বাড়িতে আবারও নতুন সদস্যের আগমন ।
অনেক দিন ধরে স্টিমিতে কোন লেখা হয় নাই আমার।বলতে গেলে লেখালেখির সাথে আমার সম্পর্ক পুরোপুরি বন্ধ। আসলে নিজেও খুব একটা সুস্থ না সেইসাথে কিছুদিন আগে কাজিনের মৃত্যু আমাকে অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়ে গেছে। কারন এই কাজিনের অসুস্থতার সময় অনেক চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু কিছুই করতে পারলাম না।হেরে গেলাম সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছের কাছে ।
এর মাঝে যোগ হয়েছে আরেক মধুর সমস্যা। যা আমার স্টিমিটের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করা হয়নি সময়ের অভাবে। আজকে সেটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি।
বেশ কিছুদিন আগে সকালবেলা রান্না করতে গিয়ে হঠাৎ করেই বাচ্চার কান্নার শব্দ পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিলো আমার পাশেই কান্না করতেছে।
আমি ভেবেছিলাম রাস্তার ওই পারে আমার বরাবর কোন বিল্ডিং এ হয়তো বিড়াল বাচ্চা তুলেছে।
কিন্তু রান্নার ফাঁকে ফাঁকে কিছুটা অবাক করছিলাম কারণ কান্নার শব্দ একটানা পাচ্ছিলাম। তখন ধরে নিয়েছিলাম যে হয়তো বা বিড়ালের বেশ কয়েকটা বাচ্চা হয়েছে তারাই কান্না করতেছে।রান্না প্রায় শেষের দিকে হঠাৎ কলিংবেলের শব্দ পেলাম এবং সেই সাথে কান্নার শব্দটা মনে হচ্ছিল যে আমার বাসার গেটের সামনে থেকেই আসতেছে।
কিছু না বুঝেই দরজার দিকে এগিয়ে গেলাম খোলার জন্য। দেখলাম আমার আগে আগে আমার আরেক বিড়াল দৌড়ে যাচ্ছে দরজার
দিকে। দরজা খোলার আগে ওর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ও কিছুটা বোকার মত দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে দরজার দিকে।
পরে মনে হয়েছিল যে হয়তো আমিও বোকার মতই তাকিয়ে ছিলাম দরজা খোলার সময়ে।
আপনারা চোখ খুলে দেখি ছেলে ক্লাস শেষ করে এসেছে আর ওর কোলে একদম ছোট্ট একটি বিড়ালের বাচ্চা।
ওকে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই আমাকে বলল যে পরে কথা বলো, আগে গরম পানি করো। ওর শরীরে অনেক কাঁদায় আমি নিজেও মেখে গেছি।
দ্রুত পানি কুসুম গরম করে নিয়ে আসলাম। এঞ্জেল কখনো আগে বিড়াল দেখে নাই তাই ওর রিয়াকশন ছিলো দেখার মতো।
পুরো শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো এমনকি লেজের লোমসহ। সেইসাথে আমরা অবাক হয়ে ওর হিংস্রতা খেয়াল করলাম, যা কখনো আগে ওর মাঝে দেখতে পাই নাই।
পরে মনে হলো যে ওতো ছেলে বিড়াল। আর ছেলে বিড়াল বাচচাদের মেরে ফেলে। আমার নিজের ছোট বেলায় একটা ছেলে বিড়াল ছিলো । সে তার সব ভাই-বোনদের মেরে ফেলতো।
তাই ছোট ছেলেকে বললাম যে, ওকে যেন অন্য রুমে ঢুকিয়ে রাখতে । তখন বুঝতে পারি নাই যে, সেদিন আমাদের মাঝে যে যুদ্ধ শুরু হলো সেটা এত দীর্ঘস্থায়ী হবে। এখনো সেই যুদ্ধ চলমান। যদিও যুদ্ধের ধরন পাল্টেছে।
কি পাল্টেছে সেই কাহিনি পরে জানাবো। আপাতত এরপর কি হলো সেটাই বলছি। গরম পানি দেয়ার পরে ছেলেই ওকে নিয়ে ওয়াশরুমে গেল ওকে গোসল করিয়ে দেয়ার জন্য।
বিড়ালকে গোসল করানোর চাইতে হয়তোবা যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করা সহজ। কারণ বিড়ালেরা পানিকে বলতে গেলে একরকম ঘৃনাই করে।
লেখাটা বড় হয়ে যাচ্ছে তাই এরপর কি হলো সেই পরের পোষ্টে লিখবো।
◦•●◉✿ Thanks Everyone ✿◉●•◦
◦•●◉✿ Thanks Everyone ✿◉●•◦




@sduttaskitchen,
thank you so much ma'am.