"Better life with steem//The Diary Game// 7th February, 2026"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলে আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
গতকাল আমার বান্ধবীর বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়িতে ফিরেছি। মাঝে এই তিন দিন বাড়িতে না থাকার ফলে যেন মনে হচ্ছে অনেকদিন বাদে বাড়িতে ফিরলাম। তাই আজ বাড়িতে ফিরে দিনটা কিভাবে কাটিয়েছি সেই গল্পই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। পিয়ালীর বিয়ের বাকি পর্বগুলো ধীরে ধীরে আপনাদের সাথে পরবর্তীতে শেয়ার করবো।
|
|---|
![]()
|
|---|
শুভর অফিস থাকার কারণে নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট সময়েই ঘুম ভাঙলো ফোনের অ্যালার্মের শব্দে। ঘুম থেকে উঠে বাইরে বেরিয়ে দেখলাম বেশ ভালো ঠান্ডা হাওয়া বইছে। যদিও ততক্ষণে ভালোই রোদ্দুর উঠে গিয়েছিলো, তবুও ভালোই ঠান্ডা লাগছিলো।
যাইহোক ফ্রেশ হয়ে নিচে এসে আমি চা বসালাম। শশুর মশাই অনেকক্ষণ আগেই উঠেছিলেন। আজকাল ওনার হাতের ব্যথাটা বেরেছে প্রচুর। চোখের সামনে প্রতিদিন ওনাকে ব্যথা সহ্য করতে দেখাটা যথেষ্ট কঠিন, কিন্তু কোনো কিছুই করার নেই বলে আমরা সকলেই বাধ্য হয়ে প্রতিদিন ওনার এই কষ্টটা চোখের সামনে দেখছি।
![]()
|
|---|
যাইহোক ওনাকে চা দিয়ে দিলাম, তারপর শুভর জন্য চা নিয়ে উপরে এসে ওকে ডেকে দিলাম। বর্তমানে আমাদের ছাদের গাছের ফুল গুলো দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগে। মোটামুটি সমস্ত গাছেই ফুল ফোঁটা রয়েছে। একদিন আপনাদের জন্য সব গাছের ছবি আরও একবার কোনো পোস্টে নিশ্চয়ই শেয়ার করবো।
যাইহোক অফিসের রান্না শেষ করালাম। শুভ বেড়িয়ে যাওয়ার পর নিজের কাজে হাত দিলাম। বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার কারণে প্রচুর জামা কাপড়ের এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে আছে সেগুলোই গোছগাছ করে রাখলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
ঘরের সকল কাজ গোছাতে অনেকটা দেরি হয়ে যাওয়াতে, ঠাকুর ঘরের কাজ শেষ করে স্নান করে আগে পুজো দিলাম। কাল ফেরার পথে গোপালের জন্য দুটো পাগড়ী কিনেছি।
![]()
|
|---|
আকাশী রঙের পাগড়ীটা দেখতে আমার বেশ ভালো লেগেছে। লালটাও মন্দ নয় তবে ওটার থেকেও আকাশটা বেশি পছন্দ হয়েছে আমার। আপনাদের কোনটা বেশি ভালো লাগছে, সেটা অবশ্যই জানাবেন।
![]()
|
|---|
পুজো দেওয়ার পর্ব শেষ করে শ্বশুর মশাইকে খেতে দিলাম। গতকাল রাতে আমার ননদের ছেলে এসেছিলো আমাদের বাড়িতে। আজকেও ছিলো। তাই দুপুরবেলার শ্বশুর মশাইয়ের পর আমি আর ও একসাথে খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম।
![]()
|
|---|
কারণ শাশুড়ি মা বাইরের একটু কাজ করছিলেন। ফলতো ওনার স্নান করতে আরও দেরি হতো। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বাকি কাজগুলো গুছিয়ে নিয়ে, কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
সন্ধ্যা বেলাতে শুভ আজ তাড়াতাড়ি ফিরলো, যেহেতু আজ শনিবার। রাতের দিকে সেমাই খাবে বলাতে সন্ধ্যা পুজো দেওয়ার পরেই সেমাই রান্না করলাম। কারণ সেমাই ঠান্ডা না হলে ও একেবারেই খেতে চায় না। মাঝখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটলো শ্বশুর মশাইয়ের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে।
তবে এই আলোচনার কোনো ফলাফল সত্যিই নেই। যাইহোক পরবর্তী ট্রিটমেন্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু ভাবা হয়নি। তবে ওনার ব্যাথা যে পরিমানে বাড়ছে, তাতে কতদিন সত্যিটা ওনার কাছে গোপন রাখা যাবে, এটাই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
|
|---|
রাতের দিকে বিশেষ কিছু কাজ ছিল না। তবে ফোনে অনেকের সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে হয়েছে। তাই সময় কোথা দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে পারিনি। দেখতে দেখতে রুটি বানানোর সময় হয়ে যাওয়ায় আমি নিচে গিয়ে রুটিও বানিয়ে নিলাম।
![]()
|
|---|
দুপুরের দিকে শাশুড়ি মা শাকআলু কেটে রেখেছিলো। তখন খেতে বলেছিলেন কিন্তু আর খাওয়া হয়নি। শাকআলু খেতে এখন ভালো লাগে না, কারণ শাকআলু দেখলেই পিকলুর কথা মনে পড়ে। ও খুবই ভালো খেতো এই শাকআলু।
ও মারা যাওয়ার পর শাকআলু খেতে একেবারেই ভালো লাগে না। তবে কাটা ছিলো, তাই দুই টুকরো আমি খেয়ে নিয়েছিলাম। এরপর সকলে একসাথে রাতের খাওয়া শেষ করে, পোস্ট লিখতে বসলাম।
এইভাবেই কেটেছে আমার আজকের দিনটি। আশাকরি আপনাদের সকলের দিনগুলো এইরকমই কর্মব্যস্ততা মাঝেও বেশ ভালো কেটেছে। আপনাদের সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকের লেখা শেষ করছি। ভালো থাকবেন সকলে। শুভরাত্রি।











Thank you for your support 🙏.