Incredible India monthly contest of December #1|Sometimes!
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আজ আমি অংশগ্রহণ করতে চলেছি আমাদের কমিউনিটি কর্তৃক আয়োজিত কন্টেস্টে, যার বিষয়বস্তুর সম্পর্কে অনেকেই নিজস্ব মতামত ইতিমধ্যে শেয়ার করেছেন। তবে যারা এখনও অংশগ্রহণ করেননি, তাদের জন্য "কনটেস্টের পোস্ট লিংক" আমি আরও একবার শেয়ার করলাম।
কনটেস্টে অংশগ্রহণের আজ শেষ দিন, তাই যারা অংশগ্রহণ করেননি, তাদের অনুরোধ করবো অংশগ্রহণ করার জন্য। কনটেস্টের নিয়ম অনুসারে আমিও আমার তিনজন বন্ধু @rasel72, @lirvic ও @nainaztengra কে আমন্ত্রণ জানাই। চলুন এবার আমি আমার নিজস্ব মতামত আপনাদের সাথে শেয়ার করি,-
|
|---|
উপরের এই প্রশ্নটি পড়ার পর বহু ভাবনা মনের মধ্যে এলো। কারণ কতবার যে এই শূন্যস্থান কত রকম উত্তর দিয়ে পূরণ করার চেষ্টা করেছি, তার হিসেব মেলানো কঠিন।
![]() |
|---|
সময় এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই শূন্যস্থানে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বসাতে ইচ্ছা হয়। তবে সবথেকে যে কথাটি এই শূন্যস্থানে সব সময় বসাতে চাই সেটি হলো ,-
◾ কখনো কখনো আমি ভাবি, যদি এমন হতো আমার মা আমাকে এতো তাড়াতাড়ি ছেড়ে না চলে যেতো, তাহলে হয়তো জীবনের বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন হতো। জীবন আরও সুন্দর, সহজ ও সাফল্যময় হতো।
◾আবার কখনো কখনো এমনটাও ভাবি যে,- এই জীবনে মেয়ে না হয়ে বোধহয় একটা ছেলে হিসেবে জন্মগ্রহণ করলে ভালো হতো। কারণ সমাজের বা পরিবারের যত বাধা, নিষেধ সবটাই মেয়েদের ওপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়। আর এইরকম বিধি নিষেধের মধ্যে থাকতে থাকতে কখন যেন মেয়েরা নিজেদের ভালো লাগার গুরুত্ব দিতে ভুলে যায়।
◾কখনো কখনো এটাও মনে হয়,-যদি সত্যিই সমাজে পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের গুরুত্ব বেড়ে যায়, তাহলে হয়তো পুরুষেরাও বুঝতে পারবে কারোর অধীনে থেকে আজীবন পার করাটা কতখানি কষ্টের।
Source |
|---|
◾আবার কখনো কখনো এমনটাও মনে হয় যে,- নারীদের মতোই পুরুষদেরও শারীরিক পরিবর্তনগুলো যদি হতো ভালো হতো। তাহলে প্রতি মাসে মেয়েদের মাসিক চক্রের সময় কতখানি কষ্ট হয়, কিংবা সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে নয় মাস তারা কত কষ্ট সহ্য করে, কত কষ্ট সয়ে সন্তানের জন্ম দেয়, সবটাই পুরুষ নিজের শরীর দিয়ে উপলব্ধি করতে পারতো। তাহলে হয়তো মেয়েদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতো।
|
|---|
খুব সত্য কথা বলতে এই শিক্ষা প্রদানের প্রয়োজন বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে আমি যেটা উপলব্ধি করি সেটা হলো, প্রত্যেকটি মানুষকে পুনরায় মানবিক শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন আছে।
◾আধুনিক যুগে কেন জানিনা আমার মনে হয় মানুষেরা হয়তো পুঁথিগত বিদ্যায় অনেকটা এগিয়েছে। প্রযুক্তিগত বিদ্যার ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রগতি হয়েছে অনেক, কিন্তু মানবিক দিক থেকে ধীরে ধীরে মানুষেরা পিছিয়ে পড়েছে অনেকখানি।
