সময়টা যখন ঘড়িময়। । -{১০% বেনিফিট @shy-fox এর জন্য}
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
৯ ই পৌষ , ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
২৫ ই ডিসেম্বর ২০২২ খৃস্টাব্দ ।
আজ রোজ রবিবার
আ মার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি। সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ
শীত মনে হচ্ছে রাতে ভালোই পরে ,আর দিনে হালকা পাতলা গরম। যার জন্য সবাই কম বেশি অসুস্থ। আমার ঘরে ও সবার জ্বর ঠান্ডা কাশি। কি যে একটা অবস্থা। বাচ্চা গুলো অসুস্থ হলে বেশি কষ্ট।আমি তো গলা ব্যথায় কথাই বলতে পারছি না।অসুস্থ থাকার কারণে আঁকাআঁকি কিংবা রঙিন কাগজের কিছুই বানাতে পারছি না। যাই হোক প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আমি আজকে আপনাদের সাথে কিছু শো পিস এর ফোটোগ্রাফি শেয়ার করবো। বেশ কিছু দিন আগে আমি আমার বড় বোন বাহিরে বের হয়েছিলাম কিছু কেনাকাটার জন্য। ও কিছু কুকারিজের জিনিসপত্র কিনবে আর আমি কিনতে গিয়েছিলাম শীতের জন্য শাল।
|
|---|
| device | samsung SM-A217F |
|---|---|
| Location | Dhaka |
| Photograpy | flowers |
| link | source |
ডিসকর্ড লিংক:
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |












প্রথমেই আপনার সুস্থতা কামনা করছি। আসলে অসুস্থ হলে ভীষণ খারাপ লাগে। যাক সৃষ্টি কর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সুস্থ রয়েছি এখনও। সাবধানে থাকুন আর সুস্থ হয়ে উঠুন তাড়াতাড়ি।
ঘড়িগুলো ভীষণ সুন্দর। আমারও সুন্দর জিনিসগুলো দেখলে ঘরে নিয়ে আসতে ইচ্ছে করে, কিন্তু এতো টাকা তো নেই। যাক দেখে শান্তি আরকি। ভালো থাকুন।
আসলেই সুস্থ্যতা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত।যাই হোক আজকে আমি আলহামদুলিল্লাহ একটু ভালো আছি।একদম এত টাকা আর কোথায় পাব।
প্রথমে আপনার পরিবারের সবার সুস্থতা কামনা করি। ঠিকই বলেছেন বাচ্চারা অসুস্থ হলে খুবই কষ্টকর। কিন্তু আমার কাছে আপনার ঘড়ির আলোকচিত্র গুলো ভীষণ ভালো লেগেছে। প্রত্যেকটি ঘড়ি কিন্তু অসাধারণ দেখতে। এরকম দারুন দারুন জিনিসপত্র দেখলে ইচ্ছে করে সবগুলো কিনে নিয়ে আসতে। আমার তো এরকম দোকানে যাওয়ার পর ফিরে আসতেই ইচ্ছে করে না। যাই হোক পড়ে ভীষণ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ সকলের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
আমার তো দোকান থেকে আসতেই ইচ্ছে করে না,মনে পুরো দোকান যদি খালি করে আসতে পারতাম, ভালো হতে😜😜।
আপু আপনি শীতের জন্য শাল কিনতে গিয়ে ঘড়ির ফটোগ্রাফি করে চলে আসলেন,ভাল কথা কোন সমস্যা নাই কিন্তুু দুই একটা শালের পিক দিলে ভালো হতো,পছন্দ হলে কিনতাম আর কি,হি হি হি। তবে যায় বলেন হলুদ কালার আর পিংক কালারের ঘড়ি গুলো আমার খুব পছন্দ হয়েছে। মন চাইছে এখনই কিনে নিয়ে আসি,হি হি হি। ধন্যবাদ আপু।
