Better life with steem//The Diary Game// 28th March, 2026"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটা অনেক ভালো কেটেছে।
গত কয়েকদিন যাবৎ ঠিক কি পরিস্থিতিতে দিন কাটছে, তা আর ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। কি অদ্ভুত মানবজীবন, কি অদ্ভুত সংসারের নিয়ম তাই না? হাজার মানসিক দুঃখ, কষ্ট, অশান্তি থাকা সত্ত্বেও রোজকার জীবন যাপন যেন অবিরাম চলতে থাকে। আর আমরাও তার সাথে তাল মেলাতে মেলাতে কাটিয়ে দিই সম্পূর্ণ জীবনটা।
এরই মাঝে কখনো কখনো খুশির মুহুর্ত পেলে আমরা জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকি। তবে হ্যাঁ খারাপ সময় যখন দীর্ঘমেয়াদী হয়, তখন যেন জীবনের প্রতি আমরা বিরক্ত হয়ে যাই। বর্তমানে আমি সেই বিরক্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই দিনযাপন করে চলেছি।
আজকের দিনটা আমার কেমন কাটলো, তারই কিছু মুহুর্ত আপনাদের সাথে আজ এই পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করবো। চলুন তাহলে শুরু করি, -
|
|---|
![]()
|
|---|
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই আজকাল মনটা ভীষণ খারাপ লাগে। কোনো কাজই যেন করতে ইচ্ছা করে না। মনে হয় আবার শুয়ে পড়ি। তবে তা করার কোনো উপায় নেই বলে, একপ্রকার জোর করেই বিছানা ছাড়ি। তারপর ফ্রেশ হয়ে ছাদের গাছের ফুল তুলে, ঠাকুরের শয়ন তুলে, তারপরেই নিচে নামি।
বেশ কয়েকদিন যাবত এই কাজটা করছি। ঘুম থেকে উঠে এসে সোজা রান্নাঘরে যেতে যেন আর মন চায় না। এই কারণে দিনের শুরুটা ফুল তোলার মাধ্যমেই করি। যাইহোক এরপর নিচে এসে প্রতিদিনের মতো শ্বশুর মশাইকে ওষুধ দিয়ে চা বসাই।
এরপর শুভর চা দিয়ে দিলাম। রান্না শেষ করে ব্রেকফাস্ট তৈরি করি। আগামীকাল আমার একাদশীর উপবাস আছে, তাই আজ আমি নিরামিষ খাই। সকালের দিকে শুভর জন্য অবশ্য আমিষ রান্নাই করেছিলাম। ব্রেকফাস্টে বাকি সকলে রুটি খেলো, আমি একটু জল আর মুড়ি খেয়েছিলাম। তারপর ঘরের কাজ শেষ করে, ঠাকুরের বাসন গুলো মেজে নিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
দুপুরবেলায় ননদ ও ননদের ছেলে আমাদের বাড়িতে আসবে বলেছিললো, তাই অল্প একটু চিকেন রান্না করতেই হতো। কারণ ননদের ছেলে চিকেন ও পনির ছাড়া আর কোনো কিছুই খেতে চায় না। শ্বশুরমশাইয়ের শরীরটা খারাপ থাকার কারণেই মূলত ননদ মতো দেখতে এসেছে।
আসলে বিয়ের পর সবারই পরিস্থিতি অনেকটা পরিবর্তন হয়ে যায়। তাই ইচ্ছা করলেও সব মেয়েদের ইচ্ছা মতো সবকিছু করা যায় না। তাই হয়তো মেয়েরা চাইলেও সব সময় এসে বাপের বাড়িতে থেকে নিজের বাবাকে দেখতে পারে না।
![]()
|
|---|
যাইহোক শাশুড়ি মা রান্নার দিক সামলাতে সামলাতে আমি পূজোর সম্পন্ন করে নিয়েছিলাম। তারপর নিচে দিয়ে চিকেনটা শুধু রান্না করেছিলাম। আজকে দুপুরবেলাতে নিজের জন্য আলু ভাজা ও বেগুন ভাজা করে নিয়েছিলাম। গরম ভাতের সাথে মাঝে মাঝে এইরকম ভাজা দিয়ে খেতে বেশ ভালোই লাগে।
যাইহোক খাওয়া দাওয়া শেষ করার পর সকলে মিলে গল্প করছিলাম। শ্বশুর মশাই মাঝে মধ্যে এমন উল্টোপাল্টা কথাবার্তা বলেন যে, তার কোনো মানে আমরা বুঝতে পারি না। আমরা ওনার শারীরিক অবস্থা নিয়েই মূলত কথা বলছিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
কথা বলতে বলতেই কখন দুপুর আর কখন সন্ধ্যা হয় তা বুঝে ওঠা মুশকিল। যাইহোক বিকেল বেলায় প্রতিদিন গাছে জল দেওয়া আমার বর্তমান রুটিনের আওতাভুক্ত, এ কথা বোধহয় আগের কোনো একটা পোস্টে আপনাদের জানিয়েছিলাম।
আজ বিকেলেও আকাশের মেঘ দেখে মনে হচ্ছিলো যেন বৃষ্টি হবে। কিন্তু গাছের গোড়া গুলো যেহেতু শুকিয়ে গিয়েছিলো, তাই বিকেল বেলায় নিয়ম করে জল দিয়েছিলাম। জল দেওয়ার কাজ শেষ করে, সন্ধ্যা হলে আমি একেবারে সন্ধ্যা পূজো দিয়ে, তারপর নিচে নেমে আবার সকলের সাথে গল্প করলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
আজ শনিবার ছিলো, তাই শুভ একটু সময়ের আগেই ফিরে ছিলো। ননদের ছেলের আবার ফুচকা ভীষণ প্রিয়। তাই শুভকে জানিয়েছিলাম যে, আসার সময় যদি ফুচকার দোকানে একটু ভিড় কম থাকে তাহলে যেন ফুচকা নিয়ে আসে। যে দোকান থেকে আমরা ফুচকা খাই, সেটা নিরামিষ দোকান। তাই সৌভাগ্যবশত আমিও কয়েকটা ফুচকা খেতে পারলাম।
সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছিলো, আর এর মধ্যে কতজন যে ফোন করেছে তার হিসেব নেই। সকলকে শ্বশুরমশাইয়ের শারীরিক অবস্থার কথা জানাতে জানাতে যেন মনে হয় আমি দিনের ভিতরে একই কথা কয়েকশো বার বলি। সকলের বিষয়টাও বুঝতে পারি, প্রত্যেকেই ওনার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে আছে তবে সত্যি কথা বলতে আমাদের অবস্থা গুলো কেউ বোঝার চেষ্টা করেনা এটাই হলো সমস্যা।
যাইহোক খাওয়া-দাওয়া সম্পন্ন করে ননদরা ফিরে গেলে, আমিও উপরে বসে পোস্ট লিখতে বসলাম। এইভাবে কেটেছে আজকের সারাটা দিন।
শুভরাত্রি।








Curated by: @pandora2010
Thank you for your support 🙏.