অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে ঈশা দিদির পাঠানো গিফটস
নমস্কার বন্ধুরা। আশা করি এই গরমে সবাই সুস্থ আছেন। আমিও সুস্থ এবং ভালো আছি। আজ আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আজকের গল্পের বিষয় হল- অক্ষয়তৃতীয়া উপলক্ষ্যে ঈশা দিদির পাঠানো গিফটস।
আমরা সবাই জানি অক্ষয় তৃতীয়ায় প্রায় প্রতিটি দোকানে পুজো হয়। অক্ষয় তৃতীয়া একটি বিশেষ শুভ দিন। এই দিনে মানুষ তাদের শুভ কাজ করে থাকে। ঈশা দিদিদের দোকানেও সেই উপলক্ষ্যে পুজো হয়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নেই তারপর টিউশন পড়ানো ছিল। টিউশন পড়িয়ে খাওয়া দাওয়া করে নেই। সেদিন প্রচণ্ড গরম ছিল। কদিন হলেই খুব বেশি গরম হচ্ছে, বৃষ্টির তো কোনো খবরই নেই। প্রচণ্ড গরমের জন্য পান্তাভাত খেয়ে নেই। আমার পান্তাভাত খেতে বেশ ভালো লাগে আর গরমের দিনে পান্তা খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে।
তারপর আমি আর মা মিলে দুপুরবেলায় বসে গল্প করছিলাম। তখনই ঈশা দিদি কল করে এবং লোকেশন শেয়ার করতে বলে। আমি প্রথমে ভাবলাম এমনি হয়তো। তারপর ঈশান, মানে ঈশা দিদির ভাই, আমারও ভাই হয় সে বলল অক্ষয় তৃতীয়ার প্রসাদ খাবি! পাঠিয়েছি, আজকেই পৌঁছে যাবে। আমি ভাবছি কৃষ্ণনগর থেকে একদিনে প্রসাদ কীভাবে আসবে! তারপর ভাইকে জিজ্ঞেস করেই বসলাম পুজো তো আজকেই হলো, একদিনে কীভাবে প্রসাদ আসবে?
তখন ভাই বলছে কালকে পাঠিয়েছি আজকে পৌঁছে যাবে। তারপর আমি বললাম পুজো তো আজকে হলো তাহলে প্রসাদ কীভাবে কালকে পাঠানো হলো!
রীতিমতো আমি তখন কনফিউজড। সব কথা কেমন যেন গোলমেলে। তারপর ঈশা দিদি বলল কী কী খাবি বল...! সেই সময় বুনু রায়গঞ্জ থেকে টিউশন পড়ে বাড়িতে আসলো। তারপর আমি বুনুকে বললাম ঈশা দিদি জিজ্ঞেস করছে কী কী খাবি! বল.... কিন্তু বুনু বিশ্বাসই করতে চাইছিল না। তারপর বলল আইস ক্রিম আর চকলেট। সেই মতো ঈশা দিদি অর্ডার দিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পর আমাকে বলছে তোর মোবাইলে একটা মেসেস যাবে। আর কল করলে ঠিকানা বলে দিস। তারপর কিছুক্ষণ পর মেসেস আসে। তখন আমি বুঝতে পারি Jiomart থেকে অর্ডার করেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই Jiomart থেকে কল আসে এবং আমি রিসিপ করি ও ঠিকানা বলি। তারপর ওটিপি চাইলো, ওটিপি দিয়ে অর্ডারগুলি নিয়ে নিলাম। বাড়িতে এসে প্যাকেটটি খুললাম দেখলাম আইসক্রিম আর Orion ChocoPie।
তারপর ঈশা দিদিকে কল করলাম বললাম অর্ডারগুলো চলে এসেছে, মা পাশ থেকে জিজ্ঞেস করছিল কী উপলক্ষ্যে পাঠানো হলো! তখন ঈশা দিদি বলল অক্ষয় তৃতীয়ার জন্য Jiomart থেকে লাড্ডু তো পাঠাতে পারব না তাই এগুলো পাঠালাম। তারপর আমরা আইস ক্রিম খেয়ে নেই। এই গরমে আইস ক্রিমের সত্যিই খুব দরকার ছিল। আর ঈশা দিদির পাঠানো খাওয়ার গুলো পেয়ে বেশ খুশি হয়েছিলাম আমি আর বুনু। আর জিফটস পেতে কার না ভালো লাগে!
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। সবাই ভালো থাকবেন এই গরমে নিজেদের খেয়াল রাখবেন। ধন্যবাদ।




Curated by: @jyoti-thelight