"The March contest #1 by sduttaskitchen|Significance of Family!"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আজ আমি অংশগ্রহণ করতে চলেছি অ্যাডমিন ম্যাম কর্তৃক আয়োজিত মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহের কনটেস্ট। যদিও আজকে সারাটা দিন খুবই ব্যস্ততার মধ্যে পার হয়েছে, তবে পারিবারিক বিষয় সম্পর্কে নিজস্ব কিছু মতামত আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য, সমস্ত ক্লান্তিকে উপেক্ষা করে আজ এই কনটেস্টে অংশগ্রহণ করছি।
যেহেতু আজ এই কনটেস্টে অংশগ্রহণের একেবারে অন্তিম দিন। যারা এখনও পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেননি, সকলকে অনুরোধ করবো নিজস্ব মতামত শেয়ার করার জন্য। আর কনটেস্টের নিয়মানুসারে ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার তিনজন বন্ধু @lirvic, @pinki.chak ও @crismenia কে আমার জানালাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
"পরিবার" এই শব্দটি আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর এই শব্দটি শুনলেই আমাদের প্রত্যেকের চোখের সামনে এমন অনেক মানুষের মুখ ভেসে উঠে, যাদেরকে আমরা পরিবার বলে গণ্য করি।
তবে একটা পরিবারে সবথেকে মূখ্য ভূমিকায় থাকেন আমাদের বাবা ও মা। তার পাশাপাশি আরও বেশ কিছু সম্পর্ক পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হলেও, একটি সন্তানের জীবনের ভীত কিন্তু তৈরি হয় বাবা মায়ের হাত ধরেই।
একটা পরিবারে একটা শিশুর বেড়ে ওঠা কতখানি সুস্থ ও সুন্দর হবে সেটা কিন্তু শুধুমাত্র বাবা মায়ের দেওয়া শিক্ষার উপরেই নির্ভর করে এমনটা নয়, তাদের পাশাপাশি পরিবারের বাকি সদস্যদের ভূমিকাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
জন্মের পর থেকে একটা শিশু কেমন পরিবেশে বেড়ে উঠবে এই সম্পূর্ণ বিষয়টা বাবা-মায়ের উপরেই নির্ভর করে। কারন পরিবারের বাকি সম্পর্ক গুলোর সাথে পরিচিত হওয়ার আগে বাচ্চাদের পরিচিত হয় বাবা মায়ের সাথে। তাই একটা সন্তানের জন্য সঠিক পারিবারিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা সর্বাগ্রে তাদের কর্তব্য হওয়া উচিত।
|
|---|
![]()
|
|---|
বর্তমানে এমন অনেক পরিবার চোখে পড়ে যারা প্রয়োজনের তাগিদে হোক বা স্বচ্ছায় একক পরিবারে থাকতে বাধ্য হন বা পছন্দ করেন। এই কারণে একান্নবর্তী পরিবারের তুলনায় একক পরিবার আজকাল বেশি চোখে পড়ে।
একান্নবর্তী পরিবারের একটা শিশু ছোট থেকে বাবা মায়ের পাশাপাশি বাড়ির অন্যান্য অনেকের সাথে বড় হয়ে ওঠে। তাই মা বাবা ছাড়াও অন্যান্য সম্পর্কের ভালো মন্দের প্রভাব তাদের জীবনেও পরে।
তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি একক পরিবারে বিশ্বাসী নই। কারণ একান্নবর্তী পরিবারের বেড়ে ওঠা শিশুরা জীবনের সমস্ত সম্পর্কের মূল্যায়ন ভালোভাবে করতে পারে। বাড়ির বড়দের সাথে কি ব্যবহার করা উচিত, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্ক কিরকম হওয়া উচিত এবং নিজের থেকে বয়সে ছোটদের সাথে কিভাবে মেশা উচিত, এই সব কিছুই আলাদা করে একান্নবর্তী পরিবারের শেখানোর প্রয়োজন পড়ে না। সময়ের সাথে সাথে এবং পরিস্থিতির কারণে বাচ্চারা যেন সবটাই শিখে যায়। যে সুযোগ একক পরিবারে পাওয়া যায় না।
|
|---|
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
|
|---|
সুফল:-
