রাখলে আমি মনে করি অনেকটা কষ্ট দূর হয় ।সকালবেলা চালের রুটি তৈরি করেছিলাম ।মেয়ে বলেছিল চালের রুটি তৈরি করতে।
![]() |
|---|
![]() | ![]() |
|---|
দুপুরবেলা আমার কিছু রান্না করতে হয়নি কারণ গতকালকে রান্না করা খাবারগুলো ছিল। সেগুলো ওভেনে গরম করে মেয়েকে দিয়েছিলাম সাথে আমি কিছু খেয়ে নিয়েছিলাম ।দুপুরবেলা সাধারণত আর্মি বাবু বাসায় খাবার খায় না । বাড়তি কোনো রান্নাথ ঝামেলা ছিল না। ভেবেছি রাত্রে রান্না করবা।
বিকেলবেলা মায়ের সাথে ফোনে অনেকক্ষণ কথা বলি। মন অনেকটা হালকা হল । সন্ধ্যা কালীন প্রার্থনা করি। আর্মি বাবু এসে বললেন ,আজকে রাতে রান্না করতে হবে না, রাতের খাবার আমরা বাইরে খাব। মেয়ে অনেক খুশি হল ।আমার প্রথমে ইচ্ছে করছিল না যেতে, তারপর মেয়ের কথা ভেবে আমাকে ওদের সাথে যেতে হল ।
সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে অনেক সময় অনেক কিছু মানিয়ে নিতে হয় মাকে । বাচ্চারা সাধারণত চাইনিজ খাবার বেশি পছন্দ করে । কিন্তু আর্মি বাবু কাচ্চি বিরিয়ানি পছন্দ করে আর দেশী খাবার বেশি পছন্দ করে, চাইনিজ খাবার ততটা পছন্দ করে না । রাতের খাবার খেয়ে আমরা কিছু শপিং করে বাসায় চলে আসি। এভাবে কেটে গেল আমার বৃহস্পতিবার দিনটি। আজ এখানে বিদায় নিচ্ছি, শুভরাত্রি।









Thank you, Sir. @solaymann