বিয়েবাড়ির ২য় (শেষ) পর্ব - বৌভাত
নমস্কার বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কাকার বৌভাত নিয়ে।
আগের পোস্টেই বিয়ের কথা শেয়ার করেছি, আজ বৌভাতের অনুষ্ঠান নিয়ে শেয়ার করব। বৌভাতের দিনও আমার এক্সাম ছিল আর সেটাই ছিল আমার শেষ থিওরি এক্সাম। এক্সাম দিয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় তিনটে বাজে। বাড়িতে এসে খাওয়া দাওয়া করলাম। কিন্তু রেস্ট নেওয়ার সময় পাইনি, কারণ বৌভাতে যাওয়ার জন্য সাজতে হবে। তাছাড়া বৌভাতে যে আমরা শাড়ি পড়বো সেটা আগে থেকে ঠিক করা ছিল না, তাই শাড়ি পছন্দ করতেই অনেক সময় চলে যায়। যেহেতু আমরা শাড়ি পড়বো তাই আর দেরি না করে সাজতে শুরু করলাম সবাই।সবাই বলতে আমি, বুনু, ঈশা দিদি, মা, পিসি।
প্রথমেই আমরা মেকআপ করতে বসে পড়ি। পাশের বাড়ির একটি দিদি খুব ভালো শাড়ি পড়ায়। সেই দিদিকেই বলেছিলাম শাড়ি পড়িয়ে দিতে। সন্ধ্যে হতেই দিদি চলে আসলো শাড়ি পড়াতে, এক-এক করে শাড়ি পড়তে শুরু করি। প্রথমে ঈশা দিদি, তারপর আমি, মা, পিসি। এভাবেই মেকআপ এবং শাড়ি পড়া কমপ্লিট। এবার জুয়েলারি পড়লেই আমরা প্রায় রেডি। আমার জুয়েলারি ঠিক মত পছন্দ না হওয়ায় বেশ দেরি হচ্ছিল। তাই মা এবং পিসি বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে পরে। তারপর আমরাও মন মতো জুয়েলারি পড়ে রেডি হয়ে যাই। তারপর বেরিয়ে পড়ি..... বিয়ে বাড়িতে যেতেই প্রথমে ডিজে এর জায়গাটা চোখে পরে, বেশ অনেক লাইট আর নাচার জন্য পারফেক্ট।
তারপর বিয়েবাড়ির ভেতরে প্রবেশ করি। ভেতরটাও অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে। বউ দেখলাম, বউ আমার সম্পর্কে কাকিমনি হবে। কাকিমনিকে দেখে খাওয়ার জায়গায় আসলাম সেখানে ফুচকা,কফি এবং পানের ব্যবস্থা করেছিল। ফুচকা তো মেয়েদের ফেভারিট, কিন্তু তাও আমি খাইনি। খেতে ইচ্ছে করছিল না, এসিডিটি হয়েছিল মনে হয়।
তারপরেই দেখা হয়ে যায় আমার কিছু স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে। তাদের সাথে অনেক ছবি তুললাম, গল্প করলাম। আরও অনেক রিলেটিভসের সাথে দেখা হলো, কথা হলো বেশ ভালো লাগলো। তারপর ডিজের ওখানে আমিও বেশ কয়েকটা ছবি তুললাম।
এবার খাওয়ার পালা, প্রচুর মানুষ নিমন্ত্রিত থাকায় খাওয়ার প্যান্ডেলে প্রচন্ড ভিড় ছিল। ভিড় অতিক্রম করে আমরা খাওয়ার প্যান্ডেলে বসে পড়ি খাওয়ার জন্য। সেখানেও কিছু ছবি তুলে নেই। তারপর খাবার দিতে শুরু করলো। খাওয়া দাওয়া করে বাড়ির ভেতরে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম। সবার সাথে গল্প করলাম। গল্প করতে করতে প্রায় রাত ১২ টা বেজে যায়। তারপর আমরা বাড়ি ফিরে আসি। এভাবেই আমরা বৌভাতের অনুষ্ঠান উপভোগ করলাম।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। ধন্যবাদ।



