Incredible India Monthly Contest of March #2: The highest time I watched a movie!
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে। আজ আমি অংশগ্রহণ করতে চলেছি আমাদের কমিউনিটিতে আয়োজিত মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহের কনটেস্টে।
আমাদের কমিউনিটিতে আয়োজিত প্রত্যেকটি কনটেস্টের বিষয়বস্তু অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। এই সপ্তাহের বিষয়বস্তুও ঠিক তেমনই। এখনও পর্যন্ত যারা এই কনটেস্টে অংশগ্রহণ করেননি তাদের জন্য লিংকটি আমি উপরে আরও একবার শেয়ার করেছি। আশাকরছি আপনারা প্রত্যেকেই এই কনটেস্টে অংশগ্রহণ করে বিনোদন সংক্রান্ত আপনাদের মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। কনটেস্টের নিয়মানুসারে আমি আমন্ত্রন জানাই @pinki.chak @lirvic ও @sualeha আমার তিন বন্ধুকে।
|
|---|
![]() |
|---|
সিনেমা দেখতে পছন্দ করে না এমন মানুষ বোধহয় এই পৃথিবীতে খুব কম আছে। হ্যাঁ এই কথা সত্যি যে এক জন মানুষ এক এক ধরনের সিনেমা দেখতে পছন্দ করে। ব্যক্তিগতভাবে যদি আমি আমার কথা বলি তাহলে আমিও সিনেমা দেখতে ভীষণ পছন্দ করি। বিভিন্ন বাংলা আর্ট ফিল্ম থেকে শুরু করে হিন্দি সিনেমা আমার পছন্দের তালিকায়। তবে দু একটা ইংরেজি সিনেমাও বেশ ভালো লেগেছে।
একেবারে ছোটবেলায় বাংলা কমার্শিয়াল মুভি দেখতে ভীষণ পছন্দ করতাম। তবে বড় হওয়ার সাথে সাথে এখন আর বাংলা কমার্শিয়াল মুভি খুব একটা পছন্দ হয় না। কারণ পুরনো দিনের সিনেমা গুলিতে অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয়ের পাশাপাশি, সিনেমার কাহিনী ও গানগুলো বেশ ভালো লাগতো। তবে আজকালকার দিনের অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয় হোক কিংবা সিনেমার কাহিনী অথবা গান কোনোটাই আমার বিশেষ পছন্দ হয় না। এই কারণে আর্ট ফিল্ম গুলোর দিকে আমার ঝোঁক বেশি।
যাইহোক সিনেমা দেখতে বরাবর পছন্দ করলেও যে সিনেমাটা এখনও পর্যন্ত আমি সবথেকে বেশি বার দেখেছি, সেই সিনেমার নাম নেওয়ার জন্য আমাকে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি। কারণ সবথেকে বেশি বার আমি দেখেছি "থ্রি ইডিয়টস" সিনেমাটি।
শুধু দেখেছি বললে ভুল হবে, এখনও পর্যন্ত যখন টিভিতে কিংবা ফোনে সিনেমাটির ছোট ছোট ক্লিপ দেখায়, আমি কিন্তু সেটাও স্কিপ করতে পারি না। এখনও সেই প্রথম দিনের মতন ততখানি আগ্রহ নিয়েই সিনেমাটা দেখি। আমার মনে হয় সিনেমাটার প্রতিটি সিন এবং ডায়লগ আমার মুখস্থ হয়ে গেছে। কিন্তু তবুও এই সিনেমাটির প্রতি আমার এক অদ্ভুত আকর্ষণ রয়েছে আজও।
![]() |
|---|
যেমন সিনেমার গল্প, তেমন অভিনয় আর তেমন শিক্ষনীয় এই সিনেমাটি আমার মনের খুব কাছাকাছি। আমির খানের অভিনয় আমার বেশ পছন্দের। আর এই সিনেমাটিতেও দারুন অভিনয় করেছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে তার দুই বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করছেন আর মাধবন ও শর্মন জোশী।
এই সিনেমাটিতে খুব সুন্দর একটা মেসেজ আছে, যেটা অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। যেখানে সন্তানদের পছন্দের বিষয় নিয়ে কেন পড়তে দেওয়া উচিত, আর সেটা না হলে পরিণতি কি হতে পারে। অন্যদিকে তিনজনের বন্ধুত্বের গল্প, যেখানে শেখা যায় প্রকৃত বন্ধুর জন্য কোনো কিছু করার ক্ষেত্রে দুবার ভাবতে হয় না।
এছাড়াও নিজে পড়াশোনা ভালবাসলে কি কি ভাবে পড়াশোনা করা যায় এবং অন্যকে নিচে নামানোর চেষ্টা না করে শুধুমাত্র নিজেকে উপরে ওঠানোর চেষ্টা করলে একদিন সফলতা অর্জিত হয়, এ বিষয়টিও সিনেমাটিতে খুব ভালোভাবে দেখানো হয়েছে। এই সবকিছুর পাশে একটা লাভ স্টোরিও দেখানো হয়েছে। তবে মূলত উপরোক্ত বিষয়গুলির জন্যই সিনেমাটা আমার অনেক বেশি ভালো লাগে।
|
|---|
![]() |
|---|
