জেনারেল রাইটিং - আতঙ্কিত মানুষজন।
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসি, কেমন আছেন আপনারা? আশাকরি সকলেই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করবো। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, শুধু শুধুই আতংকিত মানুষজন।

আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ পাওয়া যায় যারা শুধু শুধুই আতংকিত হয়ে যায়। ঘটনা যাই হোক, বিষয়টি যেমনই হোক, তারা আতংকিত হবেই।
এই যেমন ধরুন, ইরানের সাথে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ বেধেছে। এই ধরনের লোকেরা সর্বপ্রথম আতংকিত হয় ইরান কিংবা অন্য দুই দেশের কথা ভেবে। খানিক পর তার চেতনা কাজ করে। নিজ দেশে দুনিয়ার সমস্যা নিয়ে তার বসবাস। ওই দুই দেশের কি হবে তাতে তার কি?
কিছুক্ষণ পর তার বোধদয় হবে, আরে, যুদ্ধের জন্য তো আমদানি নির্ভর পন্য, বিশেষ করে জ্বালানি তেলের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। এই ভাবনা থেকে সে আবারও আতংকিত হয়ে যাবে এবং কোন কিছু না চিন্তা করে তেল মজুদের চেষ্টা করবে। কেন তেল তার মজুদ করতে হবে, তা জানা নাই। কিন্তু মজুদ তার করতেই হবে।
এই ধরণের স্বভাবের কারনে তারা বরাবরই নিজেরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ক্ষেত্র বিশেষ বিপদেও পড়ে যায়। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, তাদের এই আতংকিত স্বভাব এবং আচরণের কারনে আমাদেরও ক্ষতি হয়।
যেমন, বর্তমানে বাজারে জ্বালানী তেলের সংকট না থাকলেও, এরকম কিছু আতঙ্কিত লোকের কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার সুযোগ পেয়েছে। যার ফলে আমরা সকলেই এর ভুক্তভোগী। শুধু বর্তমান সময় নয়, বছরের যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের ভিন্ন কোন ঘটনা ঘটলেই তারা আতঙ্কিত হয়ে যায়। যাহার ফলে তাদের এই আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে বাকি সকল মানুষও বিপদে পড়ে যায়।
এ ধরনের মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে আতঙ্কিত অবস্থা থেকে সরিয়ে আনতে হবে। কারণ একটি উত্তপ্ত কয়লায় বাতাসের কারণে আগুন জলে উঠলে সমগ্র বহনই ধ্বংস হয়ে যায়। তাই নিজেদের স্বার্থেই আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। নিজেদের উদ্যোগেই তাদেরকে সচেতন করতে হবে।