Better Life with Steem|| The Diary Game||22- 01-2026|| দেবী বরণ||
![]() |
|---|
Hello,
Everyone,
আশা করি সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় সকলে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। সকলের ভালোবাসা এবং সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় আমি মোটামুটি ভালো আছি। তবে এখন ব্যস্ততা আরো বেড়ে যাচ্ছে। মায়েদের ব্যস্ততা কখনই কমেনা । সন্তান ছোট থাকুক কিংবা বড় হোক কিংবা সন্তানকে বিয়ে দেওয়া হোক তারপরও যেন মায়ের ব্যস্ততা কমে না ।
প্রতিদিনের সেই একই রুটিন অনুসরণ করতে হয়। দেখতে দেখতে সন্তান বড় হয়ে যাচ্ছে কিন্তু মায়ের দায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে । বর্তমান সময়ে ঠান্ডা অনেকটাই কমে গেছে । কখনও হালকা গরম , কখনও হালকা ঠান্ডা পরছে ।এই সময় আমার কাছে বেশি ভালো লাগে ।অতিরিক্ত গরম নেই অতিরিক্ত ঠান্ডা নেই ।
![]() | ![]() |
|---|
তবে এই সময়টার স্থায়িত্ব খুবই কম । কিছুদিন পরে আবার গরম চলে আসবে ।আজ ছিল বৃহস্পতিবার (গুরুবার) ।আজ সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে সংসারে টুকিটাকি কাজ সেরে ঠাকুর পূজা দিয়ে নিলাম। সকালবেলা ঠাকুর পূজা দেয়া হলে অনেকটা কাজে এগিয়ে যায় ।
এই বছর মামনির মানষিক সরস্বতী পূজা দিবো । কাল সরস্বতী পূজা ,আজ মামনির নিরামিষ খেতে হবে। মামনির সাথে আমরা সবাই আজকে নিরামিষ খাবো। গতকাল রাতে সমস্ত কিছু পরিষ্কার করে রেখেছিলাম । নিরামিষ সবজি কেটে ধুয়ে দুপুরের রান্নার আয়োজন করে নিলাম।শীতকালীন নানা ধরনের টাটকা শাক-সবজি খেতে ভীষণ ভালো লাগে ।
![]() | ![]() |
|---|
মামনির যতটা উচ্চতা ততটা উচ্চতা হবে সরস্বতী ঠাকুরের প্রতিমা। কিছুদিন পূর্বে আর্মি বাবু রমনা কালী মন্দিরে গিয়ে প্রতিমা তৈরি করতে দিয়ে এসেছিলেন ।প্রতিমা তৈরি করার জন্য ১৫,০০০ টাকা(BDT) নিয়েছিল ।
বিকেল বেলা প্রতিমা নিয়ে আসবে ।সন্ধ্যা আটটার সময় মাকে বরণ করা হবে । সমস্ত কাজ আমাকে সন্ধ্যার আগে শেষ করতে হবে। ঝটপট দুপুরের রান্না শেষ করে মা-মেয়ে খেয়ে নিলাম। যেহেতু আমরা সবাই নিরামিষ খাবো তাই আর্মি বাবু দুপুরে বাসায় খেতে আসলেন।
![]() | ![]() | ![]() |
|---|---|---|
![]() | ![]() | ![]() |
মা-বাবা চায় সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হোক, আচার ব্যবহারে মানুষের মত মানুষ হোক এটা প্রতিটা মা-বাবার দায়িত্ব এবং কর্তব্য। বাবা মায়ের চাওয়া , সন্তান যেন তার নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুন্দরভাবে গড়ে নিতে পারে এবং তাদের সমস্ত অপূর্ণতা সন্তানের মধ্য দিয়ে পূর্ণ করতে চায় ।আমি চেষ্টা করছি সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করার ,বাকিটা সবার ভালোবাসা এবং সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপা ।
![]() | ![]() |
|---|
সাধারণত কোন উৎসব ছাড়া সবার সাথে আমাদের দেখা হয় না । সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে তৈরি হয়ে মাকে বরণ করতে গেলাম।ঢাকা -ঢোল নিয়ে ব্যাংক পার্টির লোক সন্ধ্যা সাতটায় চলে আসেন। প্রতিমা বহন করা গাড়ি যখন কলোনিতে প্রবেশ করে, সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক পার্টি দল ঢাকের তালে তালে জানিয়ে দিল দেবী মা চলে এসেছে।
![]() | ![]() | ![]() |
|---|
আমরা বরণ ডালায় সমস্ত কিছু সাজিয়ে মাকে বরণ করতে চলে আসলাম।আজ সন্ধ্যায় মেয়েদের থিম ছিল হলুদ শাড়ি। আমরা সকল বৌদি হলুদ শাড়ি পড়েছিলাম এবং সুন্দর করে সেঁজে ছিলাম । উলু ধ্বনি দিয়ে ,শঙ্খ বাজিয়ে মাকে বরণ করা হলো। মায়ের মুখ তখন পেপার দিয়ে মোড়ানো ছিল । মায়ের মুখ কেউ দর্শন করতে পারবে না তাই মায়ের মুখ পেপারে মোড়ানো হয়েছে।
মায়ের কাছে প্রার্থনা করছি, মা সবাইকে জ্ঞান , স্মৃতিশক্তি, বৃদ্ধি দিক ।নারীদের সাথে সাথে ছেলেরাও হলুদ পাঞ্জাবী পড়েছিল । বাঙালিরা উৎসব প্রিয় । ঢাকের তালে তালে সবাই মিলে নেচে -গেয়ে মাকে বরণ করা হলো ।
রাতে খিচুড়ি রান্না করা হলো ।শীতের এই সময় সবজি ভরপুর থাকে তাই সবজি খিচুড়ি করা হলো ।সব সময় মন্দিরের প্রসাদ অমৃত হয়। আমি মন্দিরের প্রসাদ খেতে বরাবর ভালোবাসি । সকলে দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন , সন্তানের ভবিষ্যতের সঠিক পথে যেতে পাশে থাকতে পারি ।
বর্তমান সময়ে পিতা-মাতা ও সন্তানের দূরত্ব অনেক বেড়ে গেছে এটা বর্তমান সময়ের যুগের দোষ বলব কি ? আধুনিকতার দোষ বলবো, তা কিছুই বুঝতে পারছি ।সকলের সাথে অনেক দিন পরে দেখা হলে।কখন যে রাত ১১ টা বেজে গেল তা বুঝতে পারিনি । সবার সাথে গল্প করতে করতে কখন যে রাত একটা বেজে গেল তা বুঝতে পারলাম না।
সকাল বেলা উঠতে হবে যেহেতু শুক্রবার সকাল নয়টায় পূজা শুরু হয়ে যাবে তাই আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম ।এভাবেই কেটে গেল আমার বৃহস্পতিবার সরস্বতী পুজোর আগের দিনটি ।সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন ।

















Thank you,sir.
god