ক্রিয়েটিভ রাইটিং || জীবন্ত ছবি
আমার বাংলা ব্লগ
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সকলে খুব ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আসলাম। আজকে আপনাদের মাঝে আমি একটি ক্রিয়েটিভ রাইটিং পোস্ট শেয়ার করবো। আজকে আপনাদের সাথে ভবিষ্যতের শহর শেয়ার করবো। পূর্ববর্তী সময়ে আমি আপনাদের মাঝে ক্রিয়েটিভ রাইটিং শেয়ার করেছিলাম যা আপনাদের অনেক ভালো লেগেছিল৷ তাই আজকে আরো একটি ক্রিয়েটিভ রাইটিং আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে খুবই সুন্দর একটি পোস্ট নিয়ে চলে আসলাম৷ আমার এই পোস্টের টাইটেল দেখে আপনারা কিছুটা বুঝে গিয়েছেন যে আজকে আমি কি সম্পর্কে শেয়ার করতে যাচ্ছি৷ আজকে আমি আপনাদের মাঝে যে বিষয়টি শেয়ার করব সেটি হচ্ছে আমরা অনেকেই হয়তো কিছুটা ভুতের কাহিনী জানি৷ সেই ভুতুড়ে কাহিনী নিয়ে এবং এখানে যে জীবন্ত ছবি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে সেটি হচ্ছে একটা ছবি যেটি সবসময়ই একেবারে নিশ্চুপ হয়ে থাকে৷ সব সময় এটি একটা ছবির মত কাজ করে৷ তবে রাতের বেলায় এটি যেন তার নিজের জীবন ফিরে পায়৷ এটি যেন কথা বলতে শুরু করে৷ এই বিষয়গুলো নিয়ে আজকে আপনাদের মাঝে এই পোস্ট বিস্তারিত শেয়ার করব।
এমন একটা বাড়ি ছিল যেখানে মানুষজনের আনাগোনা খুবই কম ছিল৷ মানুষজন সেখানে পরবর্তী সময়ে আসতো৷ ধীরে ধীরে তাদের ব্যস্ততা এবং বিভিন্ন কারণবশত তারা এখানে আর আসেই না৷ এখানে অনেক বছরেও কোন মানুষের আনাগোনা থাকে না৷ যার ফলে সেখানে যে সকল ডেকোরেশন গুলো রয়েছে এবং যা কিছুই ছিল সব কিছুই যেন একেবারে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়ে গিয়েছে৷ সেখানে বাড়ির যত্ন নেওয়ার জন্য যে ব্যক্তিকে রাখা হয়েছিল সেই ব্যক্তি আর তার দায়িত্বও সৎ ভাবে পালন করে না৷ সে তার নিজের মতো করে চলতে থাকে৷ এখানে একদিন আসলে সে আরো অনেক দিন পরে আসে৷ ধীরে ধীরে তার আসা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।
একই সাথে সে আগে ঘরের বাইরে থেকে শুরু করে ভিতরে যা কিছু হয়েছিল সব কিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখত৷ সব সময় সে সবকিছুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখত৷ সব সময় সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরে যখন আবারো কিছুদিন পর সে এসে দেখতো যে সবকিছু আবারও একেবারে ধুলোময়লায় ভরে গিয়েছে এবং এখানে কেউ আসে না তাই শুধু শুধু এগুলো পরিষ্কার করে তার কোন লাভ নেই। তাই সে কোন ধরনের কাজ করতো না৷ বসে বসে সে টাকাগুলো পায়৷ সে যখন তার টাকাগুলো বসে বসে পেয়ে যাচ্ছিল তখন সে ওই বাড়িতে যাওয়ার কোন প্রয়োজন মনে করছিল না৷ সে সবসময় সেই বাড়ি থেকে দূরে থাকতো৷ আর কখনোই সে বাড়িতে যেত না।
আর এক্ষেত্রে আমরা দেখতেই পাই, যে ব্যক্তিটি এখানে আগে কাজ করত সে সেখানে যখন আসা বন্ধ করে দিয়েছে তখন এখানে কিছু খারাপ বিষয়ের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে৷ এখানে অনেকদিন পর পর যখন সে দেখতে যেত, সেটিও সে বন্ধ করে দিয়েছে৷ সে এখানে একেবারেই আসা বন্ধ করে দিয়েছে৷ সে এখানে আসতে ভয় পেত৷ দিনের বেলাও সে অনেক ভয় পেত৷ কারণ এখানে সে অনেক কিছুই দেখত৷ সে সবসময় সেখানে এমন কিছু খারাপ জিনিস দেখত যা তাকে অনেক বেশি ভয় করা তো এবং সে সবসময়ই এই ভয় নিয়েই পড়ে থাকত।
