"স্বাধীনতা দিবসের দিন বোনের বাড়িতে কাটানো খুব সুন্দর একটা সন্ধ্যার গল্প"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
এই মুহূর্তে আমি আছি আমার বোনের বাড়িতে। কিছুক্ষণ হলো ডিনার শেষ করে উঠলাম। বোনের মেয়ে কিছুতেই আমাদের ছেড়ে ঘুমাতে যাবে না। ওকে বোন একপ্রকার জোড় করেই রুমে নিয়ে গেলো ঘুম পাড়ানোর জন্য।
আগের একটা পোস্টে আপনাদের জানিয়েছিলাম যে, আমার বোনের বাড়িতে আজ রাতে আমাদের থাকার কথা ছিলো। আগামীকাল বাকি সকলেই আসছে। এতোক্ষণ সেই নিয়েই কথাবার্তা হলো। অবশেষে বোন মেয়েকে নিয়ে রুমে গেলো, আর আমরাও আমাদের রুমে এলাম। তারপর বসলাম পোস্ট লিখতে।
![]()
|
|---|
১২.২৪ মিনিটের ট্রেন ধরবো বলে, আজ বাড়ি থেকে বেরিয়েছি দুপুর ১২ নাগাদ। তার আগে ঘুম থেকে উঠে সকালের সব কাজ সম্পন্ন করে, স্নান সেরে পুজো দিয়ে নিয়েছিলাম। ব্রেকফাস্টের জন্য রুটি আর ছোলার ডাল করেছিলাম। এরপর তৈরি হয়ে, ব্রেকফাস্ট করেই স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
রাস্তায় যখন বেরোলাম বেশ ভালো রোদ্দুর ছিলো। টোটো বা ভ্যান না থাকায় আমরা হেঁটেই স্টেশনে পৌঁছালাম। সেখানে টিকিট কাটার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই ট্রেন এলো। মছলন্দপুর স্টেশনে নেমে আমরা একটা শপিং মলে গেলাম। আসলে আমার দুই বোনের মেয়ে ও ছেলের জন্য দুটো জামা কিনবো ঠিক করেছিলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
সেখানে পৌঁছে আগে উপরের সেকশনে বাচ্চাদের জামা পছন্দ করলাম। তখনই মনে পরলো যে, কয়েকদিন বাদেই আমার দিদির মেয়ের জন্মদিন। তাই ওর জন্যেও একটা ড্রেস পছন্দ করে কিনে নিলাম। এরপর নিচে এসে বিলিং কাউন্টারে বিল করলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তারপর পৌঁছালাম সেখানে,যেখানে আমার বোনের বাড়ি যাওয়ার জন্য অটো পাওয়া যায়। অটোতে কিছুক্ষণ আমাদের বসতে হয়েছিলো, কারণ লোক না হলে অটো ছাড়ে না। সেখানে বসে থাকাকালীন দেখলাম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে পতাকা উত্তোলন হয়েছে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ফটোতে মাল্য দান করা হয়েছে। অটোতে বসে সেই ছবি তুললাম।
![]()
|
|---|
কিছুক্ষণ পরে অটো ছেড়ে দিয়েছিলো। যে অটোতে শুভ উঠেছিলো আমিও সেটাতে উঠেই মাঝপথে নেমে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমার বোনের হাজব্যান্ড এসে নিয়ে গিয়েছিলো। সেই সময় বাইরে বেশ ভালো রোদ্দুর উঠেছিলো। যদিও আমাকে খুব বেশিক্ষণ দাঁড়াতে হয়নি। দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই বোনের হাজবেন্ড চলে এসেছিলো। তারপর সোজা চলে এলাম বোনের বাড়িতে।
ওরা আমার জন্যই অপেক্ষা করছিলো। কারণ একসাথে এসে দুপুরের খাবার খাবো এমনটাই কথা ছিলো। যাইহোক এরপর আমি এসে ফ্রেশ হলাম, একসাথে খেতে বসলাম। সেই মুহূর্তে সকলে গল্প করেছিলাম কিন্তু খাবারের কোনো ছবি তোলা হয়নি। বোনের মেয়ে আমাকে দেখে একটু লজ্জাই পাচ্ছিলো তবে এখন অনেকটাই মিশে গেছে।
![]()
|
|---|
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বোনের বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে, আজ বিকেলের দিকে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ থেকে একটা র্যালি বেরিয়েছিলো। সকলেই পতাকা নিয়ে লাইন ধরে এগিয়ে চলছিলো, বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে। আমরা বোনদের বাড়ির বারান্দাতে বসে সেটাই উপভোগ করলাম। তার সাথে একটা ছবিও তুললাম আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
![]()
|
|---|
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বোনের মেয়েকেও বোনের হাজবেন্ড পতাকা এবং টুপি কিনে দিয়েছে, যেটা পড়ে আমাকে দেখাচ্ছিলো।সেই মুহূর্তে আমি ওর ছবি তুলেছিলাম বলে বেশ খুশি হয়েছিলো। যেহেতু প্রথমবার দেখছে, তাই আমাদের সাথে মিশতে একটু সময় লাগবে জানতাম। তবে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি, বেশ কিছুক্ষণের মধ্যে আমার সাথে ভাব হয়ে গেছে এবং সন্ধ্যার পর থেকে বেশিরভাগ সময় সে আমার সাথেই কাটিয়েছে।
![]()
|
|---|
বোন অনেকগুলো ক্লিপ কিনে দিয়েছে, সেগুলো নিয়েই খেলাধুলা করছিলো। আমি চাইতেই আমাকেও দিতে গিয়েছিলো। এরপর ওকে অনেকগুলো ক্লিপ মাথায় পরিয়ে একটা ছবিও তুললাম। যে ছবিটা দেখে সে খুশি হয়েছিলো। একটু বাদে শুভ ফোন করলে, বোনের হাজব্যান্ড ওকে আনতে গেলো
![]()
|
|---|
সন্ধ্যার পর বোন একটা রুটি করে কিছুটা ছিঁড়ে ওকে খেতে দিয়েছিলো। যাতে খেলার ছলে একটু হলেও খেয়ে নেয়। কিন্তু সে এতটুকুও খেলো না। তাই বাটির মধ্যে রুটির টুকরো গুলো নিয়ে সেই রীতিমত চটকাচটকি করছিলো। আশাকরি ছবিটা দেখে আপনারাও বুঝতে পারবেন।
যাইহোক সন্ধ্যার পর থেকে অনেকটা সময় তার সাথে মজা করেই কাটলো। এরপর আমরাও নিজেদের মধ্যে কিছুক্ষণ গল্প করলাম। আর সবশেষে বোনের হাজব্যান্ড বাজারে গেলো, আগামীকালের বেশ কিছু জিনিস আনতে। তিনি ফিরে আসার পর ডিনার করলাম আমরা।
আর তারপর বোনেরা শুতে চলে গেলো, যেহেতু বোনের মেয়েকে ঘুম পাড়াতে আরও অনেকটা সময় যাবে, তাই ওরা আর দেরি করেনি। আমরাও আমাদের ঘরে আসলাম। শুভ ফোন দেখছে, আর আমি বসলাম পোস্ট লিখতে।
এইরকম ভাবেই আজকে একটা সুন্দর দুপুর কাটিয়েছি, যার কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনাদের কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন। ভালো থাকবেন।
শুভরাত্রি।
![]() |
|---|














