The February contest #1 by sduttaskitchen|Challenges for a single parent!
![]() |
|---|
| Source |
Hello,
Everyone,
আশা করি সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন ।স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা সেতুবন্ধন হল তাদের সন্তান। সন্তানের মধ্য দিয়ে সংসারের সুখ ,শান্তি বিরাজ করে, এটা আমার বিশ্বাস ।আমি মনে করি এটা সকলেরই বিশ্বাস। সে সাজানো সংসার যখন কোন কারণে ভেঙে যায় তখন সন্তানকে হয় বাবাকে বেছে নিতে হয়, না হয় মাকে বেছে নিতে হয়। এটা খুবই কঠিন এবং কষ্টকর ।
এ্যাডমিন ম্যাম(@sduttaskitchen) ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহের প্রতিযোগিতার জন্য দারুন একটি বিষয় নির্বাচন করেছেন ।এই আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করে আর পারলাম না ।কাল বিলম্ব না করে প্রতিযোগিতায় অংশ করার চেষ্টা এবং প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে ষ্টিমিট প্ল্যাটফর্মের প্রিয় বন্ধুদেরকে @ marulobo ,@ teukuipul87 & @zulbahri এই আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে চাচ্ছি।
Please identify and discuss several challenges faced by single parents. |
|---|
![]() |
|---|
| Source |
এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার শুরুতে আমরা জেনে নেব, এক পিতা-মাতা বলতে আমরা কি বুঝি? যে পরিবারে শুধুমাত্র পিতা কিংবা শুধুমাত্র মাতা তার সন্তানদের লালন-পালন করা থেকে তার সন্তানদের সমস্ত কিছু একা নিজ হাতে করে থাকেন ।
কোন বিশেষ কারণে হয়তো পিতা অথবা মাতাকে একা এই দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে ।স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে তারা আলাদা হতে পারে কিংবা স্বামীর মৃত্যুতে স্ত্রীকে একাই তার সন্তানকে লালন-পালন করতে হতে পারে কিংবা স্ত্রীর মৃত্যুতে স্বামীকে সন্তানের দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।স্বামী / স্ত্রীর কেউ একজন যদি প্রবাসী হয়ে থাকে তখন দেশে স্ত্রী / স্বামীকে তাদের সন্তানদের লালন-পালন করতে হতে পারে ।
এই পথটা কিন্তু সহজ নয়। একক পিতামাতার অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়।বিশেষ করে, বাংলাদেশের মতো ছোট্ট দেশে এখনো পারিবারিক এই ধারণা থাকে যে , স্ত্রী মারা গেলে স্বামী আবার বিয়ে করতে পারে কিন্তু স্বামী মারা গেলে খুব কম সংখ্যক স্ত্রী বিয়ে করতে পারে ।বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, স্ত্রী আর দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় না ।সেই ক্ষেত্রে একক মাকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।
এই চ্যালেঞ্জের প্রথম ধাপ হলো আর্থিক চ্যালেঞ্জ। কারণ এই সমাজের লোক আপনাকে তাল দিবে কিন্তু গুর দিবেনা।সবাই উপদেস দেবে কিন্তু আর্থিকভাবে কেউ আপনাকে সাহায্য করবে না ।সমাজের সবাই আপনার ভুল ধরতে পারবে কিন্তু সংসার চালানোর মতো বা সন্তানদেরকে লালন-পালন করতে যত অর্থ ব্যয় হবে তা কেউ তখন দিবে না।তা শুধু একক পিতামাতাকে বহন করতে হয় ।
অনেক সময় দেখা যায় বাবা চাকরিজীবী ছিল, মা সাধারণ গৃহিনী ছিলেন। সে ক্ষেত্রে সংসারটা খুব সুন্দর ভাবে দুজনে চালিয়ে নিতে পারে। হঠাৎ বাবা মারা যাওয়ার কারনে মায়ের একার পক্ষে সন্তানদেরকে পড়াশুনা করিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়ে ।মাকে নতুন করে কর্মসংস্থানে যোগ দিতে হয় । সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য তাকে ঘরের চারদেয়াল থেকে বেড়িয়ে কাজে যোগ দিতে হয় এবং অর্থ উপার্জন করতে হয়।
দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো সামাজিকতার ভয় । অন্যান্য দেশে একক মাতৃত্ব তেমন কোন সমস্যা না হলেও আমাদের দেশে এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়ে থাকে ।অনেক সময় দেখা যায় ,সমাজের কটু কথার ভয়ে অনেক মেয়ে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তার অত্যাচারিত স্বামীর সংসার ভাঙতে চায় না। সে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করে সংসারে থেকে যায়। সে চাইলে এই সমাজের বাধা ভেঙে সন্তানদের নিয়ে একা থাকতে পারে না ।এখানে সব সময় নারীদের দোষ আগে দেখা হয়, সন্তানদের রেখে মা কাজে গেলে সমাজের কিছু লোক মাকে নানা রকম হেনস্থার শিকার হতে হয় এবং সন্তানকেও নানা রকম সমালোচনার শিকার হতে হয় ।