◾আর এই মানবিক শিক্ষা শুধুমাত্র শিশুদের শেখানোর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ সমাজে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিজেরাই অভিভাবকের সাথে অমানবিক ব্যবহার করেন, অথচ আশা করেন তাদের সন্তানেরা তাদের সাথে ভবিষ্যতে মানবিক আচরণ করবে। কিন্তু তারা এটা ভুলে যায় যে, তাদের শিশুরা তাদেরকে দেখেই বড় হচ্ছে। তাই এই বিষয়ে সচেতনতাও সব মানুষের মধ্যে পুনরায় তৈরি করার প্রয়োজন রয়েছে।
◾আধুনিক যুগে আমাদের জীবনযাপনের ক্ষেত্রে প্রায় সবকটি জায়গাতেই প্রযুক্তি দখল করে বসেছে। তবে একথাও সত্যিই এক শ্রেণীর মানুষ আজও রয়েছে, যারা প্রযুক্তিগত দিক থেকে আজও অনেকটা পিছিয়ে রয়েছেন। তাই আমরা যারা সামান্য কিছু জানি, তারা যদি সেই মানুষগুলোকে একটু সাহায্য করি, তাহলে হয়তো তাদের জীবন যাপন একটু সহজ হবে এবং সবসময় সব কাজে অন্যের ওপরে নির্ভরশীলতার প্রয়োজন হবে না।
◾সুস্বাস্থ্যের কথা আমরা প্রত্যেকেই ভাবি, তবে সুস্থ মানসিকতার কথা বললেই আমাদের মনে প্রথম যে ভাবনাটা আসে সেটি হল পাগল অথবা পাগলামির ভাবনা। তবে মানসিক দিক থেকে অসুস্থ থাকার মানেই কিন্তু সেই পাগল এমনটা ভাবাই সবথেকে বড়ো ভুল।
এই বিষয়টা অনেকের মধ্যেই জাগ্রত করার প্রয়োজন হয়েছে। শারীরিক সমস্যার মতন মানসিক কিছু সমস্যা মানুষের হতেই পারে, এটা খুবই সাধারণ একটি বিষয়। কিন্তু এই বিষয়টিকে সাধারণভাবে দেখা হয় না বলেই, বহু মানুষ নিজেদের মানসিক সমস্যা গুলোকে এড়িয়ে যায়, যার ফল খুবই খারাপ দিকে নিয়ে যায় তাদের।
তাই সর্বাগ্রে মানুষকে এটা বোঝানো প্রয়োজন যে, মানসিক অসুস্থতা কোনো আলাদা বিষয় নয়। শরীরের মতোই মানসিক সুস্থতার দিকেও আমাদের লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন রয়েছে।
|
|---|
![]() |
|---|
মানে আমি এটা বিশ্বাস করি যে কখনো কখনো এই শব্দটি আমাদের আত্মপ্রতিফলনের সুযোগ দিয়ে থাকে। সত্যি কথা বলতে যখন আমরা পুরনো দিনের কথা ভাবতে বসি, তখন এমন অনেক ঘটনা আমাদের মনে আসে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে যেটা নিয়ে আমরা আফসোস করি।
কখনো কখনো এমন মনে হয় কিছু কাজ যা আমাদের করা একেবারেই উচিত হয়নি, কিন্তু তখন সেটাই উপলব্ধি করতে পারিনি বলেই সেটা করে ফেলেছিলাম। অথচ সেটা সংশোধনের জন্য আমরা আর সেই সময়ে ফিরে যেতে পারবো না।
আবার কখনো কখনো এমনটাও মনে হয়, এমন কিছু কাজ আমার করা উচিত ছিলো যেটা করলে আমার বর্তমান সময় আরও সুন্দর ও উন্নত হতে পারতো। কিন্তু সেই সময় গিয়ে যেহেতু আমাদের আর কোনোটাই সঠিক করা সম্ভব নয়, তাই ভবিষ্যতে যেন আমরা সেই ভুলগুলো না করি এই বিষয়ে কিন্তু সচেতন হওয়ার সুযোগ দেয় এই কখনো কখনো শব্দটি।
তবে আমরা মানুষ, তাই কখনো কখনো আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। আবেগ কখনো কষ্ট হয়ে, কখনো রাগ হয়ে, বেরিয়ে আসে এবং সেই আবেগবশতই আমরা অনেক কিছু ভুল করে ফেলি।
তবে যদি কখনো আমরা সেগুলো নিয়ে ভেবে আত্মপ্রতিফলন করি, তাহলে ভবিষ্যতে সেগুলো করা থেকে নিজেদের বিরত রাখা সম্ভব, এটা আমি নিজেকে দিয়ে উপলব্ধি করতে পারি। তাই আমার কাছে সত্যিই এই কখনো কখনো শব্দটি আত্মউপলব্ধি বা আত্মপ্রতিফলনের একটা মাধ্যমে একথা বলা যেতেই পারে।
|
|---|
যাইহোক এই ছিলো আমার একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি, যেটা আমি প্রশ্নগুলোর উত্তরের মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনাদের আমার পোস্ট পড়ে কেমন লাগলো, সেটি অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের লেখা শেষ করছি। ভালো থাকবেন।