এই প্রশ্নটার উত্তর দিতে গিয়ে আমার মধ্যে একটা দ্বিধা কাজ করছে। অবশ্যই আর্ট হিসেবে সিনেমা গুরুত্বপূর্ণ, যেটা আমার মত আরও বহু মানুষের মনোরঞ্জন করে চলেছে বহু বছর ধরে। তবে খুব সত্যি কথা বলতে আজকালকার দিনের সিনেমার মধ্যে আমি তেমন কোনো সামাজিক বার্তা খুঁজে পাই না।
পুরনো দিনের সিনেমাগুলোর কাহিনী আমাদের জীবনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিফলন হিসেবেই দেখানো হতো। কাল্পনিক কিছু ঘটনা প্রতিটা সিনেমারই অংঐ কিন্তু তবুও তার মধ্যে বাস্তবতার ছোঁয়া থাকতো। তবে আজকালকার দিনের কিছু কিছু সিনেমায় সম্পূর্ণ অবাস্তব, অথচ সেগুলোও কিছু মানুষের মনোরঞ্জন করে চলেছে। মানুষ আজকাল অবাস্তব জিনিস দেখেও খুশি থাকছে, ফলতো সেই হিসেবে সিনেমা আজও যে মানুষের মধ্যে উত্তেজনা আনে একথা অস্বীকার করার জায়গা নেই।
![]() |
|---|
কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি আজকালকার সিনেমা দেখে খুব বেশি খুশি হই না। গান শুনতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। আজও যখন আমি গান শুনি তখন ফিরে ফিরে সেই পুরনো দিনের গানগুলিকেই শুনে থাকি। কারণ আধুনিক যুগের কোনো গানের কথাই তেমন হৃদয়স্পর্শী নয়।
তবে একথাও সত্যি যে অনেক খারাপের মধ্যেও আজও কিছু কিছু সিনেমা মনে দাগ কাটে। সেটা সিনেমার কাহিনী হোক, অথবা অভিনয়। তাই এই বিষয়টিকে আমি অস্বীকার করতে পারি না যে বর্তমানের জীবনযাত্রায় কখনো কখনো সিনেমা আমারও মনোরঞ্জন করে।
|
|---|
![]() |
|---|
কয়েক মাস আগে হলেও হয়তো এই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমাকে একবারও ভাবতে হতো না। কিন্তু সত্যি কথা বলতে বেশ কয়েকটা সিরিজ দেখার পর এখন এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া একটু হলেও কঠিন মনে হচ্ছে। তবে যদি তুলনা করতেই হয় তাহলে সিনেমা দেখাটাই আমি বেছে নেবো।
সিরিজ দেখতে ভালো লাগে না এমনটা নয়। তবে সিরিজ দেখার জন্য অনেকটা সময় ব্যয় হয় এবং সব থেকে যা অধৈর্যের তা হলো একটা এপিসোড শেষ হওয়ার পর পরবর্তী এপিসোডের জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়। অবশ্য এই অপেক্ষা করারও একটা আলাদা মজা আছে।
আমি যদিও বরাবর সিনেমা দেখাতেই বিশ্বাসী। কারণ যে কোনো ঘটনাই হোক তিন ঘন্টার মধ্যে আমরা তার পরিণতি জানতে পারি। কিন্তু সিরিজ এমন একটা জিনিস যেখানে প্রথম পর্বে হয়তো ঘটনার পরিণতি জানাই সম্ভব হয় না। কিন্তু হ্যাঁ বিভিন্ন ক্রাইম ও থ্রিলার সিরিজ দেখতেই আমার বেশি ভালো লাগে। কারণ শেষ পর্যন্ত কি হলো এটা জানার আগ্রহ মনের মধ্যে থেকেই যায়।
![]() |
|---|
সিনেমা ভালোলাগার আরও একটা কারণ হলো, হলে গিয়ে সিনেমা দেখা সম্ভব হয়। তবে সিরিজ দেখতে হলে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উপরে নির্ভর করতে হয়। সিনেমা হলে গিয়ে বড় পর্দায় এই সিরিজ গুলো দেখা সম্ভব হয় না, যেটা সিনেমার ক্ষেত্রে সম্ভব হয়। তবে বর্তমানে আমি এই দুটোই খুব এনজয় করি।
কারণ সিনেমা দেখার জন্য সিনেমা হলে যাওয়া খুব একটা হয়ে ওঠে না। তাই বলতে পারেন বাড়িতে টিভি অথবা মোবাইলই ভরসা। সুতরাং সিনেমা হোক কিংবা কোনো সিরিজ, সেটা অনায়াসেই দেখা যেতে পারে। তাই এই ক্ষেত্রে এই দুটোই আমার জন্য অন্তত উপভোগ্য একথা বলতে পারি।
|
|---|
যাইহোক এই ছিলো কনটেস্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কে আমার নিজস্ব মতামত, যা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনাদের মধ্যে কারা কারা এই সিনেমাটি দেখতে পছন্দ করেন, তা অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন। পাশাপাশি আপনাদের পছন্দের সিনেমা বা সিরিজ সম্পর্কেও জানার অপেক্ষায় রইলাম।
সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। শুভরাত্রি।
|
|---|







