জেনারেল রাইটিং : পিকনিক (১ম পর্ব)।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, আশাকরি বরাবরের মত ভালো আছেন। সভাই ভালো ও নিরাপদে থাকুন। আমার বাংলা ব্লগে প্রতিদিন লেখা হয়ে উঠেনা। চেষ্টা করি সময় হলেই যুক্ত থাকার। প্রতিদিনেই কতকিছু ঘটে যায় তার হিসেব থাকেনা। সবকিছুর খোঁজ খবর রাখাও সম্ভব হয়না। মানুষ অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিজের তাগিদে, জীবনের তাগিদে ও পরিবারের তাগিদে প্রতিনিয়ত ছুটে চলছে । এই ছোটার শেষ কোথায়? অনেকে জানিনা! তবে ছুটে চললেই হবেনা, কখনো কখনো থামতে হয়। থামতে জানতে হয়। একান্ত নিজের করে কিছু সময় কাটাতে হয়।নিজের করে কিছু সময় কাটানো অর্থ, নিজেকে রিজার্জ করা। আর এই রিজার্জ কাজে আরো গতি আনে, উদ্যোমী করে। বব্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগে আজ একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করবো। আজকের জেনারেল রাইটিং এর শিরোনাম পিকনিক।

20260130_141933.jpg

পিকনিকে অংশগ্রহণ করেনি এমন মানুষ বোধহয় কম খুঁজে পাওয়া যাবে। প্রতিবছর দু'চারটি পিকনিকে অংশগ্রহণ করতে হয়।ছোট থেকেই পিকনিকে যাওয়ার অভ্যেস। স্কুলের পিকনিক দিয়ে শুরু। সেই প্রাইমারি স্কুল থেকে। স্কুলে পিকনিক না বলে বলত শিক্ষাসফর। সেই যে স্কুলে পিকনিকে অংশগ্রহণ শুরু করেছি এখন পর্যন্ত চলছে। প্রতিবছর দু'চারটি যেতে হয়।সময় বের করে যেতে হয়। স্যোসাল মিডিয়ার কল্যাণ্যে এখন গেটটুগেদারের সং্খ্যা অবেক বেড়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সমিতির নামে নানা আয়োজন অনুষ্টান। সবগুলোতে যেতে না পারলেও বাৎসরিক পিকনিক গুলোতে এটেন্ড করার চেষ্টা করি। শীতকালেই পিকনিক গুলোর আয়োজন হয় বেশী। ঢাকায় বিভাগ,জেলা ও উপজেলা সমিতি অনেক। কোন কোন জেলা উপজেলার একাধিক সমিতি। ষাকায় বসবাস করা মানুষকে একত্রিত করার প্রয়াস। ঢাকার ব্যস্ত জীবনে নিজ জেলা উপজেলার মানুষের সাথে মাঝেমধ্যে দেখা স্বাক্ষাৎ হলে ভালোই লাগে। অনেকের সাথে দেখা হয়। কারো কারো সাথে দেখা হয় অনেকদিন পর। মন্দ না,ভালোই লাগে।

গতকাল ৩০ জানুয়ারি আমার নিজ উপজেলার ঢাকাস্থ মানুষদের এক মিলন মেলায় অংশগ্রহণ করি। আমার উপজেলা সমিতির উদ্যোগে বাৎসরিক পিকনিক। শিশু থেকে বৃদ্ধা সব বয়সের মানুষের এক মিলন মেলা।আড্ডা,খাইদাই,খেলাধুলা,গান বাজনা,র‍্যাফেল ড্র নানা আয়োজনে মুখর ছিল পিকনিক স্পট। সারাদিন কেমনে কেটে গেল টেরেই পেলামনা। আয়োজন ছিল গোছালো। কারো কোন সমস্যা হয়নি। সকাল থেকে রাত দারুণ একটি দিন কাটলো। গাড়ী থেকে নেমে পিকনিক স্পটে ঢুকতেই ব্যান্ডপার্টির বাজনার তাল আর স্বেচ্ছাসেবকদের রজনীগন্ধার স্টিক দিয়ে বরণ সবাইকে অভিভূত করলো। সকালের অভ্যার্থনাই জানান দিলো সারাদিটি আনন্দে কাটবে। (পরের অংশ আগামীকাল)।

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.