Better life with steem//The Diary Game// 18th May, 2026 "
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আজ ভাবলাম দিন যাপনের গল্প আপনাদের সাথে একটু শেয়ার করি। পাহাড় থেকে ফেরার পর থেকে শরীরটা খুব বেশি ভালো নেই। প্রচণ্ড গলা ব্যথা, ঠান্ডা লেগেছে ভীষণ রকম। পাহাড়ের দিকে বেশ ঠান্ডা ছিলো, সেখানে কয়েকদিন কাটিয়ে যখন আবার বাড়িতে ফিরলাম, কলকাতায় সেই প্রচন্ড গরম। যার কারণেই হয়তো ঠান্ডাটা লেগেছে।
গতকাল থেকে গলার ব্যথা আরও বেশি বেড়েছে।যাইহোক কিভাবে আজকের দিনটি আমার কাটলো সেটাই শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। চলুন তাহলে শুরু করি, -
|
|---|
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
আজকাল সকাল থেকেই রোদের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ইতিমধ্যে জৈষ্ঠ্য মাস শুরু হয়েছে। তাই এই মাসে গরম অত্যাধিক বেশি হবে এটাই খুব স্বাভাবিক। বৈশাখ মাসের শুরুর দিকে বেশ ঝড় বৃষ্টি হয়েছিলো, তবে গত বেশ কয়েকদিন যাবত বৃষ্টির কোনো দেখা নেই। যে কারণে গরমের মাত্রা আরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে, ফ্রেশ হয়ে প্রথমেই ছাদে গিয়ে ঠাকুরের পূজোর ফুলগুলো তুললাম। আজকাল আমাদের গাছে অনেক সাদা রঙের ফুল ফোটে। প্রায় এক সাজির মতন শুধু সাদা ফুল তুলেছি। তবে সাজিতে রেখে দিলে ফুলগুলো টাটকা থাকে না, তাই একটা প্লাস্টিকের মধ্যে সামান্য জলের ছিটা দিয়ে ফুলগুলো রেখে দিই, যাতে পুজো দেওয়ার সময় ফুল গুলো একেবারে টাটকা থাকে।
এরপর নিচে এসে অফিসে রান্না বসালাম। গরমের কারণে রাতে খুব একটা ভালো ঘুম না হলেও, ভোরের দিকে ঘুমটা যখন বেশ ভালো হয়, তখনই ফোনের অ্যালার্মে ঘুম থেকে উঠতে হয়।
![]()
|
|---|
যাইহোক একটু বাদে শুভর জন্য চা করে ওকেও ডেকে দিলাম। আজকাল অফিসে যাতায়াত করতে ওর ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। সারাটা দিন অফিসে কাটানো এই গরমের মধ্যে খুবই কঠিন বুঝতে পারি, তবে কর্ম না করে উপায় নেই। তাই হাজার কষ্ট হলেও অফিসে গিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করতেই হয়। এরপর রান্নাবান্না শেষ করে শুভ ব্রেকফাস্ট গুছিয়ে দিলাম। শুভ অফিসে চলে গেলে তারপর বেশ কিছু জামা কাপড় ভিজিয়ে দিলাম কাঁচার জন্য।
![]()
|
|---|
রোদ্দুরের তাপমাত্রা ততক্ষণে অনেক বেড়ে গিয়েছে। সকালবেলা গরমের জন্য নাকি অন্য কোনো কারণে কিছুই যেন খেতে ইচ্ছা করছিলো না। দুদিন আগে শাশুড়ি মা বাজার থেকে কাঁচা মিঠা আম এনে রেখেছিলেন, সেটাও খাওয়া হয়নি। আবার পাশের বাড়ির কাকিমা নিজেদের গাছের কয়েকটা জামরুল দিয়ে গিয়েছিলেন। কি জানি কি মনে হলো, আজ সকালে অন্য কোনো কিছু না খেয়ে, আম আর কয়েকটা জামরুল কেটে সেগুলো দিয়েই ব্রেকফাস্ট সারলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
দুপুর হতে না হতেই রৌদ্রের তাপমাত্রা আরও বাড়তে শুরু করলো। তাই তাড়াহুড়ো করে জামা কাপড় গুলো ধুয়ে ছাদে মেলে দিয়ে, আগে পুজো সেরে নিলাম। অনেক আগের কোনো একটা পোস্টে আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম, ঠাকুর ঘর উপরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এই গরমকালে উপরে বসে পূজা দেওয়া এক যুদ্ধের সমান। স্নান করে পুজো দিতে বসলে পূজার শেষে যেন মনে হয় আরও একবার স্নান করে নিয়েছি, এতোটাই ঘাম হয়।
![]()
|
|---|
পুজো সেরে নিচে এসে আগে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে নিলাম। কারণ সেই সময় খেতে বসা একেবারেই অসম্ভব ছিলো। তারপর শাশুড়ি মা স্নান করে এলে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া একসাথে শেষ করলাম। গতকাল রবিবার ছিলো, তাই চিকেন রান্না করেছিলাম। আমার জন্য আলাদা করে আজ আর কোনো কিছু রান্না করিনি। শুভর অফিসের জন্য রুই মাছ রান্না করেছিলাম সেটা দিয়ে শাশুড়ি মার হয়ে যাবে। বাকি ডাল, বেগুন ভাজা ও আলু ভাজাও ছিলো।সমস্ত কিছু দিয়ে লাঞ্চ সরার পর কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
সন্ধ্যাবেলায় গাছে আজকাল প্রতিদিন জল দিতে হয়। আজ ছাদে গিয়ে জামাকাপড় গুলো তুলে গাছে জল দিতে গিয়ে দেখি আকাশে কালো মেঘ। আশায় রইলাম আজ সন্ধ্যায় ভীষণ বৃষ্টি হবে। তবে পুজো দিতে দিতে একটু হাওয়া দিলো। আবহাওয়া একটু ঠাণ্ডা হলো বটে, তবে বৃষ্টির দেখা মিললো না।
শুভ অফিস থেকে ফিরে একই কথা বলছিল। মেঘ দেখে অফিসে বসে ওরা সকলেও আশা করেছিলো আজ খুব বৃষ্টি হবে।
|
|---|
অফিস থেকে ফিরে শুভ আর কিছু খায়নি। রাতেই একেবারে খেয়ে নেবে বললো। শুধু একটু শরবত খেয়েছিলো। আমিও তারপর বেশ কিছুক্ষন চুপচাপ শুয়ে ছিলাম। তারপর গরম জলে সামান্য লবন দিয়ে গারগেল করলাম গলা ব্যাথার কারনে।
রাতে আজকাল আমরা তিনজন একসাথেই খাওয়া দাওয়া করে নিই। আজও তাই করলাম। তারপর বেশ কিছুক্ষন কথা বললাম ননদের সাথে। আগামী রবিবার বাড়িতে শশুর মশাইয়ের উদ্দেশ্যে একটা অনুষ্ঠান করতে হবে। সেই বিষয়েই কিছু কথাবার্তা বলার ছিলো। সেইসব মিটিয়ে তারপর পোস্ট লিখতে বসলাম। এইভাবেই কাটলো আজকের দিনটা। এই গরমে সকলে একটু সাবধানে থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
শুভরাত্রি।










