পিসির বাড়ি যাওয়া

in Incredible India13 hours ago (edited)

প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন, তাই তো! আজকে আমাদের বাড়িতে পিসিদের আসা এবং পিসির বাড়িতে আমাদের যাওয়া নিয়ে শেয়ার করব ।

পিসির বাড়ি বেশ কয়েক মাস আগে গিয়েছিলাম। পিসিরা এসেছিল আমাদের বাড়িতে একটি বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে।

1000472302.jpg

পিসি, পিসেমশাই বৌভাতের পরের দিনই চলে যেতে বাধ্য হয়, কারণ পিসেমশায়ের প্রচন্ড কাজের প্রেসার ছিল। কিন্তু ঈশা দিদি বেশ কয়েক দিনই ছিল আমাদের বাড়িতে। ঈশা দিদি বাড়ি থেকে ভেবেই এসেছিল যে আমাকে আর বুনুকে এবং ঠাম্মাকে নিয়ে যাবে । একদিকে বুনুও মাধ্যমিক দিয়ে বাড়িতেই বসে ছিল। অন্যদিকে সেই সময় আমার এক্সাম চলছিল। পরে আমার এক্সাম শেষ হলে ঈশা দিদির সাথে যাবো বলে ঠিক করলাম। অবশেষে এক্সাম শেষ হওয়ার দিনটি আসলো। আমার আর একটি বুনুরও এক্সাম শেষ হলো আমার সাথেই। সে আমার কাকার মেয়ে। তখন সেও যেতে চাইলো পিসির বাড়ি। পিসির বাড়ি বলে কথা যেতে তো চাইবেই। পিসির বাড়ির মজাই আলাদা। ইতিমধ্যেই ট্রেনের টিকিট কাটা কমপ্লিট।

1000458215.jpg

পরের দিন হতেই আমরা সবাই সকাল থেকে রেডি হতে শুরু করেছি, অনেকটাই দূর 320 কিলোমিটার, জায়গাটা ছিল কৃষ্ণনগর। আগের দিন রাতেই ব্যাগ গুছিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের ট্রেন ছিল গাজোল থেকে 3:42pm। গাজোল মালদা জেলায় অবস্থিত। আমরা বাড়ি থেকে দুপুর 1:30 টার দিকেই বেরিয়ে পড়েছিলাম কারণ আমাদের প্রথমে বাস এ যেতে হবে....। বাস থেকে নেমে টোটো করে স্টেশনে পৌঁছালাম। তারপর সেখানে অনেকক্ষণই বসে থাকতে হয়েছিল, কারণ আমরা তাড়াতাড়ি পৌঁছে গিয়েছিলাম। ট্রেনের ব্যাপার তাই তাড়াতাড়ি স্টেশনে পৌঁছানোই ভালো।

1000472354.jpg

তারপর ট্রেন আসলো, আমাদের D1 বগিতে সিট ছিল। আমাদের ট্রেনে ঠিকমতো উঠিয়ে দেওয়ার জন্য একজন কাকা এসেছিল। কাকা ঠিক মতো উঠিয়ে দিয়ে আমাদের bye bye করলো। তারপরেই ট্রেন ছেড়ে দিলো....।

1000429251.jpg

ট্রেনে ওঠার আগেই আমরা প্রচুর খাবার কিনে নিয়েছিলাম। অনেকক্ষণ জার্নি করতে হবে... খিদেও পেয়ে যাবে তাই আর কি। আমি জানালার পাশে বসেছিলাম, বাইরের চারিপাশ সঠিকভাবে উপভোগ করার জন্য। চলমান ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে কতই না সুন্দর লাগে! আর জালানা দিয়ে হাওয়া! উফ সেরা... ! কিন্তু ধুলোও আসে।

1000472360.jpg

এবার ধীরে ধীরে আমাদের খিদে পেয়ে যায়, তারপর সেই কেনা খাবার গুলো বের করে মাঝে মাঝে খেতে থাকি। সেগুলো খেয়ে আমাদের মন না ভরায় আমরা ট্রেনে উঠা ঝাল-মুড়িওয়ালার থেকে ঝালমুড়ি কিনে খাই। এইভাবেই বাইরের দৃশ্য উপভোগ করতে করতে রাত প্রায় 9 টার সময় নবদ্বীপ স্টেশনে পৌঁছে যাই। সেখানে পিসেমশাই তার পার্সোনাল গাড়ি নিয়ে নিতে আসে। তারপর আর কি! গাড়ি করে পৌঁছে গেলাম পিসিরবাড়ি, কি মজা।
আজ এখানেই শেষ করছি.... সবাই ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ।

Coin Marketplace

STEEM 0.06
TRX 0.32
JST 0.059
BTC 66876.66
ETH 2023.57
USDT 1.00
SBD 0.49