"পিয়ালীর বিয়ে: মন্ডপ সাজানো থেকে শুরু করে বিয়ের মুহূর্ত "
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আগের পোস্টে আপনাদের জানিয়েছিলাম পিয়ালীর বিয়ের অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত এখনও শেয়ার করার বাকি আছে। তাই আজকের পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করবো ওর বিয়ের আসর সাজানোর গল্প।
আজকালকার দিনে বেশিরভাগ মানুষই বিয়ের সকল দায়িত্ব অন্যের উপর দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে যায়। অন্যের উপর মানে বিভিন্ন ওয়েডিং প্ল্যানারের কথা বলছি। হিসাব করে দেখলে সঠিক ভাবে একটা বিয়ে সম্পন্ন করতে গেলে তাতে বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে।
বিয়ের রীতি পালন করার জন্য সমস্ত আয়োজন করা থেকে শুরু করে, খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা, প্যান্ডেল করা, আলাদা ভাবে বিয়ের মন্ডপ সাজানো, পাত্র/পাত্রীর বিভিন্ন মুহূর্তের ফটোগ্রাফি, বাদ্যকারের ব্যবস্থা ইত্যাদি আরও কত কি।
![]()
|
|---|
এতোকিছু পালন করতে গেলে টাকার পাশাপাশি লোকের ও প্রয়োজন। তবে বর্তমানে শুধু টাকা দিয়ে দিলেও অনেক ক্ষেত্রে কাজ মিটে যায়। কারন ওয়েডিং প্ল্যানারের দায়িত্বে যদি আপনি সমগ্ৰ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব দিয়ে দেন তাহলে অনেকটাই কাজ কমে যায়। তবে সত্যি বলতে শহরে এই ওয়েডিং প্ল্যানারের বিষয়টির প্রচলন থাকলেও, গ্ৰামে তার ছোঁয়া আজও পৌঁছায়নি।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তাই আজও গ্ৰামে কারোর বিয়ে হলে বাড়ির আত্মীয় স্বজন থেকে প্রতিবেশী কিছু মানুষের ডাক পরে। আলোচনার মাধ্যমে সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয় সকলের মধ্যে। আর সকলে আনন্দ সহকারে তার পালন ও করেন।
পিয়ালীর বিয়ের ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছিলো। ডেকোরেটরের লোকেরা যদিও বসার জায়গা গুলো সাজিয়ে দিয়েছিলো তবে, বিয়ের মন্ডপটা নিজেরাই সাজানো হয়েছিলো।
মন্ডপ সাজানোর জন্য ফুলের দায়িত্ব যার উপর ছিলো সে কিন্তু ঠিক ফুল নিয়ে এসেছিলো। তবে সেগুলো দিয়ে সুন্দর ভাবে বিয়ের মন্ডপ সাজানোর দায়িত্ব ছিলো আমাদের উপরে। যারা আগের দিন রাতে মেহেন্দির দায়িত্ব নিয়েছিলাম। পরদিন তারাই মন্ডপ সাজাবো ঠিক করেছিলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তাই গায়ে হলুদের পর্ব শেষ করে আমরা ওখানকার কাজ শুরু করেছিলাম। একসাথে অনেকে মিলে আমরা কাজটা বেশ আনন্দের সাথেই করেছিলাম। এমনকি তিতলি ও তাতান আমাদের সাথে হাত মিলিয়ে ছিলো। বাচ্চাদের বলেছিলাম গাঁদাফুল গুলো ছিঁড়ে আলাদা আলাদা প্যাকেটে। যেহেতু দুই রঙের ফুল ছিলো, তাই আলাদা না রাখলে ভালো সাজানো যেতো না।
![]()
|
|---|
যাইহোক এক এক করে সব ফুল দিয়ে সাজানো হয়ে যাওয়ার পর লাল রঙের গোলাপের পাপড়ি গুলোও সাজানো হয়েছিলো বিদ্ধির সময় বসানো ঘটের পাশে। পিয়ালীর চুলের গাজাড়া বানানোর জন্য যে গোলাপ ফুল আনা হয়েছিলো, সেখানকার কিছু পাপড়ি থেকে গিয়েছিলো। সেগুলোই ওখানে ব্যবহার করেছিলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
যাইহোক সেইসব পর্ব শেষ করে তিতলিদের নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। বিকালে বাড়িতেই কিছুটা সময় কাটালাম। সন্ধ্যার পর অর্থাৎ রাতের দিকে সকলে মিলে তৈরি হয়ে গেলাম। শুভ অফিস সেরে তারপর গিয়েছিলো। রাতে আবার ও ট্রেনে করে ফিরবে দিদিদের সাথেই এমনটাই কথা ছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তাই খাওয়া দাওয়ার পর্ব একটু আগেই সেরে নিয়েছিলাম আমরা। তাছাড়া ওদের বাড়িতে প্রচুর মানুষের নিমন্ত্রণ ছিলো, তাই মানুষের এতো ভীড় ছিলো যে, রাতের দিকে বিশেষ ছবি তুলতে পারিনি।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
বর আসতে অনেকটাই রাত হয়েছিলো। তাই তাড়াহুড়ো করে সকলেই বিয়ের রীতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। আমার ফোনে সেইসব কোনো মুহূর্ত তোলা হয়নি। পাশের বাড়ির সব বোনেরা কমবেশি ছবি তুলেছে। ওদের থেকেই কিছু ছবি ও ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপে নিয়েছিলাম। সেখান থেকেই কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
ওদের একসাথে দেখতে কেমন লাগলো জানাবেন। ওদের আগামী জীবন ভালো কাটুক সেই প্রার্থনা রইলো। বৌভাতে যাওয়ার মুহূর্ত আমাদের সাথে পরবর্তী পোস্টে শেয়ার করবো। ভালো থাকবেন সকলে। শুভরাত্রি।















Thank you for your support @adeljose Sir 🙏.