এরপর সেখানে সে এমন একটা কাজ করে যা একেবারে অসাধারণ ছিল৷ সে ভাবতে থাকে যে আসলে এই বাড়ির মধ্যে কি হয় রাতের বেলা। দিনের বেলা কি হয়৷ সে সব কিছুই দেখতে চায়৷ সে সেখানে কিছু ক্যামেরা সেট করে আসে৷ সে গোপন ক্যামেরাগুলো যখন সেট করে তখন সে অনেক ভয়ে ভয়ে ছিল। সে ভাবছিল যে তাকে কেউ যেন ধরে ফেলছে৷ অথবা তাকে যেন কেউ পিছন থেকে মেরে ফেলবে৷ এরকম অনেক কিছু সে অনুভব করছিল৷ তবে যখন সে পেছনের দিকে তাকায় কোন কিছু দেখার চেষ্টা করে তখন সে কোন কিছুই দেখতে পায় না৷ তখন সে তার কাজ করে সেখান থেকে চলে আসে৷ সে দেখে যে সেখানে অনেক কিছুই দেখা যাচ্ছে৷ সেখানে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে যা একেবারেই অভাবনীয় এবং অসম্ভব।
সে দেখতে পায় যে সেখানে যে সকল ছবিগুলো ছিল সেই ছবিগুলোর মধ্যে একেবারে পুরাতন একটি ছবি ছিল যেটি অনেক আগের একটি ছবি৷ সেখানে যে মানুষের ছবি রয়েছে সে মানুষটিও তাদের পরিবারের অনেক আগের পূর্বপুরুষ ছিল৷ সে যখন ওই ছবিটিকে দেখতে পায় তখন সেই ছবি দিনের বেলায় একেবারে নিস্তব্ধ ছিল৷ সকল কিছুই একেবারে শান্তভাবেই অবস্থান করছিল৷ তবে কিছুক্ষণ পরেই যখন রাত হতে শুরু করে দেয় তখন সে দেখতে পায় সেই ছবি ধীরে ধীরে এদিক সেদিক নড়াচড়া করতে শুরু করে দিয়েছে৷ ছবির ভিতরে যে মানুষটি ছিল সেই মানুষটিও যেন ধীরে ধীরে কিছু একটা বলছে৷ সে অন্যান্য ছবি দেরকেও যেন প্রাণ দিচ্ছে৷ সবাই যেন একসাথে কথাবার্তা বলছে। সবাই একসাথে কথাবার্তা বলার মধ্য দিয়ে যেন তাদের পরিবারের আগের যে মুহূর্ত রয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছে৷ এর কিছুদিন পরে সে খবর পায় যে ওই পরিবারের যে মানুষগুলো ছিল সবাই ধীরে ধীরে মারা গিয়েছিল৷ সেখানে যে মানুষগুলো বাকি ছিল তারা কোনো এক দুর্ঘটনায় মারা যায় এবং তাদের পরিবার একেবারে শূন্য হয়ে যায়। ফলে এই ভুতুড়ে কান্ড শুরু হয়।
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | ক্রিয়েটিভ রাইটিং |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @bijoy1 |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M34 5g |
| লোকেশন | ফেনী,বাংলাদেশ |
আজকে এই পর্যন্তই। আশাকরি আপনাদের সবার কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। নিজের যত্ন নিবেন। আপনাদের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রইল। ইনশা আল্লাহ দেখা হবে নতুন একটি পোস্টে।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ও ভালোবাসা রইল।
আমি কে?
🤍🖤আমি বাংলাদেশ থেকে আবদুল্লাহ আল সাইমুন। আমার ডাক নাম বিজয়। আমি একজন ছাত্র। আমি ফেনী জেলায় বসবাস করি। আমি এই প্ল্যাটফর্মের নিয়মিত ব্যবহারকারী। আমি এই প্ল্যাটফর্মে আমার কাজগুলো সবার সাথে শেয়ার করতে পছন্দ করি। আমি আশা করি ভবিষ্যতে এই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবো। আমি ঘুরতে পছন্দ করি। তার পাশাপাশি বাইক চালানো, ফটোগ্রাফি করা, বই পড়া, নতুন নতুন কাজ করা ইত্যাদি আমার অনেক ভালো লাগে। আমার স্টিমিট আইডির নাম @bijoy1 এবং আমার একই নামের একটি ডিসকর্ড অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সর্বশেষ একটাই কথা,বাঙালী হিসেবে আমি গর্বিত। তাই আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে সবসময় আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।❤️🌹







https://x.com/i/status/2002569821628801517
https://x.com/i/status/2002363631875600731
https://x.com/i/status/2002363073886367943
https://x.com/i/status/2002363058581393628
https://x.com/i/status/2002362454224089357
https://x.com/i/status/2002362438780661969