একান্নবর্তী পরিবারে একটা বাচ্চা সকলের সাথে সুন্দর ভাবে বড় হয়ে ওঠে, ফলত শুধুমাত্র বাবা মায়ের উপর সুশিক্ষা দেওয়ার চাপ থাকে না। তখন সেটা সকলের কর্তব্য হয়ে ওঠে।
তাছাড়াও আর্থিক দায়িত্বের বিষয়টির ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য। অনেক সময় এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হঠাৎ কোনো কারনে আমাদের অনেক জায়গায় যেতে হয়, কিংবা শারীরিক ভাবে আমরা অসুস্থ হয়ে পরি। তখন সেখানে বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না, কিংবা বাচ্চাদের দেখাশোনা করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। তখন পরিবারের অন্যান্যদের উপরে ভরসা করে বাচ্চাকে রেখে যাওয়া যায় বা বাচ্চার দায়িত্ব তাদের উপর দেওয়া যায়।
কুফল:-
এর পাশাপাশি একটা খারাপ দিক হলো, অনেক সময় বাচ্চারা এমন কিছু অভ্যাস অন্যের থেকে আয়ত্ত করে ফেলে, যেটা হয়তো বাবা মায়েরা তাদের সন্তানকে শেখাতে ইচ্ছুক হন না।
|
|---|
কুফল:-
একক পরিবারের ক্ষেত্রে অসুবিধা বলতে আর্থিক, শারীরিক, সামাজিক সব দায়িত্ব শুধুমাত্র বাবা মাকেই নিতে হয়। তাই লড়াই সেক্ষেত্রে অনেক কঠিন হয়। কারন শিশুর প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা থেকে শুরু করে, তার অসুস্থতার জন্য যা আর্থিক খরচ হয় তার সবটাই বাবা মাকে বহন করতে হয়।
নিজেদের শারীরিক অসুস্থতায়ও বাচ্চার প্রয়োজনীয় সবকাজ করতে হবে নিজেদেরকেই। এছাড়াও সামাজিক দিক থেকে দেখতে গেলে একজন সুস্থ মানুষ কিংবা নাগরিক হিসেবে তার পরিবারের প্রতি বা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও শেখাতে হবে নিজেদেরকেই। যে কাজটা আজকের দিনে সবথেকে কঠিন বলেই আমি মনে করি।
সুফল:-
তবে একক পরিবারের ভালো দিক হলো বাচ্চার সব স্বভাব, ব্যবহার, অভ্যাস সম্পর্কে বাবা মা সবটা জানতে পারেন। কারন সেগুলো আড়াল করার সুযোগ বাচ্চারা খুব একটা পায় না।
|
|---|
কুফল:-
যদি বাবা মা উভয়ের কর্মরত থাকেন তাহলে সেই পরিবারের বাচ্চাদের শৈশব অসম্পূর্ণ থাকে বলে আমি বিশ্বাস করি। এমনকি এই একই কথা বাবা মায়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। বাবা মা হিসাবে তারাও তার বাচ্চার বেড়ে ওঠার মুহূর্ত গুলো উপভোগ করতে পারেন না। কারন শিশু থেকে বড় হয়ে ওঠার সময় এমন অনেক মুহূর্ত থাকে যা দেখার সুযোগ পরবর্তীতে তারা আর পান না।
সুফল:-
তবে বাবা মা দুজনেই চাকরি করলে আর্থিক দিক থেকে বাচ্চাদের কষ্ট ভোগ করতে হয় না। জীবনে অর্থের অভাবে অনেক সময় সন্তানের জন্য ভালো কিছুর সুযোগ, সেটা পড়াশোনা হোক বা আনুসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় বাদ দিতে অনেক বাবা মা বাধ্য হন।
তাছাড়া বাবা মায়ের উপর নির্ভর করে বড় হতে না হলে, একটা বাচ্চা বয়সের অনেক আগেই পরিনত হয়ে ওঠে। নিজের কাজ নিজেই শেখে এবং নিজে করতেই অভ্যস্ত হয়ে যায়। যেটা পরবর্তীতে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলে। আজকের দিনে সেটা সকলের হওয়া উচিত।
|
|---|
যাইহোক এই ছিলো বিষয়বস্তু সংক্রান্ত আমার ব্যক্তিগত মতামত। আপনাদের আমার লেখা পড়ে কেমন লাগলো, আর কোন কোন বিষয়ে আপনারাও আমার সাথে সহমত পোষণ করেন, তা মন্তব্যের মাধ্যমে অবশ্যই জানাবেন। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের লেখা শেষ করছি।
ভালো থাকবেন।
শুভরাত্রি







