রোদ ঝলমলে দুপুর
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আজ আমি শেয়ার করব রোদ ঝলমলে দুপুরের ফটোগ্রাফি নিয়ে।
এই গল্পটি বেশ কয়েক মাস আগের গল্প..... তখন আমাদের নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছিল আর সেখানে তখন রাজমিস্ত্রিরা কাজ করছিল। আগের কোনো এক পোস্টে আমাদের নতুন বাড়ির কথা বলেছি।
সেদিন দুপুরবেলা আমি আর বুনু মিলে গিয়েছিলাম সেই নতুন বাড়িতে। খুব সম্ভবত সেদিন রাজমিস্ত্রীদের চা দিতেই গিয়েছিলাম সাইকেল নিয়ে। বুনু চালাচ্ছিল আর আমি পেছনে বসে চায়ের কেটলি আর কাপ ধরে ছিলাম। তখন আমাদের বাড়ির মেঝের কাজ হচ্ছিল। ছাদ কিন্তু কমপ্লিট হয়ে গিয়েছিল। বাড়ির সদ্য নতুন ছাদ হয়েছে। তাই নতুন বাড়িতে গেলেই আগে একবার হলেও ছাদে উঠতামই। নতুন নতুন ছাদ হয়েছে বেশ মজা লাগে উঠতে। সেই দিনও ঠিক আমরা ছাদে উঠেছিলাম। সেদিন প্রচণ্ড রোদ ছিল একদম মাথার উপরে সূর্য। তা সত্ত্বেও উঠেছিলাম ওই যে বললাম প্রথম ছাদ হয়েছে ওখানে গেলেই উঠতে ইচ্ছে করে।
উঠেই আমরা আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি কি অপূর্ব সুন্দর আকাশ দেখা যাচ্ছে। মেঘগুলো ভেসে যাচ্ছে, কোনো মেঘ দূরে আবার কোনো মেঘ কাছে। কাছের মেঘগুলো দেখে মনে হচ্ছে আর একটু উঁচু ছাদ হলেই ছোঁয়া যেত। কিন্তু বাস্তবে তা সত্যি না। মেঘ গুলো দেখে মনে হচ্ছিল তাকিয়েই থাকি। কী সুন্দর ভেসে ভেসে যাচ্ছে....।
ছোট বেলায় আমি বারান্দায় শুয়ে শুয়ে মেঘ ভেসে যাওয়া দেখতাম। এখন আর তেমনভাবে দেখা হয় না, বড় হয়ে গিয়েছি, সময়েরও অভাব বলা যায়।
যাইহোক, মেঘগুলো দেখে নিজেকে আটকে রাখতে পারলাম না, বুনুকে বললাম মেঘের সাথে আমার কয়েকটা ছবি তুলে দে.... বুনু বলল ঠিক আছে।
আমি আমার চুলগুলো হাত দিয়ে উপরের দিকে দিচ্ছিলাম আর বুনু সেই সময়ই ছবি ক্যাপচার করেছিল।
ছবিটি ঠিক এরকম এসেছে। কী সুন্দর তাই না! মনে হচ্ছে চুলগুলো মেঘগুলোকে পেঁচিয়ে ধরছে।
তবে এটা একবার ক্যাপচারেই উঠেনি, অনেকবার ক্যাপচার করার পর পারফেক্ট এসেছে।
ছাদে যেমন রোদ ছিল ঠিক তেমনি হাওয়াও ছিল। তাই খুব একটা গরম অনুভব হয়নি। আমরা বেশ অনেকক্ষণ সময় নিয়ে ছবি গুলো তুলে নেই। খুব একটা গরম না লাগলেও ঘেমে যাচ্ছিলাম। দিনটি বেশ রোদ ঝলমলে ছিল।
তারপর আমরা বাড়ি ফিরে আসি। ছবি গুলো দেখে মন টাও ভালো হয়ে গিয়েছিল।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। কেমন লাগলো ছবিগুলো তা জানাতে ভুলবেন না। আশা করছি ভালো লেগেছে। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।