একটি সন্তান বড় করতে হলে বাবা-মায়ের সমান দায়িত্ব পালন করে থাকেন, সে পড়াশোনা হোক কিংবা বাচ্চার খাওয়া-দাওয়া হোক । একটা ছোট্ট শিশুকে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ে দেয়ার জন্য বাবা মা দুজনে কঠিন পরিশ্রম করে থাকে, সেই ক্ষেত্রে শুধু যদি একজন বাবা কিংবা একজন মাকে এই দায়িত্ব পালন করতে হয় ।একার ক্ষেত্রে শারীরিক চাপের থেকে বেশি মানসিক চাপ পড়ে কারণ তাকে তাকে একা সবকিছু সামলাতে হয়।
সন্তানদের সঠিকভাবে মানুষ করতে হলে অর্থের প্রয়োজন হয়, তাই তাকে রোজগার করতে হয়, আর যেহেতু রোজগার করতে হলে তাকে অবশ্যই কর্মস্থলে সময় দিতে হবে ,সন্তানের জন্য সম্পূর্ণ সময় রাখতে পারে না ।সে ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় সন্তান সুপথে না গিয়ে পথ ভ্রষ্ট হতে পারে ।এই চিন্তা করে একক পিতামাতার মানসিক চিন্তা বেড়ে যায় ।
একক পিতামাতার অতিরিক্ত দায়িত্ব ,সামাজিক চিন্তাভাবনা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ , প্রতিনিয়ত অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় ।
How does one perceive adaptation in the context of an individual? Please share your perspective on this matter. |
|---|
![]() |
|---|
| Source |
অভিযোজন বলতে বোঝানো হয় কোন ব্যক্তি তার চেনা পরিবেশ পরিস্থিতি ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন এক পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এই পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে তার কষ্ট হলেও তা তাকে মেনে নিতে হয় এবং আস্তে আস্তে সেই পরিবেশের সাথে নিজেকে অভ্যস্ত করতে হয় ।যখন কোন দেশে যুদ্ধ বাদে, তখন সেই দেশের সাধারণ জনগণ প্রাণ বাঁচানোর জন্য অন্য দেশে পালিয়ে যায় ।
তাদের অর্থ-সম্পদ ,ঘর-বাড়ি সবকিছু রেখে স্বর্ণার্থী এর মতো অন্য কোন দেশে আশ্রয় নেয় । সেই পরিবেশ পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে তাদের অনেক কষ্ট হয় , তারপর জীবন বাঁচানোর জন্য তারা সেই পরিবেশ পরিস্থিতি মেনে নেয় এবং নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে ।
Do you believe that a child requires the involvement of both parents equally to achieve optimal development? I invite you to share your perspectives on this matter |
|---|
হ্যাঁ আমি বিশ্বাস করি যে, একটি শিশুর সর্বোত্তম বিকাশের জন্য পিতা-মাতা অংশগ্রহণ সমানভাবে প্রয়োজন। আমরা সকলেই জানি, একটি পরিবার শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করে থাকে। মা যদি শিক্ষিত না হয় তারপরও শিশুর প্রথম শিক্ষক হলো মা ।তেমনি বাবা-মায়ের ভালো সম্পর্ক শিশুকে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে ।
পারিবারিক শিক্ষা হলো প্রতিটি শিশুর প্রধান শিক্ষা। আমি বিশ্বাস করি স্বামী যদি স্ত্রীকে ভালোবেসে একটি ফুল দেয় এবং সেটা যদি তার সন্তান দেখে তাহলে সে শিশুর ভেতরেও ভালোবাসার শ্রদ্ধা ভক্তি বেড়ে যায় ।বিপরীতে যদি সন্তান সবসময় দেখে বাবা-মায়ের ভেতর সর্বদা ঝগড়া,কলহ লেগে থাকে তবে সেই সন্তান রুক্ষ মেজাজের হয়ে থাকে।
সে বিপথে চলে যেতে পারে । কিন্তু অনেক শিশুর ক্ষেত্রে বাবা কিংবা মায়ের সাথে একত্রে থাকার সুযোগ থাকে না, সেই ক্ষেত্রে তাকেএকক পিতামাতার কাছে বড় হতে হয় ।একক পিতামাতার পক্ষে সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে ।যদি তার পরিবার তাকে সহযোগিতা করে তবে চলার পথ হতে পারে।
এত সুন্দর একটি বিষয় যা শুধু এই প্রশ্নের ভিতর সীমাবদ্ধ নয় ।এ সম্পর্কে লিখলে পোষ্ট আরো অনেক বড় হয়ে যাবে তাই এখানেই বিদায় নিচ্ছি । আমাদের বাস্তব জীবন অনেক কঠিন যেখানে বাবা-মা দুজন মিলে সন্তান প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়ে থাকেন , একক পিতা-মাতার ক্ষেত্রে তা আরো কঠিন হবে ।
সবাই ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন এবং পরিবারকে নিয়ে সুখে থাকবেন।