আমি তো সেই দিন শালেই কিনিনি,পরের দিন কিনেছি দিবনে কিছু শালের ছবি,ঐখান থেকেই পছন্দ করিয়েন😜😜
এত সুন্দর সুন্দর ঘড়ির আলোকচিত্র শেয়ার করেছেন। আমি তো কোনটা রেখে কোনটা দেখব ভেবেই পাচ্ছিলাম না। আপনার এই ঘড়ির আলোকচিত্র গুলোর মধ্য থেকে আমার কাছে সবগুলোই পছন্দ হয়েছে। আমিও ঠিক আপনার মত শোপিস দোকানে গেলে আর আসতে মন চায় না। এটা কিনতে মন চায় ওটা কিনতে মন চায় সবগুলোই পছন্দ হয় ইচ্ছে করে সবগুলোই কিনে নিয়ে আসি। এত সুন্দর সুন্দর ঘড়ির আলোকচিত্র সকলের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আসলেই কোনটা রেখে কোন টা কিনবো তাই ভেবে পাই না।সবগুলো ঘড়ি একেকটা একেক রকম সুন্দর। কালার গুলোও বেশ সুন্দর। ধন্যবাদ আপু আপনাকে
আপু আপনার বড় বোনসহ মার্কেটে গিয়ে অনেক সুন্দর ল্যাম্প সহ ঘড়ির ছবি তুলেছেন। সবগুলো ঘুমিয়ে অনেক সুন্দর কালার সম্পন্ন। নীল ঘরে তুই আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। এক একটি ঘড়ি একেক রকম রংবাহারের। দেখিই ইচ্ছে করছে সবগুলো কিনে ফেলি।
আপু ঘড়ি কে ঘুম বানিয়ে ফেললেন,আপু কমেন্ট গুলো একটু চেক করে দেখিয়েন,তুই লিখে নিয়েছেন😜😜
বর্তমান সময়ে দিনে তেমন একটা শীত পড়ে না কিন্তু রাতেলে শীতের প্রকোপ টা অনেক বেশি দেখা যায়। শীতের সময় প্রায় সকলেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে বিশেষ করে বাচ্চারা যদি অসুস্থ হয় তাহলে মা-বাবার অনেক বেশি কষ্ট হয়। যাইহোক আপনার বোনকে সাথে নিয়ে কিছু কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বাহিরে গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে শোপিস দেখে আপনি মুগ্ধ হয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি শোপিস অনেক বেশি পছন্দ করি দোকানে গেলে সেগুলো ছেড়ে আসতে মন চায় না। অবশেষে আপনি কিছু ঘড়ির ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তবে ঘড়ি কেনেননি এটা কোন কথা হাহাহা..!! যাইহোক ঘর সাজানোর জন্য লাইট কিনেছেন পরবর্তীতে সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
হুম রাতে একটু শীত বেশি দিনে আবার কোন ঠান্ডা নেই। হ্যা ভাইয়া লাইট গুলো ছবি আপনাদেরকে দেখাবো অব্যশই।ধন্যবাদ আপনাকে
শীতকাল হলেই প্রতিবছরই আমার শরীর খারাপ হয়, তবে এই বছর এখন অব্দি হয়নি। যাই হোক আপনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করছি।
আসলে এই এলাম ঘড়িগুলো আমার সারা জীবনের শত্রু। জীবনে যে কত এলার্ম ঘড়ি নষ্ট করেছি সেটা গুনে শেষ করা যাবে না। এমনও হয়েছে অ্যালার্ম বাজলে সেই ঘড়ি নিয়ে বাথরুমের বালতির জলে চুবিয়ে রেখে এসেছি। তারপর আবার বিছানায় এসে ঘুমিয়ে পড়েছি। পরে যখন হুশ আসে তখন বুঝতে পারি যে কত বড় ক্ষতি হয়ে গেল। কিন্তু তখন আর কোন উপায় থাকে না। হা হা হা....
কি সাংঘাতিক লোক আপনি,এলার্ম-ঘড়ি বালতিতে।এই সব আপনাকে দিয়েই সম্ভব।😜