ব্যস্ততার সাথে কিছুটা সময়
জীবনের তাগিদে আমাদের প্রতিটি মানুষকে পরিশ্রম করতে হয়, সেটা যে কোন ক্ষেত্রেই হোক।। একজন মানুষ যদি চাকরি করে তারও পরিশ্রম করতে হয় আর সেই পরিশ্রমের বিনিময় সে পারিশ্রমিক পেয়ে থাকে।। যদিও এখানে পরিশ্রমের কিছু পার্থক্য থাকে যারা চাকরি করে তাদের একরকম পরিশ্রম আর যারা মাঠে কাজ করে তাদের এক রকম পরিশ্রম।। কর্ম অনুযায়ী একেকজনের পরিশ্রম একেক রকম হয়ে থাকে আর এটাই স্বাভাবিক।।
![]() |
|---|
![]() |
|---|
বাবা ব্যস্ত থাকায় গতকালকে একটা জমিতে স্যার প্রয়োগ করার জন্য গিয়েছিলাম।। সকালে বাবা বলেছিল সেই জমিতে স্যার দিতে আর বাবার কথা মতোই চলে যাই সেই জমিতে স্যার প্রয়োগ করার জন্য।। বাসা থেকে অনেকটা দূরে তাই এক ছোট ভাইয়ের কাছে সাইকেল নিয়ে এসে স্যার নিয়ে চলে যায় সেখানে।। ভুট্টার গাছগুলো অতিরিক্ত বড় হওয়াই সার প্রয়োগ করতে বেশ ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।।
![]() |
|---|
ভেবেছিলাম আমার চাইতে গাছগুলো ছোট থাকবে, এতে স্যার প্রয়োগ করা অনেক সহজ হবে।। আসলে অনেকদিন হয় জমিতে যাওয়া হয় না, তাই বুঝতে পারিনি এত বড় হয়ে গেছে।। পরে আর কি করার অনেক কষ্ট করেই সারগুলো জমিতে ছিটিয়ে দিলাম। প্রায় ৪০ মিনিটের মত লেগেছে এখানে ৩০ শতাংশ বেশি জমে রয়েছে আর গাছগুলো বড় হওয়াই সময় কিছুটা বেশি লেগেছে।
![]() |
|---|
আর জমিতে স্যার দেওয়ার পর পানি দিতে হবে আর সেখানে পানি দেওয়া একটু ঝামেলার কাজ।। কারণ আশেপাশে বোটিং থাকলেও পানি দেয়ার মত তেমন ব্যবস্থা নেই।। কিছুটা দূরে একটা বাড়ি রয়েছে সেখান থেকেই মূলত পানি দিতে হয়।। কিন্তু তার একটু দূরেই এক ছোট ভাই দেখি পানি দিচ্ছে তাদের বাড়ি থেকে কারেন্ট নিয়ে এসে।। পরে আমি তাকে যেয়ে বললাম আমাদের জমিতে পানি দিতে।। সে আমাকে বলল ভাইয়া আমাদের জমিতে পানি দিতে অনেক সময় লাগবে তাছাড়া এটা আমরা অন্য জনের কাছ থেকে নিয়ে এসেছি তাই দেওয়া সম্ভব হবে না।।
![]() |
|---|
পরে আর কি করার তাকে বললাম ঠিক আছে।। পরে সেখান থেকে বাসায় চলে আসার জন্য রওনা দেই। আর বাসায় আসার পথে এক ছোট ভাইয়ের কিছু রাজহাঁস দেখতে পাই আর সেখান দিয়েই বাসায় আসতে হয়।। আমি যখন হাঁসগুলোর কাছ দিয়ে আসতেছিলাম তখন হাঁসগুলো আমার দিকে দৌড়ে আসে কামড় দেওয়ার জন্য আমি তো ভয় পেয়ে যাই।। পরে কিছুটা পিছিয়ে যায় আর সেই ভাইকে ডাক দেই। পরে সে এসে হাঁসগুলোর পাশে দাঁড়ায় আর আমি চলে আসি।।
আর হ্যাঁ মজার বিষয় হল তাকে কিছুই বলল না অথচ আমাকে কামড় দেয়ার জন্য দৌড়ে আসে।। প্রাণীরাও মানুষ চেনে তারা জানে সে তার মালিক। আর সব সময় খেতে দেয় তাই তাকে কিছু করা যাবে না।। আর আমি অপরিচিত মানুষ তাই আমার দিকে দৌড়ে আসে অদ্ভুত তাই না।। যাই হোক পরে সেখান থেকে আমি বাসায় চলে আসি আর এভাবেই ব্যস্ততার সাথে কিছুটা সময় অতিবাহিত করি।।





জীবনে প্রতিটি মুহূর্তেই পরিশ্রমের গুরুত্ব অনেক বেশি, এবং আপনার লেখায় সেটা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। আপনি যেভাবে মাঠে কাজ করতে গিয়ে যা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা খুবই বাস্তব। আমি মনে করি, মানুষের জীবনে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো পরিশ্রম এবং দুঃসাহসিকতার মধ্য দিয়ে সঠিকভাবে কাজ করা। লেখাটি শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলেছে, কিন্তু এটা আমাদের সকলের জন্যই একটি শিক্ষা, যে কোনো কাজের জন্য যখন পরিশ্রম করতে হয়, তখন তা সঠিকভাবে এবং একাগ্রতার সাথে করা উচিত। অনেক সময় আমাদের বুঝতে হয়, কোনো কাজকে সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু সেটা যদি সঠিকভাবে করতে না পারি, তাহলে সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমার কাছে মনে হয় বাবা কিংবা মা যদি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই সংসারে যেই থাকুক না কেন সংসারের কাজগুলো সঠিকভাবে গুছিয়ে নেয়াটা অনেক উত্তম আপনার বাবা যেহেতু কাজে ব্যস্ত ছিল তাই আপনার নিজের সার প্রয়োগ করার জন্য গিয়েছিলেন তবে আপনার চাইতে আপনার ভোটটা কাজগুলো অনেক বড় যেটা আপনার ফটোগ্রাফি দেখে বুঝতে পারলাম যাইহোক ব্যস্ততার মাঝেও আপনার কার্যক্রম আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।