"Better life with steem//The Diary Game// 27th January, 2026"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আমরা যতোই চেষ্টা করি না কেন, জীবনে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু কিছু অসহায়ত্ব আমাদের বুঝিয়ে দেয় সবকিছু আমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকবে, এটা ভেবে নেওয়াই সবথেকে বড়ো বোকামী।
তাই কখনো কখনো অনেক কিছু সত্যি মেনে নিতে কষ্ট হলেও, যেকোনো ভাবেই হোক আমরা সেগুলো মেনে নিয়ে জীবনে এগিয়ে চলি। আমার শশুর মশাইয়ের শারীরিক অবস্থা এখন ঠিক তেমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। যেখানে তার কষ্ট দূর করার ইচ্ছা থাকলেও, তার উপায় আর নেই।
যাইহোক ওনার শারীরিক অবস্থা নিয়ে অন্য একটা পোস্টে কথা বলবো। বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরে আজকের দিনটা কিভাবে কাটলো, আজ সেই কথাই শেয়ার করবো আপনাদের সাথে।
|
|---|
![]()
|
|---|
অনেকদিন বাদে গতকাল নিজের বাড়িতে ঘুমিয়েছি। আর আজ শুভর অফিস ছিলো, তাই বলার অপেক্ষা রাখে না যে, নির্দিষ্ট সময়েই ঘুম থেকে উঠতে হয়েছে। আজ বেশ রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া ছিলো। ফ্রেশ হয়ে নিচে এসে ,চা বানিয়ে উপরে নিয়ে গিয়ে আজ শুভর সাথে আমিও চায়ের কাপে চুমুক দিলাম।
![]()
|
|---|
অবশ্য শুধুমাত্র চা পান করাই উদ্দেশ্য ছিলো না, তার সাথে শ্বশুর মশাইয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়েও কিছু আলোচনাও করতে হয়েছিলো। যাইহোক এরপর নীচে এসে রান্না শেষ করলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
শুভ আজ অফিসে পরোটা নিয়ে যাবে বলেছিলো, তাই ওর জন্য পরোটা করার পাশাপাশি আমাদের সকলের জন্যেই বানিয়েছিলাম। আর সেটা দিয়েই ব্রেকফাস্ট করে নিয়েছিলাম।
![]()
|
|---|
শুভ অফিসে বেরিয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছু কাজ গোছালাম। যেহেতু প্রায় চার দিন বাদে বাড়িতে ফিরেছি, তাই প্রচুর কাজ জমে আছে। বেডশীট গতকাল রাতেই চেঞ্জ করেছিলাম, তাই সেগুলোই সবার প্রথমে ধুয়ে ছাদে মেলে দিলাম।
|
|---|
এরপর আরো টুকটাক কিছু কাজ বাকি ছিলো সেগুলো শেষ করতে করতে অনেকটাই বেলা হলো। তাই সবার প্রথমে স্থান সেরে ঠাকুর পুজো দিয়ে নিলাম। আজ সকালে ফুল তোলার কথা মনে না থাকায়, একেবারে স্নান সেরে তারপর ছাদ থেকে ফুল তুলে এনে পুজোয় বসলাম।
![]()
|
|---|
পুজো শেষ করার পর আমি শশুর মশাইকে খেতে দিলাম। কারণ শাশুড়ি মা তখনও স্নান করতে পারেননি। আসলে কয়েকদিন বাড়িতে না থাকলে এটাই হয়ে যায় সমস্যা, চারিদিকে সমস্ত কিছু অগোছালো হয়ে পড়ে থাকে, যা গুছিয়ে উঠতে ১ থেকে ২ দিন সময় লেগে যায়।
যাইহোক কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর শাশুড়ি মায়ের স্নান হলে আমরা দুজনে একসাথে লাঞ্চ শেষ করে বিশ্রাম করলাম। খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম আজ। আর মানসিক চিন্তায় আছি বলে রাতে ভালো ঘুম হচ্ছে না। তাই দুপুরবেলায় কখনো ঘুমিয়ে পড়েছি বুঝতে পারিনি। পরে উঠে একেবারে সন্ধ্যা দিয়ে নিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
শুভ অফিস থেকে ফিরতে আজ অনেকটাই লেট হয়েছে, কারণ অনেকদিন বাদে অফিসে গিয়ে কিছু পেন্ডিং কাজ ওকেও শেষ করতে হয়েছে। ফেরার পথে মোমো নিয়ে এসেছিলো।
আসলে দুদিন আগে মামা শ্বশুর বাড়িতে বসেই আমি মোমো খাওয়ার কথা বলেছিলাম। সেটা ওর মনে আছে ভেবে একটু অবাক হলাম। তাও ভাগ্যিস আজ এনেছে, কারণ আগামী তিন দিন আমি আর আমি কোনো আমিষ কিছু খাবো না কারণ পরশুদিন আমার একাদশীর উপবাস রয়েছে। কাল আমার সংযম, তাই নিরামিষ খাবার খাবো।
|
|---|
একটু বাদেই আমার দিদি ফোন করলো। আসলে দুপুরের দিকে আমি ওকে ফোন করেছিলাম, শশুর মশাইয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলার জন্য, সেই মুহূর্তে ও হয়তো ব্যস্ত ছিলো, তাই ফোন ধরতে পারেনি। পরে ওর সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বললাম।
![]()
|
|---|
একটু বাদে দেখলাম হোয়াটসঅ্যাপে একটা ছবি এলো। আমার দিদির মেয়ে তিতলি ছবিটি পাঠিয়েছে। কয়েকদিন আগে দিদি এই পিঠা করেছিলো, তখনকার তোলা ছবিটি আমাকে পাঠিয়েছে যাতে আমার দেখে লোভ হয় এবং আমি ওদের বাড়িতে যাই। বেশ কয়েকদিন হয়েছে যাওয়া হয়নি, তাই বিভিন্ন কৌশলে আমাকে ওর কাছে যেতে বলছে।
যাইহোক খেতে কেমন হয়েছে জানি না তবে পিঠেটা দেখতে কিন্তু বেশ ভালোই লাগছে। দিদি অবশ্য এটা ইউটিউব দেখেই বানিয়েছে।
যাইহোক ওর সাথে কথা বলা শেষ করার পর শশুর মশাইয়ের সুগার চেক করে দিয়ে আমি রুটি করতে গেলাম। গত দুইদিন ধরে খুব বেশি কিছু খেতে চাইছেন না। কিন্তু সুগার এতোটাই বেশি থাকছে যে, রুটি ছাড়া ওনাকে আর অন্য কিছু দিতে পারছি না। গতকাল অবশ্য রুটি খায়নি, চিড়ে খেয়েছিলেন।
যাইহোক এইভাবে আমার আজকের দিনটি কেটেছে। বিয়ে বাড়ির ঘোরার আনন্দের থেকেও বাড়িতে এসে সবকিছু গোছানো আরও অনেক বেশি কষ্টকর। আশা করি আপনাদের দিনটি ভালো কেটেছে। আগামী দিনগুলোও ভালো কাটুক, এই প্রার্থনা করে আজকের লেখা শেষ করছি।
ভালো থাকবেন সকলে। শুভরাত্রি।











Congratulations! This post has been voted through steemcurator08 We support quality posts, good comments anywhere and any tags.